তাদের পূর্ববর্তী লোকেও চক্রান্ত করেছিল। পরিণামে তারা যে (ষড়যন্ত্রের) ইমারত নির্মাণ করেছিল, আল্লাহ তার ভিত্তিমূল উপড়ে ফেললেন ফলে উপর থেকে ছাদও তাদের উপর ধ্বসে পড়ল। আর এমন স্থান থেকে তাদের উপর আযাব আপতিত হল, যা তারা টের করতেই পারছিল না। ১৬
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
১৬. অর্থাৎ মক্কাবাসীদের আগেও বহু জাতি তাদের নবীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল এবং আল্লাহর জ্যোতিকে নিভিয়ে দেওয়ার জন্য তাদের সাধ্যমত সবকিছুই করেছিল, কিন্তু পরিণামে এমনভাবে তাদের উপর আল্লাহর আযাব এসে পড়েছিল, যা ছিল তাদের ধারণার অতীত। এটাই সর্বকালে আল্লাহ তাআলার নীতি। নবীগণ এবং তাদের যথার্থ অনুসারীগণ যখন দাওয়াতী কার্যক্রমে অবতীর্ণ হন, বাতিল শক্তি তাদের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেওয়ার জন্য আঁটঘাট বেঁধে নেমে পড়ে। তারা থাকে দর্পিত-স্পর্ধিত। নিজেদের শক্তি-সামর্থের উপর অত্যধিক আস্থা থাকার কারণে কোনও রকম বিপর্যয়ের কথা তাদের মনেও আসে না। কিন্তু ওদিকে নিজেদের সক্ষমতার উপর নয়, বরং আল্লাহ তাআলার কুদরতের উপর পূর্ণ আস্থা থাকার কারণে সত্যপন্থীদের পক্ষে আল্লাহ তাআলার সাহায্য থাকে। তাঁর ঘোষণা রয়েছে وَلَيَنْصُرَنَّ اللّٰهُ مَنْ يَّنْصُرُهُ যে আল্লাহর দীনের সাহায্য করে আল্লাহ তাকে অবশ্যই সাহায্য করেন’। (সূরা হজ্জ ২২ : ৪০) সুতরাং একদিকে তিনি তাদেরকে জয়যুক্ত করেন আর অন্যদিকে সত্যের দুশমনদেরকে তাদের কল্পনার বাইরে জেরবার করে দেন। -অনুবাদক