মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১৮২
নামাযের অধ্যায়
যে সব সময় নামায পড়া নিষিদ্ধ সে প্রসঙ্গে

(১) পরিচ্ছেদ: নিষিদ্ধ ওয়াক্তসমূহ
(১৮২) সাফওয়ান ইবন্ মুআত্তিল আস্সুলামী (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী (ﷺ)-কে জিজ্ঞাসা করলেন, বললেন, হে আল্লাহর নবী আমি আপনাকে এমন একটা প্রশ্ন করছি যার উত্তর আপনার জানা আর আমার অজানা। (নবী সা) বললেন, প্রশ্নটা কি? তিনি বললেন, রাত দিনের মধ্যে এমন কোন সময় আছে কি যাতে নামায পড়া অপছন্দনীয় বা মাকরূহ। রাসুল (ﷺ) বললেন, হ্যাঁ, আছে। ফজরের নামায পড়ার পর সূর্য উদয় না হওয়া পর্যন্ত নামায পড়া থেকে বিরত থাকবে। উদয় হবার পর পড়তে পার। কারণ নামাযে (ফেরেশতারা) উপস্থিত থাকেন এবং তা কবুল করা হয় তোমার মাথার উপর সূর্য তীরের ন্যায় স্থির হওয়া পর্যন্ত। যখন তোমার মাথার উপর স্থির হবে ঐ সময় জাহান্নামকে প্রজ্জ্বলিত করা হয়। আর তার দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় (তখন নামায পড়বে না) যতক্ষণ তা তোমার ডান পাশ দিয়ে পশ্চাতের দিকে চলে যায়। (অর্থাৎ যখন তুমি পূর্ব দিকে মুখ করে থাকবে তখন এ অবস্থা হবে, আর এটা হল সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ার আলামত।) যখন তোমার ডান ভ্রুর পাশ দিয়ে চলে যাবে তখন তুমি পুনরায় নামায পড়তে পার। কারণ, নামাযের সময় ফেরেশতা উপস্থিত থাকেন এবং তা কবুল করা হয়, এভাবে আসর-এর নামায আদায় না করা পর্যন্ত।
(ইবন মাজাহ। এর সনদের রাবীগণ নির্ভরযোগ্য।)
كتاب الصلاة
أبواب الأوقات المنهى عن الصلاة فيها

(1) باب جامع أوقات النهي
(182) عن صفوان بن المعطِّل الساميِّ رضى الله عنه أنَّه سأل النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم فقال يا نبيَّ الله إنِّي أسألك عمَّا أنت به عالم وأنا به جاهلٌ، قال وما هو؟ قال
هل من ساعات اللَّيل والنَّهار ساعة تكره فيها الصَّلاة؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم نعم، إذا صلَّيت الصُّبح فأمسك عن الصَّلاة حتَّى تطلع الشَّمس، فإذا طلعت فصلِّ فإنَّ الصَّلاة محضورة متقبَّلة حتَّى تعتدل على رأسك مثل الرُّمح، فإذا اعتدلت على رأسك فإنَّ تلك السَّاعة تسجر فيها جهنم وتفتح فيها أبوابها حتَّى تزول عن حاجبك الأيمن فإذا زالت عن حاجبك الأيمن فصلِّ فإن الصَّلاة محضورةٌ متقبَّلةٌ حتَّى تصلِّى العصر.
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান