আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৮৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম, আমি সৌদি আরবের পবিত্র মাদীনাতে থাকি। একটি দোকানে কাজ করতাম। গত কয়েক বছর আগে হজে¦র মৌসুমে একটি মানিব্যাগ কুড়িয়ে পাই। তাতে কিছু সৌদি রিয়াল ও বাংলাদেশী টাকা ছিল। অনেক দিন সেগুলো আমার কাছে অক্ষত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে আমার অত্যন্ত প্রয়োজনের কারণে সেগুলো খরচ করে ফেলি।

এখন আমি অপরের এই হক থেকে কীভাবে পুরোপুরি মুক্ত হতে পারি? আশা করছি সম্মানিত মুফতিয়ানে কেরাম সুচিন্তিত উত্তর প্রদান করে চিরকৃতজ্ঞ করবেন।

এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, উক্ত মানিব্যাগে তার মালিকের সাথে যোগাযোগ করার কোনো মাধ্যম (মোবাইল নম্বর, ইমেইল, ঠিকানা) পাওয়া যায়নি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৭৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আল্লাহ তাআলার রহমতে গত বছর হজ্বে গিয়েছিলাম। আগামীতেও যাওয়ার ইচ্ছা আছে। বাকি আল্লাহর ইচ্ছা।  তো হজ্বে গিয়ে দেখলাম, অনেক মানুষ তাওয়াফের সময় জোরে জোরে বিভিন্ন দুআ-দরূদ পড়ে। এতে অন্যের তাওয়াফে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়। একবার তো তাওয়াফের সংখ্যাই ভুলে গিয়েছিলাম। পাশে এক আলেমের কাছ থেকে মাসআলা জেনে নিয়ে আমল করেছি। এ সময় আরো কিছু লোককে দেখলাম সারি বেঁধে তাওয়াফ করছে। তাদের মধ্যে একজন ছোট মাইকে দুআ পড়ছে আর অন্যরা তার অনুসরণ করেছে।

এখন মুফতী সাহেবের কাছে আমার জানার বিষয় হল, তাওয়াফের সময় এভাবে উচ্চস্বরে দুআ-দরূদ পড়ার বিধান কী? দয়া করে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩২০
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার জিন্নাতের সমস্যা আছে। প্রতি রাতে আমি এদের আক্রমণের শিকার হই এবং দিনভর এর প্রভাব থাকে। আমাদের পরিচিত বহু হক্কানী আলেমের ইজাযতপ্রাপ্ত জনৈক আলেমের কাছে বিষয়টি আমি তুলে ধরলে তিনি আমাকে যয়তুন তেল দম করে তা প্রতিদিন পুরো শরীরে মালিশ করতে বলেন। আল্লাহর রহমতে আমি তা ব্যবহার করে এখন নিরাপদে আছি। তবে কোনো দিন যদি তেল মালিশ করতে ভুলে যাই তাহলে পূর্বের মন্দ অবস্থা প্রত্যক্ষ করি। ইতিমধ্যে আমি হজে¦ যাওয়ার যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি। মুহতারামের নিকট আমার জানার বিষয় হল, ইহরাম অবস্থায় আমি কি এই তেল ব্যবহার করতে পারব? যদি করি তাহলে কি কোনো কিছু আবশ্যক হবে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি গত বছর স্বপরিবারে হজে¦ যাই। আমাদের সাথে আমার দশ বছর বয়সী ছোট ছেলেটিও ছিল। সে হজে¦র কাজগুলো করতে সক্ষম ছিল। সে আমাদের সাথে হজে¦র প্রথম দুই দিনের কাজগুলো যথাযথভাবে করার পর আরাফায় অসুস্থ হয়ে যায়। এরপরও আমরা তাকে নিয়ে দশই যিলহজে¦র  কাজগুলো করেছি। এদিন তার অসুস্থতা এত বেড়ে যায় যে, তার পক্ষে বা তাকে নিয়ে তাওয়াফ করা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। আমরা দেশের প্রথম ফিরতি ফ্লাইটে চলে আসি। আসার আগেও সে তাওয়াফ করতে পারেনি। জানার বিষয় হল, তাওয়াফ না করে চলে আসার কারণে তার উপর কিংবা আমাদের উপর কোনো জরিমানা ওয়াজিব হয়েছে কি না? সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১৭
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমি সাধারণ চাকরিজীবী। সাংসারিক ব্যয়ের পর যে অতিরিক্ত টাকা হাতে থাকে তা আমি হজ্বের উদ্দেশ্যে একটু একটু করে জমাতে থাকি। এভাবে হজ্ব কাফেলায় জমা দেওয়ার মতো অর্থ জোগাড় হয়ে যায়। এদিকে আমার একটি লটারি ড্র হওয়ায় আরো কিছু টাকা হাতে আসে। আগের জমানো অর্থগুলো হজ্ব কাফেলায় দিয়ে লটারি থেকে পাওয়া অর্থ নিজের সঙ্গে রাখি এবং গোটা সফরে ব্যক্তিগত বেশ কিছু খরচ তা দিয়ে নির্বাহ করি। হজ্ব শেষে মক্কায় আমার এক প্রবাসী বন্ধুর সঙ্গে এ বিষয়ে আলাপকালে তিনি আমাকে জানালেন, লটারির টাকা হারাম! আর হারাম টাকা দিয়ে হজ্ব করলে হজ্ব হয় না। এতে আমি ভীষণ চিন্তিত হলাম।

