মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩৮৫
নামাযের অধ্যায়
(৫) অনুচ্ছেদঃ মু'আয ইবন্ জাবাল (রা)-এর ঘটনা (মুক্তাদীদের সালাত দীর্ঘকরণ প্রসঙ্গে এবং প্রয়োজনে মুক্তাদীর একাকী সালাত আদায় জায়েয)
(১৫৮১) আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন আমার পিতা, তিনি বলেন আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন সুফিয়ান, তিনি আমর (ইবনে দিনার) থেকে বর্ণনা করে বলেন, তিনি জাবির যেতে শুনেছেন যে, মু'আয ইবন জাবাল (রা) রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করতেন, অতঃপর গোত্রে ফিরে এসে আমাদের ইমামতি করতেন। একবার নবী (ﷺ) ইশার সালাতকে বিলম্বিত করলেন। মু'আয ইবন জাবাল (রা) রাসূল (ﷺ)-এর সাথে সালাত আদায় করলেন এরপর তাঁর গোত্রে এসে সালাতের ইমামতি করলেন এবং সালাতে সূরা বাকারা পড়তে শুরু করলেন এমতাবস্থায় গোত্রের এক ব্যক্তি সালাতকে ছেড়ে দিল। সালাত সমাপনান্তে তাঁকে বলা হলো যে, হে অমুক, তুমি তো মুনাফিক। সে জবাব দিলো, না, আমি মুনাফিক নই। সে নবী (ﷺ)-এর দরবারে আসলো এবং আরজি পেশ করলো যে, মু'আয আপনার সাথে সালাত আদায় করে। এরপর ফিরে গিয়ে আমাদের ইমামতি করে, হে রাসূলাল্লাহ (ﷺ), আর আমরা ভো উট চরিয়ে বেড়াই এবং নিজের কাজ নিজে সম্পাদন করি। এমতাবস্থায় সে আমাদের মাঝে যখন ইমামতি করে তাতে সে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করে। একথা শুনে রাসূল (ﷺ) বললেন- হে মু'আয, তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? বরং তুমি এই ধরনের এই ধরনের সূরা পড়বে।
(রাবী আবু যোবাইর বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন, তুমি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى এই জাতীয় সূরাসমূহ ডিলাওয়াত করবে। রাবী বলেন, আমরকে এ সম্পর্কে বললাম, এস তিনি বললেন, সম্ভবতঃ তিনি (জাবির) এমন, উল্লেখ করেছেন।)
(দ্বিতীয় একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে)
(আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবন জা'ফর এবং হাজ্জাজ উভয়ে বলেন, শু'বা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহারিব ইবন্ দিনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আনসারীদের এক ব্যক্তি আসল তার সাথে ছিল তার দুই উট। এমতাবস্থায় সূর্য প্রায় ডুবুডুবু। মু'আয মাগরিবের সালাতের ইমামতি করছিলেন। উক্ত ব্যাক্তি তাঁর সাথে জামা'আতে যোগদিল সে দেখল যে মুয়ায সূরা বাকারা পড়ছে। রাবী মুহারিব সংশয় প্রকাশ করেছেন যে, তিনি সূরা 'বাকারা' অথবা 'নিসা' পড়ছিলেন। আগন্তুক যখন দেখল যে তিনি এভাবে সালাত আদায় করছেন তিনি তখন বেরিয়ে আসলেন। রাবী বলেন, উক্ত ব্যক্তি জানতে পারলো যে, মুআয তার বিষয়ে মন্দ বলেছে। রাবী বলেন, অতঃপর এই ঘটনা নবী (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করা হলে তিনি বললেন, হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী?
আর বর্ণনাকারী হাজ্জাজ বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি যদি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا পড়তে তবে তোমার পিছনে বৃদ্ধ, অভাবী ও দুর্বলরা সালাত আদায় করতো।
রাবী বলেন, আমার মনে হয় মুহারিব الضعيف শব্দের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও সুনানের অন্য চারটি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
(রাবী আবু যোবাইর বলেন, রাসুল (ﷺ) বলেছেন, তুমি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَاللَّيْلِ إِذَا يَغْشَى এই জাতীয় সূরাসমূহ ডিলাওয়াত করবে। রাবী বলেন, আমরকে এ সম্পর্কে বললাম, এস তিনি বললেন, সম্ভবতঃ তিনি (জাবির) এমন, উল্লেখ করেছেন।)
(দ্বিতীয় একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে)
(আব্দুল্লাহ হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, মুহাম্মদ ইবন জা'ফর এবং হাজ্জাজ উভয়ে বলেন, শু'বা আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন, তিনি মুহারিব ইবন্ দিনার থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, জাবির ইবন্ আব্দুল্লাহকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, আনসারীদের এক ব্যক্তি আসল তার সাথে ছিল তার দুই উট। এমতাবস্থায় সূর্য প্রায় ডুবুডুবু। মু'আয মাগরিবের সালাতের ইমামতি করছিলেন। উক্ত ব্যাক্তি তাঁর সাথে জামা'আতে যোগদিল সে দেখল যে মুয়ায সূরা বাকারা পড়ছে। রাবী মুহারিব সংশয় প্রকাশ করেছেন যে, তিনি সূরা 'বাকারা' অথবা 'নিসা' পড়ছিলেন। আগন্তুক যখন দেখল যে তিনি এভাবে সালাত আদায় করছেন তিনি তখন বেরিয়ে আসলেন। রাবী বলেন, উক্ত ব্যক্তি জানতে পারলো যে, মুআয তার বিষয়ে মন্দ বলেছে। রাবী বলেন, অতঃপর এই ঘটনা নবী (ﷺ)-এর কাছে বর্ণনা করা হলে তিনি বললেন, হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী? হে মু'আয। তুমি কি বিপর্যয় সৃষ্টিকারী?
আর বর্ণনাকারী হাজ্জাজ বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তুমি যদি سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى বা وَالشَّمْسِ وَضُحَاهَا পড়তে তবে তোমার পিছনে বৃদ্ধ, অভাবী ও দুর্বলরা সালাত আদায় করতো।
রাবী বলেন, আমার মনে হয় মুহারিব الضعيف শব্দের ব্যাপারে সংশয় পোষণ করেছেন।
(হাদীসটি বুখারী, মুসলিম ও সুনানের অন্য চারটি গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।)
كتاب الصلاة
(5) باب قصة معاذ بن جبل رضى الله عنه
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(فى تطويل الصلاة بالمأمومين وفيها جواز انفراد المأموم لعذر)
(1385) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثناسفيان عن عمرٍو سمعه من جابرٍ كان معاذٌ يصلِّي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ثمَّ يرجع فيؤمُّنا وقال مرةً ثمَّ يرجع فيصلِّى بقومه فأخَّر النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم ليلةً الصَّلاة وقال مرَّةً العشاء فصلَّى معاذٌ مع النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم ثم جاء قومه فقرأ البقرة فاعتزل رجلٌ
من القوم فصلَّى فقيل نافقت يا فلان، قال ما نافقت، فأتى النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقال إن معاذًا يصلِّى معك ثمَّ ترجع فيؤمُّنا يا رسول الله، إنَّما نحن أصحاب نواضح ونعمل بأيدينا، وإنَّه جاء يؤمنا فقرأ سورة البقرة، فقال يا معاذ أفتَّانٌ أنت؟ أفتَّانٌ أنت؟ اقرأ بكذا وكذا قال أبو الزُّبير بسبِّح اسم ربِّك الأعلى، واللَّيل إذا يغشى، فذكرنا لعمرو فقال أراه قد ذكره
(ومن طريقٍ ثانٍ) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ وحجَّاجٌ قالا ثنا شعبة عن محارب بن دثارٍ سمعت جابر بن عبد الله الأنصارىَّ قال أقبل رجلٌ من الأنصار ومعه ناضحان له وقجد جنحت الشَّمس ومعاذٌ يصلي المغرب فدخل معه الصلَّاة فاستفتح معاذٌ البقرة أو النِّساء، محاربٌ الَّذى يشكُّ، فلمَّا رأى الرَّجل ذلك صلَّي ثمَّ خرج، قال فبلغه أنَّ معاذًا نال منه، قال حجَّاجٌ ينال منه، قال فذكر ذلك للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أو فاتنٌ فاتنٌ فاتنٌ، وقال حجَّاجٌ أفاتنٌ أفاتنٌ، فلولا قرأت سبِّح اسم ربِّك الأعلى والشَّمس وضحاها فصلَّى وراءك الكبير وذو الحاجة والضَّعيف، أحسب محاربًا الَّذى يشكُّ فى الضَّعيف
من القوم فصلَّى فقيل نافقت يا فلان، قال ما نافقت، فأتى النَّبيَّ صلَّى الله عليه وعلى آله وصحبه وسلَّم فقال إن معاذًا يصلِّى معك ثمَّ ترجع فيؤمُّنا يا رسول الله، إنَّما نحن أصحاب نواضح ونعمل بأيدينا، وإنَّه جاء يؤمنا فقرأ سورة البقرة، فقال يا معاذ أفتَّانٌ أنت؟ أفتَّانٌ أنت؟ اقرأ بكذا وكذا قال أبو الزُّبير بسبِّح اسم ربِّك الأعلى، واللَّيل إذا يغشى، فذكرنا لعمرو فقال أراه قد ذكره
(ومن طريقٍ ثانٍ) حدّثنا عبد الله حدَّثنى أبى ثنا محمَّد بن جعفرٍ وحجَّاجٌ قالا ثنا شعبة عن محارب بن دثارٍ سمعت جابر بن عبد الله الأنصارىَّ قال أقبل رجلٌ من الأنصار ومعه ناضحان له وقجد جنحت الشَّمس ومعاذٌ يصلي المغرب فدخل معه الصلَّاة فاستفتح معاذٌ البقرة أو النِّساء، محاربٌ الَّذى يشكُّ، فلمَّا رأى الرَّجل ذلك صلَّي ثمَّ خرج، قال فبلغه أنَّ معاذًا نال منه، قال حجَّاجٌ ينال منه، قال فذكر ذلك للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم فقال أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أفتَّانٌ أنت يا معاذ؟ أو فاتنٌ فاتنٌ فاتنٌ، وقال حجَّاجٌ أفاتنٌ أفاتنٌ، فلولا قرأت سبِّح اسم ربِّك الأعلى والشَّمس وضحاها فصلَّى وراءك الكبير وذو الحاجة والضَّعيف، أحسب محاربًا الَّذى يشكُّ فى الضَّعيف