মহিলারা তারাবির জামাত!
প্রশ্নঃ ১৩৪৪৬০. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, মহিলারা তারাবীহ এর ইমামতি করতে পারবে ? ইমাম মুসল্লি সকলেই মহিলা,
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
তারাবিহ বা অন্য যেকোনো নামাযে শুধু মহিলাদের নিয়ে আলাদা জামাত করা ‘মাকরূহে তাহরীমী’। অতএব, মহিলাদের কেবল নিজেদের সমন্বয়ে আলাদাভাবে জামাতের সাথে তারাবিহ পড়াবে না।
পবিত্র কুরআন ইয়াদ রাখার একমাত্র মাধ্যম কেবল তারাবিতে এক মাস শোনানো নয়; বরং কুরআন মুখস্থ রাখার আরও অনেক পদ্ধতি হতে পারে। যেমন, দৈনন্দিন নফল ইত্যাদি নামাযে তা তিলাওয়াত করা, নামাযের বাইরে অন্যান্য মহিলা বা মাহরাম পুরুষদের শোনানো। এছাড়া নিজের তারাবিহ নামাযেও তা একাকী পড়তে থাকা, এটাই অধিক সমীচীন ও উত্তম।
المنتقى شرح الموطإ (ج:1، ص:210، ط:مطبعة السعادة - بجوار محافظة مصر):
’’(ص) : (مالك عن هشام بن عروة عن أبيه أن ذكوان أبا عمرو وكان عبدًا لعائشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم فأعتقته عن دبر منها كان يقوم يقرأ لها في رمضان) .
(ش) : قوله: كان يقوم يقرأ لها في رمضان، يقتضي أن قيام رمضان كان أمرا فاشيا عند الصحابة معمولا به حتى إن النساء كن يلتزمنه ويتخذن من يقوم بهن في بيوتهن وفي هذا إجازة إمامة العبد في أيام رمضان لأن حكم المدبر حكم العبد. وقد روى أشهب عن مالك أنه يقوم في أهله حسبما فعلته عائشة وأما في المساجد الجامعة فلا.‘‘
الدر المختار و حاشية ابن عابدين (رد المحتار) (ج:2، ص:43، ط: دار الفكر-بيروت):
’’(التراويح سنة) مؤكدة لمواظبة الخلفاء الراشدين (للرجال والنساء) إجماعا.
(قوله إجماعا) راجع إلى قول المتن سنة للرجال والنساء، وأشار إلى أنه لا اعتداد بقول الروافض إنها سنة الرجال فقط على ما في الدرر والكافي أو أنها ليست بسنة أصلا كما هو المشهور عنهم على ما في حاشية نوح، لأنهم أهل بدعة يتبعون أهواءهم لا يعولون على كتاب ولا سنة، وينكرون الأحاديث الصحيحة.‘‘
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
রেফারেন্স উত্তর :
প্রশ্নঃ ৫৭৮০৯. আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হযরত আমার জানার বিষয় হল মহিলাদের জামাতের সাথে তারাবির নামাজ আদায় করার হুকুম পুরুষের পিছনে
উত্তর
و علَيْــــــــــــــــــــكُم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
বাসা-বাড়িতে মহিলাদের জন্য অন্যান্য নামাযের ন্যায় তারাবীর নামাযও একাকী পড়াই উত্তম। তবে স্ত্রী-কন্যা, মা-বোন ও অন্যান্য মাহরাম মহিলাদের নিয়ে ঘরোয়াভাবে জামাতে তারাবীহর নামায পড়া যাবে। আর বাসার গায়রে মাহরাম মহিলারা জামাতে শরিক হতে চাইলে পর্দার আড়াল থেকে শরিক হতে পারবে। কিন্তু বাসার বাহির থেকে কোনো ভিন্ন মহিলাকে জামাতে অংশগ্রহণের জন্য আসতে দেয়া ঠিক হবে না।
আর বাসা-বাড়িতে বেগানা পুরুষ ইমামের পিছনে শুধুমাত্র বেগানা নারীদের জামাতে নামায আদায় করা মাকরূহ তাহরীমী। তাই এমনটি কখনোই করা উচিত হবে না। অবশ্য ইমামের সাথে যদি আরো কোনো পুরুষ লোক থাকে কিংবা নারী মুক্তাদীদের মাঝে ইমামের স্ত্রী বা কোনো মাহরাম আত্মীয়া থাকে তবে তা মাকরূহ তাহরীমী হবে না। -আদ্দুররুল মুখতার ১/৫৬৬-৫৬৭; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৮৯; আহসানুল ফাতাওয়া ৩/২৯৯; আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল ২/২২৭, রোজার আধুনিক মাসায়েল
والله اعلم بالصواب
উত্তর দাতা:
মুহাদ্দিস, জামিয়া বাবুস সালাম, বিমানবন্দর ঢাকা
মন্তব্য (0)
কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
মন্তব্য করতে লগইন করুন