মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৫৪৪
নামাযের অধ্যায়
(১৮) কোন ব্যক্তি যখন পৃথক সালাতে দাঁড়ায় তখন তার কিরাআত সরবে পাঠ করা নিষেধ বিষয়ক পরিচ্ছেদ
(৫৪০) আবূ সা'ঈদ খুদরী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) ই'তিকাফ করছিলেন; এমতাবস্থায় তিনি এবং অন্যান্য সঙ্গীগণ ই'তিকাফের জন্য নির্মিত তাঁবুর ভেতরে অবস্থান করছিলেন। এমতাবস্থায় রাসূল (ﷺ) তাদেরকে কিরাআত উচ্চস্বরে পড়তে (সালাতে) শুনলেন। রাসূল (ﷺ) তখন তাঁবুর পর্দা তুললেন এবং বললেন। ওহে তোমরাতো সকলেই আল্লাহর নিকট প্রার্থনারত। সুতরাং তোমরা একে অপরকে কষ্ট দিও না এবং কিরাআতে একে অপরের চেয়ে স্বর উঁচু করো না। (বর্ণনাকারীর সন্দেহ*, নাকি রাসূল (ﷺ) বলেছেন) সালাতে একে অপরের চেয়ে স্বর উঁচু করো না।'
*হাদীস বর্ণনার ক্ষেত্রে রাসূল (ﷺ)-এর মুখ নিঃসৃত সঠিক শব্দটি স্মরণ না থাকলে বর্ণনাকারী এরূপ বলে থাকেন। এটাকে ইলমে হাদীসের পরিভাষায় شك الراوي বা 'বর্ণনাকারীর সংশয়' বলা হয়।
(ইমাম নাসাঈ (র) তাঁর সুনানে হাদীসখানা বর্ণনা করেছেন। ইমাম নববী (র) হাদীসখানাকে সহীহ্ বলেছেন।)
كتاب الصلاة
(18) باب النهي عن الجهر بالقراءة فى الصلاة اذا هو سن على مصل آخر
(544) عن أبى سعيدٍ الخدرىِّ رضى الله عنه قال اعتكف رسول الله صلى الله عليه وسلم فسمعهم يجهرون بالقراءة وهم فى قبَّة (2) لهم فكشف السُّتور وقال ألا إنَّ كلَّكم مناجٍ ربَّه، فلا يؤذينَّ بعضكم بعضًا، ولا يرفعنَّ بعضكم على بعضٍ بالقراءة أو قال فى الصَّلاة
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান