আল আহ্‌যাব

সূরা নং: ৩৩, আয়াত নং: ৫১

তাফসীর
تُرۡجِیۡ مَنۡ تَشَآءُ مِنۡہُنَّ وَتُــٔۡوِیۡۤ اِلَیۡکَ مَنۡ تَشَآءُ ؕ وَمَنِ ابۡتَغَیۡتَ مِمَّنۡ عَزَلۡتَ فَلَا جُنَاحَ عَلَیۡکَ ؕ ذٰلِکَ اَدۡنٰۤی اَنۡ تَقَرَّ اَعۡیُنُہُنَّ وَلَا یَحۡزَنَّ وَیَرۡضَیۡنَ بِمَاۤ اٰتَیۡتَہُنَّ کُلُّہُنَّ ؕ وَاللّٰہُ یَعۡلَمُ مَا فِیۡ قُلُوۡبِکُمۡ ؕ وَکَانَ اللّٰہُ عَلِیۡمًا حَلِیۡمًا

উচ্চারণ

তুরজী মান তাশাউ মিনহুন্না ওয়া তু’বী ইলাইকা মান তাশাউ ওয়া মানিবতাগাইতা মিম্মান ‘আঝালতা ফালা-জুনা-হা ‘আলাইকা যা-লিকা আদনা আন তাকাররা আ‘ইউনুহুন্না ওয়ালা-ইয়াহঝান্না ওয়া ইয়ারদাইনা বিমাআ-তাইতাহুন্না কুল্লুহুন্না ওয়াল্লাহু ইয়া‘লামুমা-ফী কূলূবিকুম ওয়া কা-নাল্লা-হু ‘আলীমান হালীমা-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তুমি স্ত্রীদের মধ্যে যার পালা ইচ্ছা কর মুলতবি করতে পার এবং যাকে চাও নিজের কাছে রাখতে পার। তুমি যাদেরকে পৃথক করে দিয়েছ, তাদের মধ্যে কাউকে ওয়াপস গ্রহণ করতে চাইলে তাতে তোমার কোন গুনাহ নেই, ৪৩ এ নিয়মে বেশি আশা করা যায়, তাদের চোখ জুড়াবে, তারা বেদনাহত হবে না এবং তুমি তাদেরকে যা-কিছু দেবে তাতে তারা সকলে সন্তুষ্ট থাকবে। ৪৪ তোমাদের অন্তরে যা-কিছু আছে আল্লাহ সে সম্বন্ধে অবহিত এবং আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৪৩. এটা চতুর্থ বিধান যা বিশেষভাবে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্য প্রযোজ্য ছিল। সাধারণভাবে মুসলিমদের জন্য বিধান হল, কারও একাধিক স্ত্রী থাকলে প্রতিটি বিষয়ে তাদের মধ্যে সমতা রক্ষা করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য। কাজেই এক স্ত্রীর সঙ্গে সে যত রাত যাপন করবে, সমপরিমাণ রাত অন্য স্ত্রীর সঙ্গে যাপন করতে হবে। এটা ফরয। কিন্তু মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ক্ষেত্রে এরূপ পালা নির্ধারণের আবশ্যকতা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল। তাকে অনুমতি দেওয়া হয় যে, তিনি চাইলে কোন স্ত্রীর পালা মুলতবি করতে পারেন। প্রকাশ থাকে যে, এটাও এমন এক অনুমতি, যা দ্বারা সমগ্র জীবনে একবারও তিনি কোন সুবিধা ভোগ করেননি। তিনি সর্বদা স্ত্রীদের মধ্যে সব ব্যাপারেই সমতা রক্ষা করে চলেছেন।