মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ১৭৪
পবিত্রতা অর্জন
(৪) পরিচ্ছেদঃ গাছের মিসওয়াক ব্যবহারের পদ্ধতি এবং ওযুকারীর কুলি করার সময় আঙ্গুল দিয়ে মিসওয়াক করা প্রসঙ্গে
(১৭৪) আবূ মাতার তাবিয়ী বলেনঃ আমরা আমীরুল মু'মিনীন আলী (রা)-এর সাথে মসজিদের মধ্যে বাবুর রাহবাহ-এর পাশে বসে ছিলাম। এমতাবস্থায় একব্যক্তি সেখানে আগমন করে। সে বলেঃ আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওযু দেখান। সময়টি ছিল দ্বিপ্রহর। তখন তিনি তাঁর খাদিম কানবারকে ডেকে বলেনঃ আমাকে একপাত্র পানি এনে দাও। এরপর তিনি তাঁর দুই হাতের তালু ও মুখমণ্ডল তিনবার ধৌত করেন। তিনবার কুরি করেন এবং তাঁর কয়েকটি আঙ্গুল মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে দেন (দাঁত ও মুখের অভ্যন্তর পরিস্কার করার জন্য)। তিনি তিনবার নাকে পানি নিয়ে নাক পরিষ্কার করেন।* (হাদীসটির বাকি অংশ ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে ওযুর বিবরণের অধ্যায়ে উল্লেখ করা হবে।) (এটা একটা দীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ, ইবন হাজার এ ধরনের হাদীসের মধ্যে এ হাদীসটিই বেশী সহীহ্ বলে মন্তব্য করেছেন।)
*টীকা: এই হাদীস থেকে জানা যায় যে, হাতের আঙুল বা অন্য যে কোনো বস্তু দিয়ে দাঁত-মুখ পরিষ্কার করলেই মিসওয়াকের বিধান পালন করা হবে। এ বিষয়ে কিছু হাদীসও বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। সে সকল হাদীসে বলা হয়েছেঃ "আঙুলই মিসওয়াক হিসাবে যথেষ্ট।" ইবন হাজার আসকালানী বলেনঃ হাদীসটির সনদ আপত্তিজনক নয়। অন্যত্র তিনি বলেছেনঃ হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে।
*টীকা: এই হাদীস থেকে জানা যায় যে, হাতের আঙুল বা অন্য যে কোনো বস্তু দিয়ে দাঁত-মুখ পরিষ্কার করলেই মিসওয়াকের বিধান পালন করা হবে। এ বিষয়ে কিছু হাদীসও বিভিন্ন গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। সে সকল হাদীসে বলা হয়েছেঃ "আঙুলই মিসওয়াক হিসাবে যথেষ্ট।" ইবন হাজার আসকালানী বলেনঃ হাদীসটির সনদ আপত্তিজনক নয়। অন্যত্র তিনি বলেছেনঃ হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে।
كتاب الطهارة
(4) باب فيما جاء في كيفية التسوك بالعود وتسوك المتوضئ بإصبعه عند المضمضة
(174) عن أبي مطر قال بينا نحن جلوس مع أمير المؤمنين علي في المسجد على باب الرحبة جاء رجل فقال أرني وضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو عند الزوال فدعا قنبرا 1 فقال ائتني بكوز من ماء فغسل كفيه ووجهه ثلاثا وتمضمض ثلاثا فأدخل بعض أصابعه في فيه واستنشق ثلاثا (الحديث سيأتي بطوله في باب صفة الوضوء إن شاء الله تعالى)