আপনার জিজ্ঞাসা/মাসায়েল

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৮৫৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, প্রশ্ন : আমরা জানি জামাত সহিহ হওয়ার জন্য ইমাম এবং মুক্তাদীর জায়গা এক হওয়া শর্ত । এবং এটাও জানি যে,যদি মূল কাতার আর ঐ ব্যক্তির মাঝে দুই কাতার পরিমাণ বা তার চেয়ে বেশি ফাঁকা থাকে তাহলেও জামাত সহিহ হয় না।
এখন প্রশ্ন হলো এই মূলনীতিটা কি মসজিদের ভিতর এবং বাহির উভয় ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ? নাকি মসজিদের বাহিরের জন্য প্রযোজ্য ? কোনো ব্যক্তি যদি বড় কোনো মসজিদের এমন কোনো জায়গায় দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ে যেখান থেকে মূল জামাতের কাতারের দূরত্ব তার থেকে দুই কাতার বা তার চেয়ে বেশি ।

তাহলে কি নামাজ হবে ? নাকি হবেনা ? অনেকে তো প্রশ্ন করে যে কাবা শরীফে অনেক দূরে দূরে দাঁড়িয়ে মানুষ ইমামের সাথে ইকতিদা করে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করে থাকে। তাহলে কি তাঁদের নামায হবে না? দলিলসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মুফতী মোহাম্মদ আমীর হোসাইন, মুফতি ও মুহাদ্দীস,
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
VM৩H+CQX
২৯১০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমরা লক্ষ্য করে আসছি যে, শহরের বিভিন্ন এলাকায় এবং পল্লবী এলাকার প্রায় শরয়ী মসজিদে মকতবের রেকর্ড করা হচ্ছে। লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, শিক্ষকগণ বিনিময় নিয়েই ছেলে-মেয়েদেরকে মসজিদে বসে ধর্মীয় শিক্ষা দিচ্ছেন। ছাত্র-ছাত্রীরা সবকের সময়ের ভিতর মসজিদের পাখা, বাতি ইত্যাদি জিনিসপত্রও ব্যবহার করছে। শোরগোল তো আছেই। এভাবে দীর্ঘকাল ধরে মকতব চললেও স্বতন্ত্রভাবে মকতবের জন্য কোনো ঘর তৈরির ভাবনা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের মধ্যে নেই বললেই চলে। বলতে গেলে এভাবে মসজিদগুলো সাময়িকভাবে নয়; বরং এক একটা অনুমোদিত স্থায়ী মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। অবশ্য মুসলমানদের ছেলেমেয়েকে ধর্মীয় শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাবোধ প্রত্যেকের ভিতর থাকা উচিত। সেটা কীভাবে কোথায় হবে সেটাও নিরুপণ করে নেওয়া উচিত। বর্ণিত বিষয় আমাদের জিজ্ঞাস্য, এভাবে বিনিময় নিয়ে মসজিদের ভিতর কিংবা বারান্দায় বসে ছেলেমেয়েদের পড়ানো বৈধ কি না? যদি বৈধ না হয় তবে বৈধতার কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১