لَکُمۡ فِیۡہَا مَنَافِعُ اِلٰۤی اَجَلٍ مُّسَمًّی ثُمَّ مَحِلُّہَاۤ اِلَی الۡبَیۡتِ الۡعَتِیۡقِ ٪
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
২২. অর্থাৎ, তোমরা কোন পশুকে যতক্ষণ পর্যন্ত হজ্জের কুরবানী হিসেবে নির্দিষ্ট না কর ততক্ষণ সে পশুকে যে-কোন কাজে ব্যবহার করতে পার। তাতে সওয়ার হওয়া, তার দুধ পান করা, তার দেহ থেকে পশম সংগ্রহ করা সবই জায়েয। কিন্তু তাকে যখন হজ্জের কুরবানী হিসেবে নির্দিষ্ট করে ফেলা হবে, তখন সে পশুকে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ হয়ে যায়। তখন এ সবের কোনওটিই করা জায়েয হয় না। বরং হজ্জের জন্য নির্দিষ্ট করে নেওয়ার পর তাকে বাইতুল্লাহ শরীফের আশেপাশে অর্থাৎ, হারাম শরীফের সীমানার মধ্যে যবাহ করে হালাল করা ওয়াজিব হয়ে যায়। হজ্জের জন্য নির্দিষ্ট করার বিভিন্ন আলামত আছে, যা ফিকহী গ্রন্থাবলীতে বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে।