আপনার জিজ্ঞাসা/প্রশ্ন-উত্তর

সকল মাসায়েল একত্রে দেখুন

৩৭১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে ফোনে বিয়ে করে। সে মেয়েটিকে ফোনে বলে, আমি তোমাকে এত টাকার মহরে বিবাহ করলাম, তুমি রাজী থাকলে কবুল বল। মেয়েটি তখন কবুল বলে। ফোনে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে ছেলের দুজন বন্ধুও মেয়ের কবুল বলা শুনেছিল। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের অভিভাবক তাদেরকে ভিন্ন জায়গায় বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাদের উভয়ে বলে, আমাদের তো বিয়ে হয়ে গেছে। আমরা পরস্পর স্বামী-স্ত্রী। তাই অন্য কোথাও আমরা বিয়ে করব না।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে, তাদের বিবাহ কি শুদ্ধ হয়েছে? এক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান কী? বর্তমানে তাদের বাবা-মা চাচ্ছেন তারা একে অপরকে তালাক দিয়ে দিক। এটা কি বৈধ হবে? জানিয়ে বাধিত করবেন।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

গত বছর আমার বিয়ে হয়। বিয়ের কিছু দিন পরই স্ত্রীর সাথে মনোমালিন্য হয়। সে বিভিন্ন পর-পুরুষের সাথে ফোনে কথা বলে, তাদের সাথে আড্ডা দেয়। তাকে অনেক বোঝানোর পরও কাজ হয়নি; বরং সে বারবার বলে, আমাকে ছেড়ে দাও। আমাকে তালাক দিয়ে দাও। আমার স্ত্রীরা পারিবারিকভাবে বেশ ধনী। তাই মুরব্বীদের সাথে পরামর্শ করে তাকে খোলা তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। আমার এক চাচা বললেন, তুমি খোলা তালাক বাবদ তিন লাখ টাকা নাও। মুফতী সাহেবের কাছে জানতে চাই, আমি কি আমার স্ত্রী থেকে তালাক বাবদ উক্ত টাকা গ্রহণ করতে পারব?

উল্লেখ্য, আমার বিয়ের মহর ছিল আড়াই লাখ টাকা। বিয়ের সময় স্বর্ণালংকারের মাধ্যমে তা আদায় করে দিয়েছি।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
৩৪১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার এক বন্ধু এক মেয়েকে বিয়ে করে। সাত মাসের গর্ভবতী অবস্থায় মেয়েটি পালিয়ে গিয়ে আরেক ছেলের সাথে সংসার শুরু করে। এর এক মাস পর প্রথম স্বামী ঐ মেয়েকে তালাক প্রদান করে। পালিয়ে যাওয়ার তিন মাস পর একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। পরবর্তীতে মেয়েটি কাযী অফিসে গিয়ে ঐ ছেলেটিকে বিয়ে করে নেয়। সন্তানের লালন-পালন ঐ মেয়ে এবং তার দ্বিতীয় স্বামীই করে যাচ্ছে। প্রথম স্বামীকে লালন-পালন করা এমনকি দেখার সুযোগ দিতেও তারা রাজি না। এখন আমি জানতে চাই-

ক. ঐ কন্যা সন্তানের পিতা হিসেবে পরিচয় কে পাবে?

খ. সন্তানটির লালন-পালনের অধিকার কে রাখে?

উল্লেখ্য যে, সন্তানটির নানী জীবিত এবং সন্তানটির লালন-পালনে সে আগ্রহী। আর দ্বিতীয় স্বামী সন্তানটির মাহরাম নয়।

গ. এমন অপারগতাবস্থায় সন্তানের খোঁজ-খবর না নেওয়ার দ্বারা প্রথম স্বামী গুনাহগার হবে কি না?

ঘ. ঐ সন্তানের লালন-পালনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্বামীর কোনো অধিকার আছে কি না?

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
২০৬২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

এক মেযের সাথে আমার গোপনে পরিচয় হয়। স্থায়ী সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে আমার কয়েকজন বন্ধুবান্ধবসহ একটি রেস্টুরেন্টে একত্রিত হই। আমার এক বন্ধু কাজী অফিসের পিয়ন হিসেবে একজনকে নিয়ে আসে। সে কাজী অফিস থেকে বিবাহ রেজিস্ট্রি করার কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে আসে। এছাড়াও সরকারি দলিল-স্ট্যাম্পে একটি বিবাহ হলফনামা নিয়ে আসে। সেখানে আমরা উভয়ে স্বেচ্ছায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার নিমিত্তে স্বাক্ষর করি এবং নিকাহনামা রেজিস্টারেও উভয়ে স্বাক্ষর করি। সেখানে চারজন পুরুষও উপস্থিত ছিল। এছাড়া বিবাহ পড়ানোর উপযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা কাজী অফিসের কেউ উপস্থিত ছিল না। উক্ত কাগজপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে ১,০০,০০১ টাকা দেনমোহরের শর্তে আমরা বিবাহ সম্পন্ন করি। কিন্তু এক্ষেত্রে আমরা কেউই ইজাব-কবুল বলিনি। পিয়ন আমাদের বললেন, আপনারা দুজন স্বামী স্ত্রী। এরপর আমরা যার যার মতো চলে আসি।

বিয়ের ২-৩ মাসের পর থেকে আমাদের মধ্যে ছোটখাটো বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডা হয়। ৩-৪ মাস পর এক পুরুষ শিক্ষক নিয়ে পর্দার ব্যাপারে আমার সাথে ওর ঝগড়া হয়। আমি রাগ করে একপর্যায়ে বলেছিলাম, তুমি যদি কালকে, পরশু এবং এর পরের দিন তার কাছে পড় তাহলে তুমি যথাক্রমে এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক। পরে জানতে পারি, সে তিন দিনই পড়েছিল। এখন প্রশ্ন হল, ক) আমাদের বিবাহ কি সঠিক হয়েছিল? খ) আমাদের মধ্যে তালাক হয়েছিল কি? গ) এখন আমি পারিবারিকভাবে ওকে ঘরে তুলতে বা বিয়ে করতে চাই। এজন্য আমার কী করা উচিত বা আদৌ কি তা সম্ভব?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৮ অক্টোবর, ২০২০
৩১২
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

আমার বিয়ে হয়েছে প্রায় তিন বছর হয়েছে। প্রথম দেড় বছর মোটমুটি ভালো কাটলেও এরপরই সমস্যা শুরু হয়। সমস্যার সূচনা আমার স্ত্রীর ফেইসবুক চালানো নিয়ে। সে বিভিন্ন মানুষের সাথে মেসেজ আদান-প্রদান করত। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার কথা কাটাকাটিও হয়। সে বারবার বলত, আমি ফেইসবুক চালালে তোমার সমস্যা কোথায়? এক মাস আগে এ নিয়ে ঝগড়ার একপর্যায়ে বলে ফেলি, ফেইসবুক চালালে আমার ঘরে আর থাকতে পারবে না। পরের দিন আমি অফিসে যাওয়ার পর সে তার বাবার বাসায় চলে যায়। আমার ও আমার পরিবারের লোকদের কয়েকবার চেষ্টার পরও সে আসেনি। পরে আমি মুরব্বীদের সাথে পরামর্শ করে তাকে তালাক দিয়ে দিই।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে, যেহেতু তার দোষেই আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটেছে তাই মহর, তালাক পরবর্তী ইদ্দতের ভরণ-পোষণ এগুলো দিতে কি আমি বাধ্য? তাছাড়া আমার স্ত্রী পারিবারিকভাবে বেশ সচ্ছল।

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
৯ অক্টোবর, ২০২০
১৭৮১
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 আবদুল্লাহ ও তার স্ত্রী মাঝেমধ্যেই ঝগড়া করে। স্ত্রী সর্বদা ঝগড়ার সময় বলে,আমাকে ছেড়ে দাও। এ কথাটি তার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। আবদুল্লাহ একবার রাগের মাথায় বলে ফেলে যে,এই কথা তুমি আর একবার বললে তুমি তালাক। এখন জানার বিষয় হল,

ক) স্ত্রী যদি আবার রাগের মাথায় ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় কথাটি বলে তবে তার কী হুকুম? তালাক হলে কয় তালাক হবে এবং সেক্ষেত্রে তারা একত্রিত হতে চাইলে কী করণীয়?

খ) স্বামীর জন্য তার উক্ত কথা থেকে ফিরে আসার কোনো উপায় আছে কি?

দয়া করে বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
৭৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

কিছুদিন পূর্বে আমার এক প্রতিবেশী ইন্তেকাল করেন। তার আট-দশ বছর বয়সী দুটি ছেলে আছে। উভয়ে মাদরাসায় পড়াশোনা করে। এছাড়া সংসারে কর্মক্ষম কোনো পুরুষ নেই। লোকটির স্ত্রী এক মহিলা মাদরাসায় শিক্ষকতা করেন। মাদরাসাটি বাড়ি থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে। মহিলাটি প্রতিদিন বিকেলে বাড়িতে চলে আসেন। আর বর্তমানে উক্ত মহিলার সংসারের খরচ চালানোর জন্য তার এ চাকরি ছাড়া আর কোনো ব্যবস্থা নেই।

প্রশ্ন হল, উক্ত মহিলার জন্য ইদ্দতের সময় এ চাকরি করা জায়েয হবে কি না?

মুফতী সাহেবের কাছে বিনীত নিবেদন, উপরে বর্ণিত মহিলার সার্বিক অবস্থাকে সামনে রেখে শরীয়তের আলোকে সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন। যদি তার জন্য ইদ্দত অবস্থায় উক্ত চাকরি করা জায়েয না হয় তাহলে তার সংসারের খরচ নির্বাহ হবে কীভাবে? এ বিষয়ে শরীয়ত কী বলে?

দয়া করে জানিয়ে উপকৃত করবেন। আল্লাহ আপনাদেরকে উত্তম বিনিময় দান করুন।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
৯৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

হুযুর! গত কয়েকদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় আমার স্বামী এন্তেকাল করেছে। তার জীবদ্দশায় একটি দুধের বাচ্চা নিয়ে শহরের একটি ফ্ল্যাট বাসায় আমরা ভাড়া থাকতাম। তার অবর্তমানে এখন সে বাসায় ছোট বাচ্চা নিয়ে একাকী থাকতে খুব ভয় হচ্ছে। প্রায় রাতেই উল্টাপাল্টা স্বপ্ন দেখে চিৎকার দিয়ে উঠি। দৈনন্দিন প্রয়োজন পূরণ করতেও খুব কষ্ট হচ্ছে। একটু দূরে আমার ভাইয়ের বাসা আছে। ভাইয়া বলছেন, তার বাসায় গিয়ে ইদ্দত পালন করতে। আমি কি বর্তমান বাসা থেকে বের হয়ে তার বাসায় গিয়ে ইদ্দত পালন করতে পারব? দয়া করে জানালে  উপকৃত হব।

 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
২৪৭৩
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

 

পাঁচ বছর আগে মুহাম্মাদ আদনান নাজিবের সাথে আমার বিয়ে হয়। ইতিমধ্যে আমাদের একটি ছেলে ও একটি মেয়ে হয়েছে। বিয়ের কাবিন নামার ১৮ নং ধারায় আমার স্বামী আমাকে তালাক গ্রহণের অধিকার দেয়নি। কিন্তু পরবর্তীতে মৌখিকভাবে আমাকে এই বলে তালাক গ্রহণের অনুমতি দিয়েছে যে, আমি যদি কোনো দিন তোমার গায়ে হাত তুলি অর্থাৎ মারধর করি তাহলে তুমি স্বেচ্ছায় তালাক গ্রহণ করতে পারবে। গত বছর থেকে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। সে ঠিকমতো ভরণ-পোষণ দেয় না। আমার ছেলে মেয়ের যত্ন নেয় না। আমি খরচ চাইলে রাগারাগি করে। বেশ কয়েকবার সে আমাকে খুব মারধরও করেছে। তাই আমি গত ২/১/২০১২ তারিখে আমাকে তালাক গ্রহণের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এক তালাকে বায়েন গ্রহণ করেছি। কিন্তু এখন সে আমার ও আমার পরিবারের কাছে কান্নাকাটি করে ও বার বার ক্ষমা চেয়ে আমাকে পুনরায় নিতে চাচ্ছে। জানার বিষয় হল, উল্লেখিত অবস্থায় আমার তালাক গ্রহণ সঠিক হয়েছে কি না? যদি হয়ে থাকে তাহলে আমার জন্য তার কাছে পুনরায় ফিরে যাওয়ার শরীয়তসম্মত কোনো পন্থা আছে কি না? জানালে উপকৃত হব।


 

question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০
১৯৫৮
আসসালামুআলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

প্রায় দুই মাস আগে একটা ছেলের সাথে মালিহার বিবাহ  হয়। বিবাহের একমাস পর সড়ক দুর্ঘটনায় তার স্বামী মারা যায়। মালিহা এখন তার বাবার বাড়িতে ইদ্দত পালন করছে। ইতোমধ্যে তার বিবাহের প্রস্তাব আসা শুরু হয়েছে। মালিহার কানাডা প্রবাসী খালাতো ভাই সপনের পক্ষ থেকেও প্রস্তাব এসেছে। সপন একমাস পর আবার কানাডায় চলে যাবে। তাই সে চাচ্ছে, এই মাসের মধ্যেই বিবাহের কার্য সম্পন্ন করে ফেলতে। কিন্তু মালিহার ইদ্দত শেষ হতে এখনো প্রায় তিন মাস বাকি। জানার বিষয় হল, এ অবস্থায় সপনের জন্য কি মালিহাকে বিবাহ করা জায়েয হবে?


question and answer iconউত্তর দিয়েছেন: মাসিক আলকাউসার
২০ অক্টোবর, ২০২০