আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৮৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম, আমাদের মসজিদের সিঁড়ির নিচের জায়গা বেশ বড়। মসজিদ কমিটির এক প্রাক্তন সদস্য উক্ত স্থানটি ভাড়া নিয়ে আতর-টুপির দোকান বানাতে চাচ্ছেন। যেহেতু তিনি অনেকদিন পর্যন্ত মসজিদ কমিটির সদস্য ছিলেন, তাই বর্তমান কমিটির অনেকেই তার এই প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, মসজিদের উক্ত অংশে কি দোকান বানানো বৈধ হবে?

উল্লেখ্য, মসজিদের সিঁড়িটি মসজিদের বারান্দা হয়ে উপরে উঠেছে। সিঁড়ির নিচে দোকান বানানো হলে বারান্দাটি ব্যবহার হবে। কারণ ক্রেতারা সেখানে দাঁড়ানো ছাড়া কিছু কিনতে পারবে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
২০ বার পড়া হয়েছে
২৮৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আজ থেকে ১৫ বছর আগে আমরা আমাদের এলাকার অভ্যন্তরীণ সাধারণ সড়কের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করি। মসজিদটি নির্মাণকালে আশেপাশে বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট কম থাকায় রাস্তা প্রশস্ত ছিল। তাই আমরা রাস্তার জন্য দেড় ফিট জায়গা- যা সরকারী আইন অনুযায়ী খালি রাখার দরকার ছিল- তা খালি না রেখেই নিজেদের পূর্ণ জায়গার উপর মসজিদটি নির্মাণ করি। পরবর্তীতে যারা রাস্তার পাশে বাড়ি-ঘর, দোকান-পাট বানিয়েছে, তারাও রাস্তার জন্য দেড় ফিট জায়গা না ছেড়ে ওগুলো বানিয়েছে। ফলে চলাচলের পথ সংকীর্ণ হয়ে মানুষের যাতায়াতে কষ্ট হচ্ছে। বর্তমানে পৌরসভার পক্ষ থেকে সবার কাছে রাস্তার জন্য জায়গা ছাড়ার নোটিশ এসেছে। মুহতারামের নিকট জিজ্ঞাসা হল, এই অবস্থায় কি মসজিদের সেই অংশ থেকে রাস্তার জন্য  দেড় ফিট জায়গা বের করার অবকাশ আছে, যে অংশটুকু সরকারি আইন অনুযায়ী খালি রাখার দরকার ছিল?

উল্লেখ্য, উক্ত অংশ ভাঙ্গা পড়লে মসজিদের তেমন কোনো সমস্যা হবে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৪ বার পড়া হয়েছে
৫৭৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি ঢাকা শহরে থাকি। গ্রামে আমার কিছু জমি রয়েছে। কিছুদিন আগে আমাদের এলাকার এক লোককে (সে জমির দালালির সাথে জড়িত) জমিটি কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে দেওয়ার কথা বলি। এক্ষেত্রে তাকে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক দেব বলেও জানাই। সে অনেক গড়িমসি করে ছয়মাস পর অন্য এলাকার এক ব্যক্তির কাছে জমিটি বিক্রি করে দেয়। আমাকে কাঠা প্রতি ত্রিশ হাজার টাকা দামে ১০ কাঠায় ৩ লক্ষ টাকা দেয়। কিছুদিন পর অন্য মাধ্যমে আমি জানতে পারি যে, জমিটি সে কাঠা প্রতি ৩৭ হাজার টাকা দামে বিক্রি করেছে। বিষয়টি আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে বলে, আপনি যা চেয়েছেন তা তো পেয়েছেন, তাহলে আমি বেশি দামে বিক্রি করলে আপনার সমস্যা কী? জানার বিষয় হল, এভাবে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা জায়েয হয়েছে কি না? এখন এ টাকার হকদার কে, সে না আমি?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪ বার পড়া হয়েছে
৮৩৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

নানা মারা যাওয়ার পর আমার দুই মামা অনেক সম্পদ পেয়েছেন। এখনো তা অবণ্টিত। বড় মামা ঢাকায় থাকার কারণে গ্রামের জায়গা জমি দেখাশুনা করতে পারেন না। এদিকে ছোট মামা সব জমিতে চাষ করে নিজে একাই ভোগ করেন। গাছের ফল-ফলাদি সে একাই নেয়। এতদিন বড় মামা কিছু বলেননি। একদিন  দু’জনের কথা কাটাকাটিতে বড় মামা বললেন, আমার দু’বছরের ৯০ আড়ি ধান, আর গাছের ফল-ফলাদির ৪০ হাজার টাকা দিয়ে দিতে হবে। ছোট মামা বলে, সবগুলো আমি দেখাশুনা করেছি। আপনি কিছু পাবেন না। পরবর্তীতে তারা দু’জনই অনুতপ্ত হয়। এখন উভয়ে উভয়ের করণীয় সম্পর্কে জানতে চাচ্ছে।

১. সব জমিতে ছোট মামার চাষ করাটা অন্যায় হলে এখন তার কী করতে হবে?

২. চাষের এক অংশ বড় মামাকে দিতে হবে কি না?

৩. ছোট মামা ফল-ফলাদি কিছু খেয়েছেন কিছু বিক্রি করেছেন। এ বিষয়ে কী করতে হবে? দয়া করে সব বিষয় জানাবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১০ বার পড়া হয়েছে
১৮৩১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মান্যবর মুফতী সাহেব, আমার একটি পাঞ্জাবী টেইলার্সের দোকান আছে। লোকেরা কাপড় ও মাপ দিয়ে যায়। বানানো হলে মজুরী দিয়ে পোশাক নিয়ে যায়। জানার বিষয় হল, অনেকে অর্ডার দিয়ে পরে আর পোশাক নিতে আসে না। কেউ কেউ এক বছর পরে নিতে এসেছে- এমনও হয়েছে। এভাবে আমার টেইলার্সে কিছু জামা প্রস্তুত হয়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে অর্ডার রসিদে স্পষ্ট লেখা আছে ‘ডেলিভারির তারিখের দুইমাস বা ষাট দিনের মধ্যে জামা না নিলে পরে যদি তা হারিয়ে যায় বা নষ্ট হয়ে যায় তবে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না।’

যেহেতু প্রত্যেকটি প্রস্তুতকৃত জামার মজুরী কারিগরকে পরিশোধ করা দায়িত্ব তাই এসকল কাপড় বিক্রি করে আমার জন্য মজুরী আদায় করার কোনো সুযোগ আছে কি না? পরে অর্ডারকারী আসলে আমার কী করণীয়? আমার অবস্থা বিবেচনা পূর্বক করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত পরামর্শ চাই।

 


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৭ বার পড়া হয়েছে
২৯১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম, আমি মান্নত করেছিলাম, এ বছর আমার ফসল ভালো হলে শ্বশুর বাড়ির মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে এক মন ধান দান করব। আল্লাহর রহমতে এ বছর আমার ফসল ভালো হয়েছে। কিন্তু বিশেষ কারণে অল্প কিছু ধান ছাড়া সবই বিক্রি করার প্রয়োজন হয়েছে। মুহতারামের নিকট আমার জিজ্ঞাসা হল, আমি কি এক মন ধানের সমমূল্য পরিমাণ টাকা সদকা করতে পারব? অনুরূপভাবে যে মাদরাসায় সদকা করার মান্নত করেছিলাম সেটা ছাড়া অন্য এক মাদরাসা, যা কিছুদিন আগে আমাদের বাড়ির পাশে হয়েছে, সেই মাদরাসার গোরাবা ফান্ডে (উক্ত টাকা) দান করতে পারব?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৯ বার পড়া হয়েছে
২৩৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকার এক ব্যক্তি তার কিছু জমি মসজিদ ও মাদরাসার উন্নয়নের জন্য মৌখিকভাবে ওয়াকফ করেছিলেন। এবং জমিগুলো মসজিদ-মাদরাসার কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করেছিলেন। তখন থেকে কর্তৃপক্ষ ওয়াকফের স্বার্থে জমিগুলো ভাড়া দিয়ে আসছেন। কিন্তু চেষ্টা সত্ত্বেও দলিল করে নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিন-চার বছর পর ওয়াকফকারীর আর্থিক অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। তখন তিনি নিজের বাড়ি এবং তার ওয়াকফকৃত উক্ত জমিগুলোও বিক্রি করে দেন। তবে ক্রেতাকে এখনো দলিল করে দেননি। প্রশ্ন হল, এ পরিস্থিতিতে তার জন্য ওয়াকফকৃত জমিগুলো বিক্রি করা কি বৈধ হয়েছে? আমাদের দাবি হল, সেই জমি যেন আবার ফিরিয়ে দেয়। দ্রুত উত্তর জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
১৯ বার পড়া হয়েছে