আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৬০

তাফসীর
ذٰلِکَ ۚ وَمَنۡ عَاقَبَ بِمِثۡلِ مَا عُوۡقِبَ بِہٖ ثُمَّ بُغِیَ عَلَیۡہِ لَیَنۡصُرَنَّہُ اللّٰہُ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَعَفُوٌّ غَفُوۡرٌ

উচ্চারণ

যা-লিকা ওয়ামান ‘আ-কাবা বিমিছলি মা-‘উকিবা বিহী ছুম্মা বুগিয়া ‘আলাইহি লাইয়ানসুরান্নাহুল্লা-হু ইন্নাল্লা-হা লা‘আফুওউন গাফূর।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এসব স্থিরীকৃত বিষয় এবং (আরও জেনে রেখ) কোনও ব্যক্তি প্রতিশোধ নিতে গিয়ে যদি ঠিক ততটুকু কষ্ট দেয়, যতটুকু কষ্ট তাকে দেওয়া হয়েছিল, অতঃপর ফের তার প্রতি অত্যাচার করা হয়, তবে আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন। ৩৩ নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি মার্জনাকারী, পরম ক্ষমাশীল।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

৩৩. পূর্বে ৩৯ নং আয়াতে আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে সেই সকল কাফেরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার অনুমতি দিয়েছিলেন যারা তাদের উপর জুলুম-অত্যাচার করেছিল, যদিও এর আগে উপর্যুপরি তাদেরকে সবর ও ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছিল। এবার এ স্থলে কেবল যুদ্ধের ক্ষেত্রেই নয়, বরং যে-কোন রকমের অত্যাচার-উৎপীড়নের ক্ষেত্রে প্রতিশোধ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। তবে শর্ত হল যে পরিমাণ জুলুম করা হয়েছে, প্রতিশোধ ঠিক সেই পরিমাণই হতে হবে। তার বেশি নয়। সেই সঙ্গে বলা হচ্ছে, ক্ষমা প্রদর্শনের নীতি যদিও সর্বোত্তম, কিন্তু ইনসাফ রক্ষা সাপেক্ষে প্রতিশোধ গ্রহণও জায়েয এবং সে ক্ষেত্রেও আল্লাহ তাআলার পক্ষ হতে সাহায্যের ওয়াদা আছে। বরং এখানে আরও অগ্রসর হয়ে বলা হয়েছে, ইনসাফ রক্ষা করে প্রতিশোধ গ্রহণের পর ফের যদি তাদের উপর জুলুম করা হয়, হবে আল্লাহ তাআলা তখনও তাদেরকে সাহায্য করবেন।