মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৭. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৮২
নামাযের অধ্যায়
(১২) পরিচ্ছেদ: যারা নামায তরককারীকে কাফির মনে করে না এবং তাদের জন্য কবীরাহ গুনাহকারীদের মত শাস্তি বা ক্ষমার আশা করেন তাদের দলিল
(৮২) উবাদা ইবন্ সামিত (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (ﷺ) বলেছেন, তাঁর মুখ থেকে আমার মুখে (অর্থাৎ সরাসরি আমি তার কাছ থেকে শুনেছি) আমি বলছি না আমাকে অমুক বলেছেন; আর না বলছি অমুক বলেছেন, আল্লাহ তা'আলা তাঁর বান্দাদের উপর পাঁচ ওয়াক্ত নামায ফরয করেছেন। যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে ঐসব নামায নিয়ে সাক্ষাৎ করবে তাঁর কিছুই নষ্ট না করে, সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে এমন অবস্থায় যে, তখন আল্লাহর কাছে তার জন্য প্রতিশ্রুতি থাকবে। সে সেই প্রতিশ্রুতির কারণে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে নামাযের প্রতি অবহেলাবশত নামাযের কিছু ত্রুটি নিয়ে সে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করবে, সে এমন অবস্থায় আল্লাহর সাক্ষাত পাবে যে, তার জন্য কোন প্রতিশ্রুতি থাকবে না। আল্লাহর ইচ্ছা হয় তাকে শাস্তি দিবেন, আর ইচ্ছা হয় তাকে ক্ষমা করে দিবেন।
(মালিক, নাসাঈ, ইব্‌ন মাজাহ, ইবন্ হিব্বান ও ইবনুস সাকান কর্তৃক বর্ণিত। ইবন্ আব্দুল বার বলেন, হাদীসটি সহীহ ও প্রমাণিত।)
كتاب الصلاة
(12) باب حجة من لم يكفر تارك الصلاة ورجا له ما يرجى لاهل الكبائر
(82) عن عبادة بن الصامت رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من فيه إلى فىَّ، لا أقول حدَّثنى فلانٌ ولا فلانٌ، خمس صلواتٍ أفترضهنَّ الله على عباده فمن لقيه بهنَّ لم يضيِّع منهنَّ شيئًا لقيه وله عنده عهدٌ يدخله به
الجنَّة، ومن لقيه وقد انتقص منهنَّ شيئًا استخفافًا بحقِّهنَّ لقيه ولا عهد له، إن شاء عذَّبه وإن شاء غفر له
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান