মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৬. পবিত্রতা অর্জন
হাদীস নং: ১৫০
পবিত্রতা অর্জন
(৮) পরিচ্ছেদ: পানি দ্বারা ইসতিনজা করার বিধান এবং ডান হাত দ্বারা শুপ্তাঙ্গ স্পর্শ করা ও ইসতিনজা করা নিষেধ
(১৫০) আয়িশা (রা) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর পশ্চাতদেশ তিনবার ধৌত করেন।* [হাদীসটি ইমাম আহমদ ছাড়া কেউ সংকলন করেছেন বলে জানা যায় না।
*টাকাঃ আরববাসীগণ সাধারণত মলমুত্র ত্যাগের পরে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন। ইসলামে এভাবে পরিষ্কার হওয়া বৈধ। তবে পানি ব্যবহার উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সর্বদা পানি ব্যবহার করতেন বলেই হাদীসের আলোকে বুঝা যায়। উপরন্তু তিনি পানি দিয়ে ইসতিনজা করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। আলেমগণ উল্লেখ করেছেন যে, পানি ব্যবহারের পূর্বে পাথর বা এই জাতীয় কোনো কিছু দিয়ে ময়লা মুছে ফেলা এবং এরপর পানি দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করাই সর্বোত্তম। এতে পাথর ও পানি উভয়ের সমন্বয় হয়।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী বলেন, মুসলিম উম্মাহর অধিকাংশ ফকীহ্ একমত যে, প্রথমে পাথর ব্যবহার করা এবং এরপর পানি ব্যবহার করা ইসতিনজার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পদ্ধতি। যদি কেউ শুধুমাত্র একটি দিয়ে ইসতিনজা করতে চান তাহলে তার জন্য উত্তম শুধুমাত্র পানি দিয়ে ইসতিনজা করা। তবে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হওয়া বৈধ এবং এভাবে ইসতিনজা করলেও সালাত ইত্যাদি বৈধ হবে।
*টাকাঃ আরববাসীগণ সাধারণত মলমুত্র ত্যাগের পরে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হতেন। ইসলামে এভাবে পরিষ্কার হওয়া বৈধ। তবে পানি ব্যবহার উত্তম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে সর্বদা পানি ব্যবহার করতেন বলেই হাদীসের আলোকে বুঝা যায়। উপরন্তু তিনি পানি দিয়ে ইসতিনজা করতে উৎসাহ প্রদান করেছেন। আলেমগণ উল্লেখ করেছেন যে, পানি ব্যবহারের পূর্বে পাথর বা এই জাতীয় কোনো কিছু দিয়ে ময়লা মুছে ফেলা এবং এরপর পানি দিয়ে ভাল করে পরিষ্কার করাই সর্বোত্তম। এতে পাথর ও পানি উভয়ের সমন্বয় হয়।
আল্লামা বদরুদ্দীন আইনী বলেন, মুসলিম উম্মাহর অধিকাংশ ফকীহ্ একমত যে, প্রথমে পাথর ব্যবহার করা এবং এরপর পানি ব্যবহার করা ইসতিনজার ক্ষেত্রে সর্বোত্তম পদ্ধতি। যদি কেউ শুধুমাত্র একটি দিয়ে ইসতিনজা করতে চান তাহলে তার জন্য উত্তম শুধুমাত্র পানি দিয়ে ইসতিনজা করা। তবে শুধুমাত্র পাথর ব্যবহার করে পরিষ্কার হওয়া বৈধ এবং এভাবে ইসতিনজা করলেও সালাত ইত্যাদি বৈধ হবে।
كتاب الطهارة
(8) باب في الاستنجاء بالماءو النهي عن مس الذكر باليمين والاستنجاء بها
(150) وعنها أيضا أن النبي صلى الله عليه وسلم غسل مقعدته ثلاثا
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসের ব্যাখ্যায় বলা যেতে পারে যে, আল্লাহর কাছে মিস্ওয়াক প্রিয় হওয়া ও এর বহুবিধ উপকারিতা লক্ষ্য করে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর মন চাচ্ছে যেন উম্মাতের জন্য সালাতের পূর্বে মিস্ওয়াক করা অপরিহার্য করে দেন। কিন্তু এ নির্দেশ একথা মনে করে দেন নি যে, এ নির্দেশ উম্মাতের উপর ভারী বোঝা মনে হতে পারে এবং সবার তা মান্য করা কষ্টসাধ্য হতে পারে। গভীর অভিনিবেশ সহকারে লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, এ হচ্ছে অনুপ্রেরণা ও গুরুত্বারোপ করার একটি পদ্ধতি এবং নিঃসন্দেহে প্রভাবময়ী পদ্ধতি।
জ্ঞাতব্য: এ হাদীসের কোন কোন সূত্রে "عند كل صلوة" (প্রত্যেক সালাতের সময়) এর স্থলে "عند كل وضوء" (প্রত্যেক উযূর সময়) এর উল্লেখ রয়েছে১, তবে উভয় বর্ণনার মর্ম প্রায় কাছাকাছি।
টিকা: ১. এ পর্যায়ে বুখারী শরীফের সিয়াম অধ্যায় এর "বাবুস সিওয়াকির রুতাবি ওয়াল-ইয়াবিসি লিস্ সায়িম" অনুচ্ছেদ দ্রষ্টব্য।
জ্ঞাতব্য: এ হাদীসের কোন কোন সূত্রে "عند كل صلوة" (প্রত্যেক সালাতের সময়) এর স্থলে "عند كل وضوء" (প্রত্যেক উযূর সময়) এর উল্লেখ রয়েছে১, তবে উভয় বর্ণনার মর্ম প্রায় কাছাকাছি।
টিকা: ১. এ পর্যায়ে বুখারী শরীফের সিয়াম অধ্যায় এর "বাবুস সিওয়াকির রুতাবি ওয়াল-ইয়াবিসি লিস্ সায়িম" অনুচ্ছেদ দ্রষ্টব্য।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)