আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

২৯৪৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় একটি মাযার আছে। সেখানে কিছু সাধক আছেন যারা মাঝে মধ্যে বড় উদ্ভট কথাবার্তা বলে থাকেন। হক্কানী লোকদের ব্যাপারেও উদ্ভট মন্তব্য করে থাকেন। একদিন বললেন, মেরাজে গিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নব্বই হাজার কালাম লাভ করেন। এর মধ্যে ত্রিশ হাজার কালাম জাহেরী আর বাকী ষাট হাজার বাতেনী। এসব কিছু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনে একমাত্র আলী রা.কে বলে গেছেন। তাঁর নিকট থেকে ক্রমান্বয়ে সূফী, ফকীর ও দরবেশদের নিকট ষাট হাজার কালাম রয়েছে। যেগুলো সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম অজ্ঞ। ফলে তারা ফকীর-দরবেশদের কিছু বিষয়াদি নিয়ে আপত্তি করেন। এ কথাগুলো সঠিক? বাস্তবেই কি ষাট হাজার কালাম বাতেনী আছে?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৩৮৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের গ্রামের বাড়ীতে এক প্রতিবেশীর একটি বিড়াল ছিল। বিড়ালটি বড় হয়ে খুব ক্ষতি করতে শুরু করেছিল। বাড়ীর মুরগি, কবুতরের বাচ্চা ধরে ধরে খেয়ে ফেলত। উক্ত প্রতিবেশীকে বিড়ালটি তাড়িয়ে দিতে বা বেঁধে রাখতে বললে তিনি বলতেন, ‘তাড়িয়ে দিলেও আবার চলে আসবে, আর বেঁধে রাখাও মুশকিল।’ শেষ পর্যন্ত বাড়ীর লোকজন অতিষ্ট হয়ে গেলে আমরা কয়েকজন বিড়ালটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছি। পরে শুনলাম, হাদীসে আছে, একটি বিড়ালকে হত্যা করার কারণে এক মহিলা জাহান্নামী হবে। তাই এখন ভয় হচ্ছে। দয়া করে জানাবেন, আমাদের উক্ত কাজটি কি ঠিক হয়েছে।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আল্লাহর মেহেরবানিতে আমি এবছর আমার আম্মাকে নিয়ে হজ্ব করতে গিয়েছিলাম। প্রথম দুই দিন প্রচুর ভিড়ের ভেতর আম্মাকে সাথে নিয়ে আমরা কংকর মেরেছি। ১২ই যিলহজ্ব কাফেলার মুআল্লিম আমাকে বললেন, কংকর মারার সময় তো প্রচুর ভির থাকে তাই আজ আপনার মাকে কষ্ট না দিয়ে নিজেই তার পক্ষ থেকে কংকর মেরে দিন। এতে তার ওয়াজিব আদায় হয়ে যাবে। মুআল্লিমের কথা অনুযায়ী আমি নিজে সেদিন আম্মার পক্ষ থেকে কংকর মেরেছি। হজ্ব থেকে দেশে ফেরার পর একজন আলেমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘নিজে কংকর মারতে পারলে অন্যকে দিয়ে কংকর মারানো জায়েয নেই।তার কথা কি ঠিক? ঠিক হলে এখন করণীয় কী?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৩৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমাদের এলাকায় কয়েকদিন আগে একজন মহিলা মারা গেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে তার আত্মীয়স্বজনরা জানাযায় শরিক হওয়ার জন্য এসেছিলেন। মৃতের পরিবার অনেক বড়। আত্মীয়-স্বজন অনেক বেশি। আর তারা সম্পদশালীও। আগত আত্মীয়দের খানা খাওয়ানোর জন্য ঐ মহিলার স্বামী একটি গরু জবাই করে খানার ব্যবস্থা করেন। আর অনেকেই এখন এভাবে আয়োজন করে খানার ব্যবস্থা করে থাকে। কিন্তু কেউ কেউ বলছেন, মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে ঐ দিন আগত আত্মীয়দের জন্য এভাবে খানার আয়োজন করাটা বেদআত। তাদের এ কথা কতটুকু সঠিক? কুরআন-হাদীসের আলোকে প্রমাণসহ জানালে কৃতজ্ঞ হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
২৬৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

মুহতারাম! সাধারণত আমাদের এলাকায় শবে বরাত, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের দিন গরু জবাই হয়ে থাকে। যারা জবাই করেন তারা পেশাদার কসাই নয়; বরং অন্যান্য পেশার হয়ে থাকেন। তারা গরু কেনার পর এলাকার লোকজন থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে নেয়। আবার কারো থেকে শুধু গোস্ত নেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে নেয়। সে সময় তারা শুধু এতটুকু বলে যে, ৭০ হাজার টাকা দিয়ে গরু কিনেছি। ৮০ ভাগ করব। প্রতি ভাগ এক হাজার টাকা করে। এরপর নির্ধারিত দিনে গরু জবাই করে এবং পূর্বের ওয়াদা অনুযায়ী ভাগ করে দেয়। মুফতী সাহেবের নিকট জানতে চাচ্ছি, এভাবে অগ্রিম টাকা নিয়ে গোশত বিক্রি করা বৈধ হবে কি না?

উল্লেখ্য যে, তারা অনুমান করে একটি ধারণা দিয়ে দেয় যে, প্রতি ভাগে কতটুকু করে গোশত পাবে।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২৮ অক্টোবর, ২০২০
১৩৬৬
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কুরবানীর ঈদের পর এক ব্যক্তি নেসাবের মালিক হয়। পরবর্তী বছর আসার আগেই বসবাসের জন্য জায়গা ক্রয় করে। এতে তার সব টাকা খরচ হয়ে যায় এবং আরো ঋণ করতে হয়। বর্তমানেও পরিপূর্ণভাবে ঋণ পরিশোধ করতে পারেনি। এ অবস্থায় জানার বিষয় হল-

ক) নগদ টাকা খরচ হয়ে যাওয়ার কারণে ঐ ব্যক্তির নেসাব বাকি আছে কি না? শুনেছি, নেসাবের মালিক হওয়ার পর ঋণের কারণে যাকাত মাফ হয় না। তাহলে যাকাতযোগ্য সম্পদ থেকে ঋণ বাদ দেওয়ার পর বাকি সম্পদ নেসাব পরিমাণ না হলেও কি যাকাত, কুরবানী, ফিতরা আদায় করতে হবে? আর উক্ত কথাটির মর্ম কী?

উল্লেখ্য যে, উক্ত ব্যক্তির ছোট দোকানে ৭/৮ হাজার টাকার ব্যবসার মাল থাকে।

খ) নেসাব বাকি থাকলে কি যাকাতবর্ষ শেষে অন্যান্য যাকাতযোগ্য সম্পদের সাথে ঋণ পরিশোধের জন্য জমাকৃত টাকারও যাকাত, কুরবানী আদায় করতে হবে? এবং কুরবানীর দিনগুলোতে ব্যবসার মাল ছাড়া নগদ অর্থ কুরবানীর সর্বাপেক্ষা ছোট পশুর মূল্যের পরিমাণ না হলে কি ধার করে কুরবানী করতে হবে?



question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০