আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৭৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

বাজারে আমার মুদী ও কাপড়ের ব্যবসা আছে। আমার এক আত্মীয় গত এক মাস আগে বিদেশ যাওয়ার সময় আমাকে দুই লাখ টাকা দেয়- আমার ব্যবসাতে লাভ-লস সমান অংশীদারীর ভিত্তিতে খাটানোর জন্য।

কিন্তু আমার উক্ত ব্যবসাদুটির বর্তমান অবস্থার ভিত্তিতে আরো পুঁজি বিনিয়োগ করা উচিত হবে বলে মনে হয় না। তাই আমি চাচ্ছিলাম আমার ঐ আত্মীয়কে না জানিয়ে তার টাকা দিয়ে জমি ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করার জন্য। অতপর ফসল মাড়াই করে বিক্রি করে লাভ-লস বণ্টন করার জন্য। আর সে তো লাভের জন্যই দিয়েছে।

জানতে চাচ্ছি, এভাবে টাকা খাটানোতে কোনো সমস্যা আছে কি?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১০৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

পূর্বকথা : মাসআলাটি জানা আমাদের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে। আমর চাচা ও আমরা কয়েক বন্ধু হালাল হারাম বিবেচনা না করে সংস্থাটির সাথে জড়িয়ে পড়ি এবং আমাদের কারণে আরো কয়েকজন বিষয়টির সাথে যুক্ত হয়। তাই মাসআলাটি যত দ্রুত সম্ভব জানা জরুরি।

আমি যে কোম্পানির কথা বলছি তার নাম তিয়ানশি। কোম্পানিটি চায়নার। তারা দুটি বিষয় নিয়ে কাজ করে :

১. সেবা

২. ব্যবসা

১. সেবা : মানুষকে সুস্থ রাখার জন্য কোম্পানিটির রয়েছে কয়েক শত পণ্য। যা বাস্তবিক পক্ষেই মানুষের জন্য উপকারী এবং কার্যকরী। এসব পণ্য দিয়েই এর ব্যবসা সঞ্চালিত হয়।

২. ব্যবসা : তিয়ানশির ব্যবসা হচ্ছে নেটওয়ারর্কিং সিস্টেমে। অর্থাৎ আমি সুস্থ থাকার জন্য সর্বপ্রথম ৩০০ ডলারের (২৪০০০ টাকা) পণ্য ক্রয় করে ৩* (three stars) অর্জন করব। তারপর আমি কোম্পানির যেসব পণ্য ক্রয় করব তা থেকে ঐ পণ্যের মূল্যের ২০% হারে ছাড় পাব। নিয়মটা ঠিক এরকম, আমি নির্দিষ্ট দামেই পণ্য কিনব। তবে পরবর্তীতে তা থেকে মূল্যের ২০% আমার ব্যাংক একাউন্টে চলে আসবে। আমার মাধ্যমে অন্য কেউ ক্রয় করলেও ঠিক এ রকম। এরপর আমি ৪ জনকে ৩* বানাব। আর তাদের থেকে নির্দিষ্ট পয়েন্ট পেয়ে আমি হয়ে যাব ৪* (four stars) এতে আমি সরাসরি যা কিনব তা থেকে পাব ২৪%। আর আমি যাদেরকে নিয়োগ দিয়েছি তাদের ক্রয়কৃত পণ্যের মূল্য থেকে পাব ৪%। এভাবে আমার ঐ ৪ জন ৪* হয়ে গেলে আমি হব ৫*। পণ্যের মূল্যের ২৪% লাভ পাব। আর আমার নিচের লোকদের থেকে পাব ৪% ক্রমান্বয়ে বাড়তে বাড়তে এক সময় তা ৪০% পর্যন্ত যায়। আর আমি কাজ করি না করি, জানি বা না জানি আমার নিচে যত শত শত হাজার হাজার লোক থাকবে তাদের কাছ থেকে ৪% মূল্যের দাম থেকে ওদের ভাষ্যমতে একজন ব্যক্তি ২০% থেকে ৪০% পর্যন্ত যে লাভটা পাবে সেটা হচ্ছে অন্যান্য কোম্পানি মধ্যস্তা অথবা শোরুম, টিভিতে এ্যাড, এজেন্ট, সাব এজেন্টের মত ৬/৭ টি হাত বদল হতে হতে পণ্যের দাম দ্বীগুণ অথবা তিনগুণ বেড়ে যায়। ওদের এসব মধ্যস্থতা নেই, যার ফলে ঐ বেঁচে যাওয়া টাকা থেকে তারা কোম্পানির সদস্যদের দেয়। এখন আমার প্রশ্ন হল :

১. এই সিস্টেম/পদ্ধতিতে ব্যবসা কি জায়েজ। যদি জায়েজ না হয় তবে তা কেন? (দলিলসহ)

২. যদি জায়েয না-ই বা হয় তবে আমরা যে এতদিন এর থেকে লভ্যাংশ পেয়ে এসেছি তার জন্য বর্তমানে কী করা?

৩. যদি আমরা ব্যবসা না করে ওদের কাছ থেকে পণ্য কিনি তাহলে এর বিধান কি?

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৮২৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার বাবা মৃত্যুর পূর্বে তিন মাস ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন। সে সময় তার ব্যবহারের মোটরসাইকেলটি তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী আযাদ আংকেলের জন্য অসিয়ত করেন। ইতিমধ্যে আযাদ আংকেল হঠাৎ সড়ক দুর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন। এর কিছুদিন পর আমার বাবাও ইন্তেকাল করেছেন। এখন আযাদ আংকেলের ছেলেরা সেই মোটরসাইকেলটি দাবি করছে। কিন্তু আমার বড় ভাই বলছেন, বাবা তো মোটরসাইকেলটি আযাদ আংকেলের জন্য অসিয়ত করেছিলেন, তার ছেলেদের জন্য নয়। আর আযাদ আংকেল তো বাবার আগেই ইন্তেকাল করেছেন। তাই তার ছেলেদের এটা পাওয়ার কথা না। জানতে চাচ্ছি, এখন এটি কাদের প্রাপ্য? দয়া করে জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০