আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৬৭

তাফসীর
لِکُلِّ اُمَّۃٍ جَعَلۡنَا مَنۡسَکًا ہُمۡ نَاسِکُوۡہُ فَلَا یُنَازِعُنَّکَ فِی الۡاَمۡرِ وَادۡعُ اِلٰی رَبِّکَ ؕ اِنَّکَ لَعَلٰی ہُدًی مُّسۡتَقِیۡمٍ

উচ্চারণ

লিকুল্লি উম্মাতিন জা‘আলনা-মানছাকান হুম না-ছিকূহু ফালা-ইউনা-ঝি‘উন্নাকা ফিলআমরি ওয়াদ‘উ ইলা-রাব্বিকা ইন্নাকা লা‘আলা-হুদাম মুছতাকীম।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

আমি প্রত্যেক উম্মতের জন্য ইবাদতের এক পদ্ধতি নির্দিষ্ট করেছি, যে অনুসারে তারা ইবাদত করে। ৩৭ সুতরাং (হে নবী!) এ বিষয়ে তোমার সঙ্গে যেন তারা বিতর্কে লিপ্ত না হয়। তুমি নিজ প্রতিপালকের দিকে দাওয়াত দিতে থাক। নিশ্চয়ই তুমি সরল পথে আছ।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৭. মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সকল বিধি-বিধান পেশ করেছেন, তার মধ্যে কিছু এমনও আছে, যা পূর্ববর্তী নবী-রাসূলগণের দেওয়া বিধান থেকে আলাদা। এ কারণে কোন কোন কাফেরের আপত্তি ছিল। এ আয়াতে তার উত্তর দেওয়া হয়েছে। এতে আল্লাহ তাআলা জানাচ্ছেন একেক নবীর শরীয়তে ইবাদতের একেক রকম নিয়ম বাতলানো হয়েছে এবং প্রত্যেক যুগের পরিবেশ-পরিস্থিতির সাথে সঙ্গতি রেখে বিধানাবলীর মধ্যেও কিছু প্রভেদ রাখা হয়েছিল। সুতরাং মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শরীয়তে যে সব বিধান দেওয়া হয়েছে, তার কোনওটিকে পূর্বেকার শরীয়তসমূহ থেকে পৃথক মনে হলে তাতে আপত্তির কিছু নেই এবং তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে লিপ্ত হওয়ারও কোন অবকাশ নেই।