আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৬১

তাফসীর
ذٰلِکَ بِاَنَّ اللّٰہَ یُوۡلِجُ الَّیۡلَ فِی النَّہَارِ وَیُوۡلِجُ النَّہَارَ فِی الَّیۡلِ وَاَنَّ اللّٰہَ سَمِیۡعٌۢ بَصِیۡرٌ

উচ্চারণ

যা-লিকা বিআন্নাল্লা-হা ইউলিজুল্লাইলা ফিন্নাহা-রি ওয়া ইউলিজুন্নাহা-রা ফিল্লাইলি ওয়া আন্নাল্লা-হা ছামী‘উম বাসীর।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

তা এজন্য যে, আল্লাহ (তাআলার শক্তি বিপুল। তিনি) রাতকে দিনের মধ্যে প্রবিষ্ট করান এবং দিনকে রাতের মধ্যে প্রবিষ্ট করান ৩৪ এবং এজন্য যে, আল্লাহ সবকিছু শোনেন, সবকিছু দেখেন।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৪. অর্থাৎ এক মওসুমে যেটা থাকে দিনের অংশ অন্য মওসুমে আল্লাহ তাআলা তাকে রাত বানিয়ে দেন। আবার এক মওসুমে যেটা থাকে রাতের অংশ অন্য মওসুমে তাকে দিন বানিয়ে দেন। চাঁদ-সুরুজের পরিক্রমণকে আল্লাহ তাআলা তাঁর অপার প্রজ্ঞায় এক অলংঘনীয় নিয়ম-নিগড়ে বেঁধে দিয়েছেন। কখনও তাতে এক মুহূর্তের হেরফের হয় না। এমনিতে তো আল্লাহ তাআলার কুদরতের নিদর্শন অগণ্য। কিন্তু এখানে বিশেষভাবে দিবা-রাত্রের এই পালা বদলের বিষয়টাকে উল্লেখ করা হয়েছে সম্ভবত এ কারণে যে, এখানে আলোচনা চলছে মজলুমের সাহায্য করা সম্পর্কে। সে প্রসঙ্গেই এ দৃষ্টান্ত দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে, রাত-দিনের সময় যেমন পরিবর্তিত হয়, তেমনি জালেম-মজলুমের মধ্যেও সময়ের পালাবদল হয়। এক সময় যে ছিল মজলুম, আল্লাহ তাআলা জালেমের বিরুদ্ধে তাকে সাহায্য করেন। ফলে সে শক্তিশালী হয়ে ওঠে ও জালেমের উপর ক্ষমতা বিস্তার করে। আর যে জালেম এতদিন প্রবল-পরাক্রান্ত ছিল সে এ যাবৎকাল যার উপর জুলুম করেছিল, তার সামনে মাথা নোয়াতে বাধ্য হয়।
সূরা আল হাজ্জ্ব, আয়াত ২৬৫৬ | মুসলিম বাংলা