লটারির ঐ টাকা যে কেন সঙ্গে নিয়েছিলাম সেজন্য অনুতপ্ত হলাম। এখন আমার জানার বিষয় হল, আমার হজ¦ কি একেবারেই হয়নি? নাকি হলেও অসম্পূর্ণ হয়েছে? সেক্ষেত্রে আমার করণীয় কী? আমার খটকার মূল কারণ, আমার হজ¦ সফরের মৌলিক খরচ, যা কিনা আমি হজ¦ কাফেলায় জমা দিয়েছি তা তো নিঃসন্দেহে হালাল। প্রাসঙ্গিক খরচ সন্দেহযুক্ত হওয়াতে কি হজে¦র উপরে তার প্রভাব পড়বে? বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারামের কাছে আমার নিবেদন এই যে, আল্লাহর অশেষ দয়ায় আমি একাধিকবার বাইতুল্লাহর হজ¦ করতে পেরেছি এবং সবসময় চেষ্টা করি, প্রতি বছর না হলেও অন্তত তিন বছরে যেন একবার যাওয়া হয়। সে হিসাবে এ বছর আমি প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করি। কিন্তু ঠিক সে সময়েই আরাকানে মানবিক বিপর্যয় দেখা যায়। রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল আসতে শুরু করে বাংলাদেশে। এ অবস্থায় আমাদের ইমাম সাহেব আমাকে পরামর্শ দেন এবারের হজে¦র জন্য জমা করা অর্থগুলো আর্ত মানবতার সেবায় দান করে দিতে। তিনি বলেন, নফল হজে¦র চেয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোই বেশি ফযীলতের। তার কথামতো সে অর্থ আমি ঐ খাতে দান করে দেই। এখন চিন্তা হচ্ছে, আসলে কোনটা উত্তম ছিল, দান করে দেয়া, নাকি হজে¦ যাওয়া। এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানিয়ে আমাকে আশ্বস্ত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১৫
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মহিলারা মাহরাম ব্যতিরেকে আটচল্লিশ মাইল বা এর চেয়ে বেশি দূরত্বের সফর একাকী করতে পারে না- এ কথা আমি জনৈক আলেমের কাছ থেকে জেনেছি। যে পরিমাণ অর্থ থাকলে হজ্ব ফরয হয় তা আমার আছে। কিন্তু মাহরামকে সঙ্গে নেয়ার মতো পথ খরচ ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের মতো সামর্থ্য আমার নেই। এদিকে আমার পড়শী এক দম্পতি এ বছরই হজ্বে যাচ্ছে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, এই প্রতিবেশী মহিলার সাথে আমি কি হজ্বের সফরে যেতে পারি? কারণ আমার না হলেও তার তো মাহরাম আছে এবং এতে করে মাহরামের যে প্রয়োজনীয়তা, তথা নিরাপত্তার দিকটি নিশ্চিত হওয়া- তা তো হয়েই যাচ্ছে। আর যদি এভাবেও আমার যাওয়ার অনুমতি না থাকে শরীয়তে তাহলে ফরয হজ্ব আদায়ে আমার করণীয় কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০