মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৬. পবিত্রতা অর্জন

হাদীস নং: ৪২১
পবিত্রতা অর্জন
(২) পরিচ্ছেদ: এই বিষয়টি প্রথম দিকে ছাড় ছিল অতঃপর রহিত হয়ে যায়
(৪২১) আবদুল্লাহ আমাদের বলেছেন, আমাদেরকে আমার বাবা বলেছেন, তিনি বলেন আমাদেরকে ইয়াহ্ইয়া ইবন্ আদম বলেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে যুহাইর ও ইবন্ ইদ্রীস মোহাম্মদ ইবন ইসহাক থেকে (বর্ণনা করে বলেছেন।) তিনি ইয়াযিদ ইবন্ আবূ হুবাইব থেকে, তিনি মা'যর ইবন্ আবু হাবিবা থেকে, তিনি উবাইদা ইবন রিফাআ' ইবন রাফে' থেকে, তিনি তাঁর বাবা থেকে বর্ণনা করেন। যুহাইর রেফা'আ ইবন্ রাফে'র হাদীস সম্বন্ধে বলেন, তিনি 'আকাবা এবং বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারীদেরই একজন ছিলেন। তিনি বলেন, আমি ওমরের কাছেই ছিলাম তখন তাকে বলা হল, যায়েদ ইবন ছাবিত মসজিদে বসে ফাতাওয়া দিচ্ছেন যে, যুহাইর তাঁর হাদীসে বলেছেন, তিনি (যাইদ ইবন ছাবিত) যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করল, কিন্তু তার বীর্যপাত হলো না তার সম্বন্ধে মনগড়া ফাতাওয়া দিচ্ছিলেন। উমর বললেন, তাকে দ্রুতই আমার কাছে নিয়ে আসুন। তাকে নিয়ে আসা হলে উমর তাকে বললেন, হে নিজের শত্রু! তুমি কি রাসূলুল্লাহর মসজিদে বসে মানুষকে তোমার মনগড়া ফাতাওয়া দেয়ার মত যোগ্য হয়েছ? তিনি উত্তরে বললেন, আমি তো এমন কিছু করি নি। তবে আমার চাচারা আমাকে রাসুলুল্লাহর এর হাদীস বলেছেন, উমর (রা) বললেন, তোমার কোন, চাচা? তিনি বললেন উবাই ইবন্ কা'ব, যুহাইর বলেন এবং আবু আইয়ূব রেফা'আ ইবন রাফে'ও। তারপর আমার দিকে থাকালেন এবং বললেন, এ যুবকটি কি কথা বলছে? যুহাইর বলেন, এ ছেলেটি কি বলছে? তখন আমি বললাম, আমরা রাসুলুল্লাহর যুগে এরূপ করতাম। তিনি (উমর) বললেন, তোমরা কি এ প্রসঙ্গে রাসূল (সা)-কে জিজ্ঞাসা করেছিলে? তিনি বললেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সা)-এর যুগে এরূপ করতাম। তারপর গোসল করতাম না। তিনি বলেন, তারপর (উমর) মানুষদেরকে জমায়েত করলেন এবং লোকেরা এ ব্যাপারে ঐকমত্যে উপনীত হল যে, বীর্ঘপাত ছাড়া পানি ব্যবহার করতে হয় না। তবে দু'জন লোক ভিন্ন মত পোষণ করলেন। আলী ইবন্ তালিব ও মুয়ায ইবন জাবাল, তাঁরা উভয়ে বললেন, যখন (পুরুষের) খতনার স্থান (নারীর) খতনাস্থান অতিক্রম করবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে। তিনি বলেন, তখন আলী (রা) বললেন, হে আমীরুল মু'মিনীন! এ ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী জানেন রাসূল (সা)-এর স্ত্রীগণ। তখন হাফসার কাছে লোক পাঠালেন। তিনি (হাফসা) বললেন, এ প্রসঙ্গে আমার কিছু জানা নেই। তারপর আয়িশা (রা)-এর কাছে লোক পাঠালেন, আয়িশা উত্তরে বললেন, যখন পুরুষের খতনাস্থান নারীর খতনাস্থান অতিক্রম করবে তখন গোসল ওয়াজিব হবে। তিনি বলেন, তখন উমর ক্রোধান্বিত হলেন অর্থাৎ রাগান্বিত হলেন তারপর বললেন, আমার কাছে এরূপ কেউ করেছে অতঃপর গোসল করে নি এমন খবর আসলে আমি তাকে অবশ্যই শাস্তি দিব।
[হাইসুমী বলেন, হাদীসটি আহমদ ও তাবারানী বর্ণনা করেন। ইবন্ আবু শাইবাও হাদীসটি বর্ণনা করেন। তার সনদ উত্তম।]
كتاب الطهارة
(2) باب فى أن قلك كان رخصة ثم نسخ
(421) حدّثنا عبد الله قال حدَّثنى أبى قال ثنا يحيى بن آدم قال ثنا زهير وابن إدريس عن محمَّد بن إسحق عن يزيد بن أبى حبيب عن معمر بن أبى حبيبة عن عبيد بن رفاعة بن رافع عن أبيه، قال زهير فى حديثه رفاعة ابن رافع وكان عقبيَّا بدريًّا قال كنت عند عمر فقيل له إنَّ زيد بن ثابت يفتى النَّاس فى المسجد، قال زهير فى حديثه يفتى النَّاس برأيه فى الَّذى يجامع ولا ينزل، فقال أعجل به فأتى به فقال يا عدوَّ نفسه أو قد بلغت أن تفتى النَّاس فى مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم، برأيك، قال ما فعلت ولكن حدَّثنى عمومتى عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال أيُّ عمومتك، قال أبىُّ بن كعب، قال زهير وأيُّوب ورفاعة بن رافع، فالتفت إلىَّ وقال ما يقول هذا الفتى، وقال
زهير ما يقول هذا الغلام، فقلت كنَّا نفعله في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال فسألتم عنه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال كنَّا نفعله على عهده فلم نغتسل، قال فجمع النَّاس واتَّفق النَّاس على أنَّ الماء لا يكون إلاَّ من الماء إلاَّ رجلين علىَّ بن أبى طالب ومعاذ بن جبل قالا إذا جاوز الختان الختان فقد وجب
الغسل قال فقال عليُّ يا أمير المؤمنين إن أعلم النَّاس بهذا أزواج رسول الله صلى الله عليه وسلم فأرسل إلى حفصة فقالت لا علم لى، فأرسل إلى عائشة فقالت إذا جاوز الختان الختان وجب الغسل، قال فتحطَّم عمر يعنى تغيَّظ ثمَّ قال لا يبلغني أنَّ أحدًا فعله ولا يغتسل إلاَّ أنهكته عقوبةً
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান