আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৬৫২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনৈক ব্যক্তির দুটি গাভী ছিল, যেগুলোর দুধ বিক্রি করে তার সংসার চলত। ঘটনাক্রমে একবার তার দুটো গাভীই রোগাক্রান্ত হয়ে পড়ে। একসময় সে বলে, গাভীগুলো সুস্থ হলে সামনের কুরবানী ঈদে এই কালো গাভীটা আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য কুরবানী করব। পরবর্তীতে গাভীদুটো সুস্থ হয়। কিন্তু কোনো কারণে সে ঐ বছর কালো গাভীটি কুরবানী করেনি। এদিকে পরের বছর ঐ গাভীটি একটি বাচ্চা প্রসব করে এবং তা বড়ও হয়ে যায়।

এখন ঐ ব্যক্তি গাভীটি কুরবানী না করার কারণে অনুতপ্ত। সেইসাথে সে জানতে চাচ্ছে, এ অবস্থায় এখন তার করণীয় কী?

উল্লেখ্য, সে একজন খেটে খাওয়া গরীব মানুষ। তার উপর কুরবানী ওয়াজিব নয় এবং সাধারণত সে কুরবানী করে না।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৯৩৪
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা সহোদর তিনভাই মিলে প্রতি বছর একটি গরু কুরবানী করি। বড় ভাই এক ভাগ আর আমরা দুই ভাই তিন অংশ করে মোট ছয় ভাগ নিয়েছি। আমরা দুই ভাই সমান সমান টাকা দিয়ে অংশগ্রহণ করি। কিন্তু বড়ভাই আমাদের মধ্যে তুলনামূলক অসচ্ছল হওয়ায় তিনি তার অংশের পুরো টাকা দেন না। আমরা দুই ভাই বলেছি, আপনি যা পারেন দেন, বাকিটা আমরা দুজনে দিয়ে দিব। অবশ্য গোশত সকলের অংশ হারেই বণ্টন করা হয়। টাকা কম-বেশির কারণে তাতে ব্যবধান করা হয় না; বরং ধরে নেওয়া হয় যে, আমরা ছোট দুই ভাই বড় ভাইয়ের টাকার আংশিক আদায় করে দিই।

জানতে চাই, উল্লেখিত পদ্ধতিতে আমাদের কুরবানী কি সহীহ হচ্ছে? 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৯৩২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

খালিদ ৭ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করে, যার দ্বারা মোটামুটিভাবে তার সংসার চলে। গত কয়েকদিন পূর্বে তার আম্মা ইন্তেকাল করেন। পিতা আগেই মারা গেছেন। মায়ের মৃত্যুর পর তার মামারা তার আম্মার পৈত্রিক সম্পত্তি (৬ শতাংশ জমি, যার প্রতি শতাংশের মূল্য প্রায় এক লক্ষ টাকা) তার ও তার তিন বোনের নামে ১.৫ শতাংশ করে সমানভাবে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছে। এছাড়া খালিদের উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদ নেই। তবে বর্তমানে তার কাছে নগদ ৫০ হাজার টাকা আছে। জানার বিষয় হল, প্রশ্নোক্ত অবস্থায় খালিদের উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৯০১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

জনাব, আমরা জানি জবাইকারী কসাই বা কাজে সহযোগিতাকারীকে চামড়া, গোশত বা কুরবানীর পশুর কোনো কিছু পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া জায়েয নয়। কিন্তু জনৈক ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাইয়ের বিনিময়ে গোশত নেন।

এখন আমাদের প্রশ্ন হল,

১. কুরআন ও সহীহ হাদীসের দৃষ্টিতে কুরবানীর পশু জবাইয়ের পারিশ্রমিক হিসেবে গোশত নেওয়ার বিধান কী?

২. যদি কোনো ব্যক্তি কুরবানীর পশু জবাই করে গোশত নেয় তাহলে উক্ত জবাইকৃত পশুর কুরবানী কি সহীহ হবে? এর বিধান সবিস্তারে জানতে চাই।

৩. জবাইকারীকে পশু জবাইয়ের বিনিময়ে পারিশ্রমিক হিসেবে টাকা দেওয়ার পর স্বেচ্ছায় গোশত দেওয়া যাবে কি?

কুরআন-হাদীসের আলোকে উক্ত মাসআলাগুলো জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০