মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৬. পবিত্রতা অর্জন

হাদীস নং: ৪৬৪
আন্তর্জাতিক নং: ৭২৭
পবিত্রতা অর্জন
(৯) পরিচ্ছেদঃ গোসলের সময় চুল খোলা ও মাথা ধোয়ার বিবরণ
(৪৬৪) আলী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি চুল পরিমাণ জানাবতের স্থান ত্যাগ করে তাতে পানি পৌঁছায় না। আল্লাহ তা'আলা তার সাথে এমন এমন করবেন জাহান্নামে। আলী (রা) বলেন, এ কারণেই আমি আমার চুলের সাথে শত্রুতা করেছি (টাক করেছি)। (অপর এক বর্ণনায় অতিরিক্ত আছে) যেমন তোমরা দেখছো।
كتاب الطهارة
(9) باب فى صفة غسل الرأس ونقض الشعر عند الغسل
(464) عن علىّ رضى الله عنه قال سمعت النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم يقول من ترك موضع شعرة من جنابة لم يصبها ماء فعل الله تعالى به كذا وكذا من النَّار، قال علىُّ رضى الله عنه فمن ثمَّ عاديت شعري زاد في رواية كما ترون

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(تخريجه) أخرجه أيضًا أبو داود والدارمي وابن ماجه "قال المنذري" في اسناده عطاء بن السائب وقد وثقه أبو داود السجستاني وأخرج له البخاري حديثًا مقرونًا بأبي بشر، وقال يحيى بن معين لا يحتج بحديثه وتكلم فيه غيره وقد كان تغير في آخر عمره، وقال الامام أحمد من سمع منه قديمًا فهو صحيح ومن سمع منه حديثًا لم يكن بشيء ووافقه على هذه التفرقة غير واحد اه (قلت) نقل صاحب التنقيح عن الحافظ أزحماد بن سلمة سمع من عطاء قبل الاختلاط فالحديث يحتج به والله أعلم.

[আবূ দাউদ, দারেমী ও ইবন্ মাজাহ কর্তৃক বর্ণিত । হাদীসটি গ্রহণযোগ্য.........।]

হাদীসের ব্যাখ্যা:

এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, অপবিত্র অবস্থা থেকে পবিত্র হওয়ার ক্ষেত্রে একচুল পরিমাণ স্থানও যাতে শুকনা না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখা অত্যাবশ্যক। কোন কোন ভাষ্যকার বলেন, যদিও ঘাড় বরাবর চুল রাখা রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং অপর তিন খলীফার নিয়মিত আমল ছিল। তথাপি সর্বাঙ্গ ভালভাবে ধৌত করার উদ্দেশ্যে হযরত আলী (রা) তাঁর মাথা মুণ্ডনের যে সাধারণ পদ্ধতি গ্রহণ করেছেন তা অবলম্বন করা জায়িয এবং পসন্দনীয়ও বটে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান