আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১০২১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনাব, নি¤œলিখিত মাসআলার শরয়ী ফায়সালা দানকরে বাধিত করিবেন।

ক. আমার ব্যবসা থেকে খরচাদি বাদে উদ্বৃত্ত টাকা জমা করা হয় পরবর্তীতে বড় কোন একটি বিনিয়োগের জন্য। অর্থাৎ ব্যবসায়িক কাজে অথবা কোনো বাড়ি করার জন্য। বিনিয়োগের সুযোগ আসার আগ পর্যন্ত উক্ত টাকা আমি আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে এফডিআর করে রাখি। যা ২/১ বছর পর ভাঙ্গিয়ে মূল টাকা বিনিয়োগ করি এবং ব্যাংক কর্তৃক প্রদেয় মুনাফার টাকা আলাদা একটি একাউন্টে রেখে দেই, যা গরীবদের মধ্যে প্রয়োজনমত বিতরণ করা হয়। এবং অতীতে এ ধরনের টাকা দিয়ে জনকল্যাণার্থে রাস্তা তৈরিতে এবং পাবলিক টয়লেট তৈরিতে খরচ করা হয়েছে।

খ. এ ছাড়া সরকারী আধা-সরকারী সংস্থার  সাথে ব্যবসা করতে হলে এবং কোনো লাইসেন্স নিতে হলে সেখানেও কিছু টাকা জামানত অত্যাবশ্যক হয়। উক্ত জামানতের নগদ অর্থ না দিয়ে এফডিআর আকারে জমা করা হয় এবং মেয়াদান্তে তাতেও কিছু টাকা মুনাফা আসে যা (ক) এর পদ্ধতিতে খরচ করি।

আমার এই পদ্ধতি ঠিক আছে কি না? যদি সহীহ না হয় তাহলে অন্য কোনো সহীহ পথ আছে কি না?

উল্লেখ থাকে যে, উক্ত (ক) এবং (খ) -এ বর্ণিত এফ ডি আর ভাঙ্গানোর আগ পর্যন্ত উক্ত টাকার নিয়মিত যাকাত দিয়ে থাকি।

প্রকাশ থাকে যে, আমি নিজে ব্যবসায়িক অথবা কোন বিনিয়োগের কাজে ব্যাংক থেকে কোনো ঋণ গ্রহণ করি না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৯৭৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার উপর বেশ কিছু টাকা যাকাত এসেছে। কয়েকজন মাদরাসার ছাত্র ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় আছে। কথা প্রসঙ্গে তাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম, বর্তমানে মাদরাসার পাঠ্যপুস্তকগুলোর দাম অনেক বেশি। বিশেষত এ কিতাবগুলোর যে সকল ব্যাখ্যাগ্রন্থ বৈরুত, মিশর, পাকিস্তান, হিন্দুস্তান ইত্যাদি রাষ্ট্র থেকে ছেপে আসে সেগুলো ক্রয় করে উপকৃত হওয়া অর্থের অভাবে অনেক মেধাবী ছাত্রের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তাই আমি চাচ্ছি আমার উক্ত যাকাতের টাকা দিয়ে এ ধরনের প্রয়োজনীয় কিছু কিতাব কিনে গরীব মেধাবী ছাত্রদের দিব। জানতে চাচ্ছি, এভাবে কিতাব কিনে দেওয়ার দ্বারা আমার যাকাত আদায় হবে কী?

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৯২৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি গত বছরের শেষদিকে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছি। সিকিউরিটি এ্যাডভান্স

হিসেবে দশ লক্ষ টাকা দিতে হয়েছে। এ দশ লক্ষ টাকা থেকে প্রতি মাসে নির্ধারিত হারে কিছু কিছু করে ভাড়া হিসেবে কাটা হবে। আমি প্রতি বছর আমার যাকাতযোগ্য সকল সম্পদ হিসেব করে তা থেকে দেনা মাইনাস করে বাকি সম্পদের ২.৫% যাকাত দিয়ে থাকি।

এখন আমি জানতে চাচ্ছি, সিকিউরিটি এ্যাডভান্স হিসেবে যে দশ লক্ষ টাকা আমি দিয়েছি, তার যাকাত আমাকে দিতে হবে কি না? যতি দিতে হয় তাহলে তার হিসাব কীভাবে হবে? এ টাকা থেকে তো প্রতিমাসে একটা অংশ ভাড়া হিসেবে কেটে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানানোর বিনীত অনুরোধ রইল।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৮৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত রমযানে আমি আমার বাবার বাড়ীর এলাকায় এক দরিদ্র মহিলাকে যাকাতের কাপড় দেই। তার স্বামী পক্ষাঘাতগ্রস্ত ও শয্যাশায়ী। খুবই অভাব অনটনে তাদের সংসার চলে। কিন্তু পরে তার সাথে কথা প্রসঙ্গে জানতে পারি, কিছুদিন আগে তার স্বামী পঞ্চাশ হাজার টাকার সরকারী অনুদান পেয়েছে, যার পুরোটাই সে সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য ব্যাংকে জমা রেখেছে।

আমার প্রশ্ন, এ অবস্থায় কি আমার যাকাত আদায় হয়েছে? না হয়ে থাকলে এখন আমার কী করণীয়? উল্লেখ্য, তার স্বামীর আর্থিক অনুদান প্রাপ্তির বিষয়টি যাকাত প্রদানের সময় আমার জানা ছিল না।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৮৭২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

১. আমি একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের একাউন্ট বিভাগে কর্মরত। এ বছর ব্যাংকের কিছু জটিলতার কারণে সকল কর্মকর্তার জুন মাসের সেলারি রমযানের পূর্বেই (মে মাসের শেষে)  একসাথে ব্যাংক থেকে উঠিয়ে আমার কাছে রাখা হয়। এর মধ্যে আমার সেলারিও ছিল। এমডি স্যারের নির্দেশ ছিল, নির্ধারিত সময়ে (জুনের ২০ তারিখে) সকল কর্মকর্তার সেলারি পরিশোধ করা হবে। এর পূর্বে কারো সেলারি দেওয়া যাবে না। সে হিসেবে ২০ তারিখেই সকলের সেলারি দেয়া হয়। আমার সেলারিও ২০ তারিখেই নিয়েছি। এর পূর্বে প্রায় একমাস টাকাটা আমার কাছেই ছিল। তবে এমডি স্যারের নির্দেশ অনুযায়ী আমি তা ২০ তারিখের পূর্বে ব্যবহার করিনি।

আমি যাকাতের হিসাব করি রমযানের ১ তারিখে। রমযানের ১ তারিখে (২৮শে মে) জুন মাসের সেলারি আমার কাছেই ছিল। তবে ২০শে জুনের পূর্বে তা ব্যবহারের অনুমতি ছিল না।

এখন আমার প্রশ্ন হল, গত বছরের যাকাতের হিসাবে জুন মাসের সেলারি হিসাব হবে কি না?

২. কয়েকজনর কাছে আমার বেশকিছু টাকা পাওনা আছে। এর মধ্যে কিছু টাকা ফেরৎ পাওয়া নিশ্চিত। আর কিছু টাকা ফেরৎ পাওয়া না পাওয়া উভয় সম্ভবনা আছে। কিছু টাকা ফেরৎ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

যাকাতের হিসাব করার সময় পাওনা টাকাগুলোর হিসাব করতে হবে কি না? যে টাকাগুলো ফেরত না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি সেগুলোরও কি হিসাব করতে হবে? বিস্তারিত জানানোর সবিনয় অনুরোধ করছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৮০০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার মরহুম পিতার ক্রয়কৃত কিছু শেয়ার আমার তত্ত্বাবধানে আছে। আমি যাকাত হিসাব করার সময় ঐ শেয়ারগুলোর তাৎক্ষণিক বাজারমূল্য ধরে যাকাত দেই। বর্ণিত পদ্ধতিতে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে কি না?  উল্লেখ্য, শেয়ারগুলো ক্রয়-বিক্রয় করা হয় না ; বরং কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত বাৎসরিক ডিভিডেন্ড গ্রহণ করা হয়। বর্তমানে বর্ণিত শেয়ারগুলো এজমালী অবস্থায় আছে। এজমালী অবস্থায় শেয়ারগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ২,৯০,৬৮০ টাকা। কিন্তু প্রত্যেক অংশীদারকে যদি অংশ দেওয়া হয় তাহলে-

প্রত্যেক ভাই পাবে- ৫০৮৬৯.০০

প্রত্যেক বোন পাবে- ২৫৪৩৪.৫০

মাতা পাবে- ৩৬৩৩৫.০০

উল্লেখ্য, আমরা ৪ ভাই, ২ বোন এবং মাতা জীবিত আছেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০