وَعَلَّمَ اٰدَمَ الۡاَسۡمَآءَ کُلَّہَا ثُمَّ عَرَضَہُمۡ عَلَی الۡمَلٰٓئِکَۃِ ۙ فَقَالَ اَنۡۢبِـُٔوۡنِیۡ بِاَسۡمَآءِ ہٰۤؤُلَآءِ اِنۡ کُنۡتُمۡ صٰدِقِیۡنَ
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৩১. ‘নামসমূহ’ দ্বারা সৃষ্টিজগতের যাবতীয় বস্তুর নাম, তাদের বৈশিষ্ট্যাবলী এবং মানুষ যে ক্ষুধা, পিপাসা, সুস্থতা, অসুস্থতা ইত্যাদি অবস্থাসমূহের সম্মুখীন হয়, তার জ্ঞান বোঝানো হয়েছে। হযরত আদম আলাইহিস সালামকে এসব বিষয় শিক্ষা দানের সময় ফিরিশতাগণ উপস্থিত থাকলেও তাদের স্বভাবের ভেতর যেহেতু এসব জিনিসের বুঝ-সমঝ ছিল না, তাই তাদের থেকে যখন এর পরীক্ষা নেওয়া হল, তারা উত্তর দিতে সক্ষম হলেন না। এভাবে আল্লাহ তাআলা ফিরিশতাদের দ্বারা কার্যত স্বীকার করিয়ে নিলেন যে, এই নতুন সৃষ্টির দ্বারা তিনি যে কাজ নিতে চান, তা তারা আঞ্জাম দিতে সক্ষম নন। (কেননা খিলাফতের কাজ আঞ্জাম দেওয়ার জন্য খলিফার ভেতর তার মনিব ও অধিকর্তার গুণ থাকা জরুরি। ফিরিশতাগণ ইবাদতের ক্ষেত্রে অনেক উচ্চস্তরের হলেও মনিবের গুণ অর্থাৎ ইলম ও জ্ঞানের ক্ষেত্রে তারা অনেক পিছনে। সেই তুলনায় মানুষকে যেহেতু অনেক এগিয়ে রেখেছেন তাই তাকেই খলিফা হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। এর দ্বারা ইলমের ফযীলতও বোঝা গেল। -(-অনুবাদক)