আল হাজ্জ্ব

সূরা নং: ২২, আয়াত নং: ৩০

তাফসীর
ذٰلِکَ ٭  وَمَنۡ یُّعَظِّمۡ حُرُمٰتِ اللّٰہِ فَہُوَ خَیۡرٌ لَّہٗ عِنۡدَ رَبِّہٖ ؕ  وَاُحِلَّتۡ لَکُمُ الۡاَنۡعَامُ اِلَّا مَا یُتۡلٰی عَلَیۡکُمۡ فَاجۡتَنِبُوا الرِّجۡسَ مِنَ الۡاَوۡثَانِ وَاجۡتَنِبُوۡا قَوۡلَ الزُّوۡرِ ۙ

উচ্চারণ

যা-লিকা ওয়া মাইঁ ইউ‘আজজিম হুরুমা-তিল্লা-হি ফাহুওয়া খাইরুল্লাহূ‘ইনদা রাব্বিহী ওয়া-উহিল্লাত লাকুমুল আন‘আ-মুইল্লা-মা-ইউতলা-‘আলাইকুম ফাজতানিবুর রিজছা মিনাল আওছা-নি ওয়াজতানিবূকাওলাঝঝূর।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

এসব কথা স্মরণ রেখ। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ যেসব জিনিসকে মর্যাদা দিয়েছেন তার মর্যাদা রক্ষা করবে, তার পক্ষে তার প্রতিপালকের কাছে এ কাজ অতি উত্তম। সব চতুষ্পদ জন্তু তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে, সেই পশুগুলো ছাড়া যা বিস্তারিতভাবে তোমাদের পড়ে শোনানো হয়েছে। ১৯ সুতরাং তোমরা প্রতিমাদের কলুষ পরিহার কর এবং মিথ্যা কথা থেকে বেঁচে থাক,

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১৯. পশু কুরবানীর আলোচনা প্রসঙ্গে আরব মুশরিকদের সেই অজ্ঞতাপ্রসূত রসমকেও রদ করা হয়েছে, যার ভিত্তিতে তারা প্রতিমাদের নামে বহু পশু হারাম সাব্যস্ত করেছিল (বিস্তারিত দেখুন সূরা আনআম ৬ : ১৩৭-১৪৪)। বলা হয়েছে, এসব পশু তোমাদের পক্ষে হালাল। ব্যতিক্রম কেবল সেগুলো যেগুলোকে কুরআন মাজীদে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে (দেখুন সূরা মায়েদা ৫ : ৩)। মুশরিকরা প্রতিমাদেরকে আল্লাহ তাআলার শরীক বলে বিশ্বাস করত এবং তাদের নামে জীবজন্তু ছেড়ে দিত। এই শিরকী কার্যক্রমের ভিত্তিতেই তারা সেসব পশুকে হারাম সাব্যস্ত করত। এ আয়াতে তাদের সেই হারামকরণের ভিত্তিকেই উৎপাটন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, তোমরা প্রতিমাদের কলুষ ও অলীক-অবাস্তব কথা থেকে বেঁচে থাক।