وَاَنۡذِرِ النَّاسَ یَوۡمَ یَاۡتِیۡہِمُ الۡعَذَابُ فَیَقُوۡلُ الَّذِیۡنَ ظَلَمُوۡا رَبَّنَاۤ اَخِّرۡنَاۤ اِلٰۤی اَجَلٍ قَرِیۡبٍ ۙ نُّجِبۡ دَعۡوَتَکَ وَنَتَّبِعِ الرُّسُلَ ؕ اَوَلَمۡ تَکُوۡنُوۡۤا اَقۡسَمۡتُمۡ مِّنۡ قَبۡلُ مَا لَکُمۡ مِّنۡ زَوَالٍ ۙ
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৩৫. তাদের একথা মৃত্যুকালেও হতে পারে কিংবা কিয়ামতেও হতে পারে, মৃত্যুকালে হলে এর অর্থ হল, মৃত্যুর অসহনীয় যন্ত্রণা দেখে তারা বলবে, আমাদেরকে আরও কিছুদিন দুনিয়ায় থাকার সুযোগ দিন। আমরা ওয়াদা করছি, আমরা দীন ও ঈমান কবুল করে নিজেদেরকে শুধরে নেব, যেমন সূরা মুমিনুনে আছে, যখন তাদের কারও মৃত্যু উপস্থিত হয় তখন সে বলে, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমাকে পুনরায় প্রেরণ কর, যাতে আমি সৎকর্ম করতে পারি’। (সূরা মুমিনুন ২৩ : ৯৯-১০০) এবং সূরা মুনাফিকূনে আছে, ‘মৃত্যু আসলে সে বলবে, হে আমার প্রতিপালক, আমাকে আরও কিছুকালের জন্য অবকাশ দিলে আমি সদাকা দিতাম এবং সৎর্মপরায়ণদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। (সূরা মুনাফিকূন ৬৩ : ১১) আর এটা যদি তাদের কিয়ামত দিবসের কথা হয় তবে এর অর্থ হবে, আমাদের কিছুদিনের জন্য ফের দুনিয়ায় পাঠিয়ে দিন আমরা ওয়াদা করছি আপনার অনুগত হয়ে চলব, যেমন সূরা সাজদায় আছে, ‘তুমি যদি দেখতে, যখন অপরাধীরা তাদের প্রতিপালকের সামনে অধোবদন হয়ে বলবে, হে আমাদের প্রতিপালক! আমরা দেখলাম ও শুনলাম। এখন তুমি আমাদের ফের পাঠাও আমরা সৎকাজ করব।’ (সূরা সাজদা ৩২ : ১২) -অনুবাদক