আস সিজদাহ্‌

সূরা নং: ৩২, আয়াত নং: ৪

তাফসীর
اَللّٰہُ الَّذِیۡ خَلَقَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ وَمَا بَیۡنَہُمَا فِیۡ سِتَّۃِ اَیَّامٍ ثُمَّ اسۡتَوٰی عَلَی الۡعَرۡشِ ؕ مَا لَکُمۡ مِّنۡ دُوۡنِہٖ مِنۡ وَّلِیٍّ وَّلَا شَفِیۡعٍ ؕ اَفَلَا تَتَذَکَّرُوۡنَ

উচ্চারণ

আল্লা-হুল্লাযী খালাকাছছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদা ওয়ামা-বাইনাহুমা-ফী ছিত্তাতি আইয়ামিন ছু ম্মাছ তাওয়া-‘আলাল ‘আরশি মা-লাকুম মিন দূ নিহী মিওঁ ওয়ালিইয়িওঁ ওয়ালাশাফী‘ইন আফালা-তাতাযাক্কারূন।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আল্লাহ সেই সত্তা, যিনি আকাশমণ্ডলী, পৃথিবী ও এর মধ্যবর্তী যাবতীয় বস্তু ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তিনি আরশে ‘ইসতিওয়া’ গ্রহণ করেন। তিনি ছাড়া তোমাদের কোন অভিভাবক নেই এবং নেই কোন সুপারিশকারী। তারপরও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করবে না?

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

২. ‘ইসতিওয়া’-এর আভিধানিক অর্থ সোজা হওয়া, আসন গ্রহণ করা। কিন্তু আল্লাহ তাআলা কিভাবে আরশে ইসতিওয়া গ্রহণ করেন, আমাদের পক্ষে তা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। বিষয়টা আমাদের বুঝ-সমঝের অতীত। কাজেই এর তত্ত্ব-তালাশের পেছনে পড়ার কোন প্রয়োজন নেই। পড়লেও অকাট্য কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে এতটুকু ঈমান রাখাই যথেষ্ট যে, কুরআন মাজীদ যা-কিছু বলেছে তা সত্য।