وَجَآءَہٗ قَوۡمُہٗ یُہۡرَعُوۡنَ اِلَیۡہِ ؕ وَمِنۡ قَبۡلُ کَانُوۡا یَعۡمَلُوۡنَ السَّیِّاٰتِ ؕ قَالَ یٰقَوۡمِ ہٰۤؤُلَآءِ بَنَاتِیۡ ہُنَّ اَطۡہَرُ لَکُمۡ فَاتَّقُوا اللّٰہَ وَلَا تُخۡزُوۡنِ فِیۡ ضَیۡفِیۡ ؕ اَلَـیۡسَ مِنۡکُمۡ رَجُلٌ رَّشِیۡدٌ
তাফসীরে মুফতি তাকি উসমানী
৫৩. প্রত্যেক উম্মতের নারীগণ তাদের নবীর রূহানী কন্যা হয়ে থাকে। ‘আমার কন্যাগণ’ বলে হযরত লুত আলাইহিস সালাম সে কথাই বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি দুর্বৃত্তদেরকে নম্রতার সাথে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে, তোমাদের স্ত্রীরা, যারা আমার রূহানী কন্যাও বটে, তোমাদের ঘরেই রয়েছে। তোমরা তাদের দ্বারা নিজেদের যৌন চাহিদা মেটাতে পার আর সেটাই স্বভাবসম্মত পবিত্র পন্থা। (اطهر অর্থ বেশি পবিত্র, অর্থাৎ অন্যের তুলনায় বেশি, কিন্তু এ স্থলে তুলনা বোঝানো উদ্দেশ্য নয়, কেননা সমকামের মধ্যে কোন পবিত্রতা নেই যে, তা অপেক্ষা বিবাহ বেশি পবিত্র হবে; বরং এর দ্বারা পবিত্রতার দৃঢ়তা ও পূর্ণতা বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ বিবাহের মাধ্যমে কামেচ্ছা পূরণ সর্বোতভাবে পবিত্র, তাতে অপবিত্রতার লেশমাত্র নেই। -অনুবাদক)