মারইয়াম

সূরা নং: ১৯, আয়াত নং: ২১

তাফসীর
قَالَ کَذٰلِکِ ۚ قَالَ رَبُّکِ ہُوَ عَلَیَّ ہَیِّنٌ ۚ وَلِنَجۡعَلَہٗۤ اٰیَۃً لِّلنَّاسِ وَرَحۡمَۃً مِّنَّا ۚ وَکَانَ اَمۡرًا مَّقۡضِیًّا

উচ্চারণ

কা-লা কাযা-লিকি কা-লা রাব্বুকি হুওয়া ‘আলাইইয়া হাইয়িনুওঁ ওয়ালিনাজ‘আলাহূআ-য়াতাল লিন্না-ছি ওয়ারাহমাতাম মিন্না- ওয়াকা-না আমরাম মাকদিইইয়া-।

অর্থ

মুফতী তাকী উসমানী

ফিরিশতা বলল, এভাবেই হবে। তোমার রব্ব বলেছেন, আমার পক্ষে এটা একটা মামুলি কাজ। আমি এটা করব এজন্য যে, তাকে বানাব মানুষের জন্য (আমার কুদরতের) এক নিদর্শন ও আমার নিকট হতে রহমত। ১২ এটা সম্পূর্ণরূপে স্থিরীকৃত হয়ে গেছে।

তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী

১২. দুনিয়ায় মানুষের আগমনের সাধারণ নিয়ম এই যে, সে নর-নারীর মিলনের ফলে জন্ম নেয়। কিন্তু আল্লাহ তাআলা হযরত আদম আলাইহিস সালাম, হযরত হাওয়া ও হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে এ নিয়মের অধীনে সৃষ্টি করেননি। হযরত আদম আলাইহিস সালামের সৃজনে তো পুরুষ ও নারী কারোই কোন ভূমিকা ছিল না। হযরত হাওয়াকে যেহেতু তাঁরই পাঁজর থেকে সৃষ্টি করা হয়, সে হিসেবে তাঁর সৃজনে পুরুষের তো এক রকম ভূমিকা ছিল, কিন্তু নারীর কোন ভূমিকা ছিল না। আল্লাহ তাআলা চাইলেন মানব সৃষ্টির চতুর্থ এক পন্থার মাধ্যমে মানুষকে নিজ কুদরতের মহিমা দেখাবেন। সুতরাং তিনি হযরত ঈসা আলাইহিস সালামকে পিতার ভূমিকা ছাড়া কেবল মা হতে সৃষ্টি করলেন। এর দ্বারা আল্লাহ তাআলার এক উদ্দেশ্য তো ছিল মানুষকে নিজ কুদরতের প্রকাশ দেখিয়ে দেওয়া, দ্বিতীয়ত এটা স্পষ্ট করে দেওয়া যে, হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম একজন নবীরূপে মানুষের জন্য রহমত স্বরূপ আগমন করছেন।
সূরা মারইয়াম, আয়াত ২২৭১ | মুসলিম বাংলা