আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

১৬৯
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি বালেগ হওয়ার পর ৭টি রমযান অতিবাহিত হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে শেষ ৩ রমযান আমি ঠিকমত রোযা রেখেছি। কোনো রোযা ছাড়িনি। বাকি ৪ রমযানে নিয়মিত রোযা রাখিনি। কোনো দিন রোযা রেখে বিনা ওজরে ভেঙে ফেলেছি। কখনো মায়ের চাপাচাপিতে ভেঙেছি। আবার কোনো দিন একেবারেই রাখিনি। তবে মনে হয়, রেখে ভেঙে ফেলার সংখ্যাই বেশি। এভাবে কত রোযা গেছে তার সঠিক হিসাব আমি বলতে পারছি না।

আমার জানা মতে, বিনা ওজরে রোযা ভাঙলে কাফফারা আদায় করতে হয়। তাই একবার লাগাতার ৬০টি রোযা রেখেছি। এ অবস্থায় আমার ঐ রোযাগুলোর কাযা কাফফারা আদায়ের ব্যাপারে শরীয়তের মাসআলা জানতে চাই।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০
৪০৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার মামা আমেরিকা প্রবাসী। তার দুটো কিডনী প্রায় অচল। তাকে এক দিন পরপর ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডাক্তারের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি কেবল নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট খাবার গ্রহণ করতে পারেন। তার হাই প্রেসারও আছে। তাকে প্রতিদিন কিডনীর জন্য এবং হাই প্রেসারের জন্য বেশ কিছু ওষুধ খেতে হয়। গত রমযান মাসে সবাই নিষেধ করা সত্ত্বেও তিনি প্রথম রোযা রাখেন। সারাদিন রোযা রাখায় তিনি বেশ দুর্বল হয়ে পড়েন। বেশি সমস্যা হয়- নিয়ম মাফিক ওষুধ না খাওয়ার কারণে। এতে তার প্রেসার হাই হয়ে যায়। আর রমযান মাসে আমেরিকায় দিন দীর্ঘ (প্রায় ১৬/১৭ ঘণ্টা) হওয়ার কারণে কেবল রাতে ওষুধ খেলে হয় না। তাই বেশিরভাগ দিনই তার আগ্রহ থাকা সত্ত্বেও তিনি রোযা রাখতে পারেননি। মাঝে খুব কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও ১/২টি রোযা তিনি রেখেছেন।

আমার জানার বিষয় হল, তিনি কি তার রোযার পরিবর্তে ফিদয়া দিতে পারবেন? আর ফিদয়া দিলে কীভাবে আদায় করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৯ অক্টোবর, ২০২০