উত্তম ঋণ পরিশোধকারী
প্রশ্নঃ ১৫১৪১৮. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, আমার বাবা আমার জেঠাকে ৪ লক্ষ টাকা ধার দিলেন । এখন এর পরিপেক্ষিতে উনি আমাদের কিছু টাকা দেন আমরা মানা করা সত্বেও। এখন এইটা কি সুদের আওতায় পড়বে?
৪ মে, ২০২৬
ঢাকা ১২১২
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
সম্মানিত প্রশ্নকারী!
ধার নেওয়ার পর যদি পরিশোধের সময় কেউ শর্ত বা প্রচলন ছাড়া কেবলই খুশি হয়ে কোনো টাকা অতিরিক্ত দেয় তাহলে তা গ্রহন করা জায়েঝ আছে। কেননা হাদীস শরীফে এসেছে,
عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَانَ لِي عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم دَيْنٌ فَقَضَانِي وَزَادَنِي .
জাবির ইবনে আব্দিল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ)-এর নিকট আমার কিছু পাওনা ছিল। তিনি তা আদায়ের সময় আমাকে কিছু অধিক প্রদান করেন। সহীহ বুখারী, হাদীস নংঃ ৪৩০; সুনানে আবি দাউদ, হাদীস নং: হাদীস নং: ৩৩১৪
ব্যাখ্যা: ঋণ পরিশোধের সময় ঋণ দাতাকে নিজের পক্ষ হতে একটু বেশী প্রদান করা বৈধ বরং মুস্তাহাব ও সুন্নাত। যেহেতু এটা কোন চুক্তি ও শর্তের ভিত্তিতে নয় এজন্য ইহা সুদ নয় বরং ইহা সৌজন্য ও ইহসান। ইহা ঐ সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত যার প্রচলন করা প্রয়োজন।
মা'আরিফুল হাদীস, হাদীস নংঃ ১৭৬৯
সুতরাং প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে সেচ্ছায় আপনা চাচা আপনাদের যা অতিরিক্ত দিয়েছেন তা গ্রহন করা আপনাদের জন্য জায়েজ আছে। কিন্তু যদি এভাবে দেওয়ার শর্ত করা হয় কিংবা প্রচলন থাকে তাহলে এট সুদ হিসেবে গণ্য হবে।
শরঈ দলীল:
صحيح مسلم: (رقم الحدیث:1600، ط: دار إحياء التراث العربي)
عن أبي رافع إن رسول الله صلى الله عليه وسلم استسلف من رجل بكرا. فقدمت عليه إبل من إيل الصدقة. فأمر أبا رافع أن يقضي الرجل بكره. فرجع إليه أبو رافع فقال: لم أجد فيها إلا خيار ا رباعيا. فقال (أعطه إياه. إن خيار الناس أحسنهم قضاء).
سنن الترمذي: (رقم الحدیث: 1316، ط: دار الغرب الإسلامي بيروت)
عن أبي هريرة قال: «استقرض رسول الله صلى الله عليه وسلم سنا، فأعطاه سنا خيرا من سنه، وقال: خياركم أحاسنكم قضاء».
وفي الباب عن أبي رافع. حديث أبي هريرة حديث حسن صحيح.
الدر المختار: (840/3، ط: سعيد)
الديون تقضى بأمثالها.
و فيه ايضا: (165/5، ط: سعيد)
(وكان عليه مثل ما قبض) فإن قضاه أجود بلا شرط جاز.
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
সাইদুজ্জামান কাসেমি
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিয়া ইমাম বুখারী, উত্তরা, ঢাকা।
মুফতী ও মুহাদ্দিস, জামিয়া ইমাম বুখারী, উত্তরা, ঢাকা।
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন
এ সম্পর্কিত আরও জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর
মাসায়েল-এর বিষয়াদি
আল কুরআনুল কারীম
৪
হাদীস ও সুন্নাহ
৬
তাসাউফ-আত্মশুদ্ধি । ইসলাহী পরামর্শ
৩
শরীআত সম্পর্কিত
১৫
ফিতনাসমুহ; বিবরণ - করণীয়
২
আখিরাত - মৃত্যুর পরে
৩
ঈমান বিধ্বংসী কথা ও কাজ
৬
ফিরাকে বাতিলা - ভ্রান্ত দল ও মত
২
পবিত্রতা অর্জন
৮
নামাযের অধ্যায়
১৯
যাকাত - সদাকাহ
৫
রোযার অধ্যায়
৬
হজ্ব - ওমরাহ
২
কাফন দাফন - জানাযা
৫
কসম - মান্নত
১
কুরবানী - যবেহ - আকীকা
৪
বিবাহ শাদী
৮
মীরাছ-উত্তরাধিকার
২
লেনদেন - ব্যবসা - চাকুরী
৯
আধুনিক মাসায়েল
৬
দন্ড বিধি
২
দাওয়াত ও জিহাদ
৩
ইতিহাস ও ঐতিহ্য
৬
সীরাতুন নবী সাঃ । নবীজীর জীবনচরিত
৩
সাহাবা ও তাবেঈন
৩
ফাযায়েল ও মানাকেব
৩
কিতাব - পত্রিকা ও লেখক
৩
পরিবার - সামাজিকতা
৭
মহিলা অঙ্গন
২
আখলাক-চরিত্র
২
আদব- শিষ্টাচার
১২
রোগ-ব্যধি। চিকিৎসা
২
দোয়া - জিকির
২
নাম। শব্দ জ্ঞান
৩
নির্বাচিত
২
সাম্প্রতিক
১
বিবিধ মাসআলা
১