یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تَدۡخُلُوۡا بُیُوۡتَ النَّبِیِّ اِلَّاۤ اَنۡ یُّؤۡذَنَ لَکُمۡ اِلٰی طَعَامٍ غَیۡرَ نٰظِرِیۡنَ اِنٰىہُ ۙ وَلٰکِنۡ اِذَا دُعِیۡتُمۡ فَادۡخُلُوۡا فَاِذَا طَعِمۡتُمۡ فَانۡتَشِرُوۡا وَلَا مُسۡتَاۡنِسِیۡنَ لِحَدِیۡثٍ ؕ اِنَّ ذٰلِکُمۡ کَانَ یُؤۡذِی النَّبِیَّ فَیَسۡتَحۡیٖ مِنۡکُمۡ ۫ وَاللّٰہُ لَا یَسۡتَحۡیٖ مِنَ الۡحَقِّ ؕ وَاِذَا سَاَلۡتُمُوۡہُنَّ مَتَاعًا فَسۡـَٔلُوۡہُنَّ مِنۡ وَّرَآءِ حِجَابٍ ؕ ذٰلِکُمۡ اَطۡہَرُ لِقُلُوۡبِکُمۡ وَقُلُوۡبِہِنَّ ؕ وَمَا کَانَ لَکُمۡ اَنۡ تُؤۡذُوۡا رَسُوۡلَ اللّٰہِ وَلَاۤ اَنۡ تَنۡکِحُوۡۤا اَزۡوَاجَہٗ مِنۡۢ بَعۡدِہٖۤ اَبَدًا ؕ اِنَّ ذٰلِکُمۡ کَانَ عِنۡدَ اللّٰہِ عَظِیۡمًا
উচ্চারণ
ইয়াআইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানূলা-তাদখুলূবুয়ূতান নাবিইয়ি ইল্লাআইঁ ইউ’যানা লাকুম ইলাতা‘আ-মিন গাইরা না-জিরীনা ইনা-হু ওয়ালা-কিন ইযা-দু‘ঈতুম ফাদখুলূফাইযাতা‘ইমতুম ফানতাশিরূ ওয়ালা-মুছতা’নিছীনা লিহাদীছিন ইন্না যা-লিকুম কা-না ইউ’যিন্নাবিইয়া ফাইয়াছতাহয়ী মিনকুম ওয়াল্লা-হু লা-ইয়াছতাহয়ী মিনাল হাক্কি ওয়া ইযা-ছাআলতুমূহুন্না মাতা-‘আন ফাছআলূহুন্না মিওঁ ওয়ারাই হিজা-বিন যালিকুম আতহারু লিকুলূবিকুম ওয়া কুলূবিহিন্না; ওয়ামা-কা-না লাকুম আন তু’যূরাছূলাল্লা-হি ওয়ালাআন তানকিহূআঝওয়াজাহু মিম বা‘দিহীআবাদান ইন্না যালিকুম কানা ‘ইনদালিল হি ‘আজীমা-।
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৪৬. এ আয়াতে সামাজিক কিছু আদব-কেতা বর্ণিত হয়েছে। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন হযরত যয়নব (রাযি.)কে বিবাহ করার পর ওলিমার অনুষ্ঠান করেন, সেই সময়ে এ আয়াত নাযিল হয়েছে। তখন ঘটেছিল এই যে, কিছু লোক খাদ্য প্রস্তুত হওয়ার অনেক আগেই এসে বসে থাকল। আবার কিছু লোক খাওয়া-দাওয়ার পরও অনেকক্ষণ পর্যন্ত নবীগৃহে বসে গল্পে লিপ্ত থাকল। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একেকটি মুহূর্ত ছিল মহা মূল্যবান। অতিথিদের দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার কারণে তাঁকেও তাদের সঙ্গে বসে থাকতে হল, যাতে তাঁর অনেক কষ্ট হল। ঘটনাটি যেহেতু ঘটেছিল মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে তাই আয়াতে বিশেষভাবে তাঁর ঘরের কথাই উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু এর বিধানাবলী সাধারণভাবে সকলের জন্যই প্রযোজ্য। এতে আদব শিক্ষা দেওয়া হয়েছে যে, (ক) কারও ঘরে তার অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করা যাবে না। (খ) কেউ খাওয়ার জন্য নিমন্ত্রণ করলে অতিথির এমন কোন পন্থা অবলম্বন করা উচিত নয়, যা মেজবানের পক্ষে পীড়াদায়ক। সুতরাং খাওয়ার জন্য নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে গিয়ে বসে থাকবে না। আবার খাওয়া-দাওয়া শেষ হওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ বসে আলাপ-সালাপে মেতে থাকবে না। এতে নিমন্ত্রণকারীর কাজকর্ম বিঘ্নিত হয় ও সে কষ্ট পায়। এসব ইসলামী তাহযীব ও আদব-কায়দার পরিপন্থী।