মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
৭. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৬৪
নামাযের অধ্যায়
(৮) নফল নামাযের ফযীলত এবং নফল দ্বারা ফরয এর ক্ষতিপূরণ প্রসঙ্গে
(৬৪) আনাস ইবন্ হাকীম আদ্দাববী থেকে বর্ণিত, যে তিনি যিয়াদ বা ইবন যিয়াদের সময় ভয় পাচ্ছিলেন, এ সময় তিনি মদীনায় আসলেন। তখন আবু হুরায়রার (রা) সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হলো। তখন তিনি আমার বংশ পরিচয় জানতে চাইলে আমি তাঁকে বংশ পরিচয় জানালাম। তখন তিনি আমাকে বললেন, হে যুবক! আমি কি তোমাকে এমন এক হাদীস শুনাব যার দ্বারা আল্লাহ হয়তবা তোমার উপকার করবেন, আমি বললাম, হ্যাঁ, আল্লাহ আপনার উপর মেহেরবানী করুন। তিনি বললেন, কিয়ামত দিবসে মানুষের সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে নামাযের। তিনি বলেন, তখন আমাদের মহান প্রভু তাঁর ফেরেশতাদেরকে উদ্দেশ্য করে বলবেন-অথচ তিনি এ ব্যাপারে বেশী জানেন-, আমার বান্দার নামাযের দিকে তাকাও। তারা কি তা পূর্ণ করেছে, নাকি তাতে অপূর্ণতা আছে? যদি তা পূর্ণ হয় তখন (তার আমলনামায়) পূর্ণ কথাটি লিখা হবে। আর যদি তাতে কিছু অপূর্ণতা থাকে তখন বলবেন, দেখ, আমার বান্দার কোন নফল নামায আছে কি না? যদি তার কোন নফল থাকে তখন বলবেন, আমার বান্দার ফরযের ক্রটিগুলো তার নফল থেকে পূর্ণ করে দাও। অতঃপর তার অন্যান্য আমলগুলোরও এভাবেই হিসাব নেয়া হবে।
ইউনুস (জনৈক রাবী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি হাদীসটি মহানবী (ﷺ) থেকে শুনার কথা বলেছেন।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে,) তিনি বলেন, আবু হুরায়রা আমাকে বলেছেন, তুমি মিসরবাসীর কাছে গেলে তাদেরকে জানাবে যে, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বান্দার যে জিনিসটির সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে তা হলো তার ফরয নামায। তা যদি সঠিক হয়, (অপর এক বর্ণনায় আছে) যদি তা পরিপূর্ণ হয় (তাহলে তো হলোই।) আর যদি অসম্পূর্ণ হয় তখন তা তার নফল নামায দ্বারা পূর্ণ করা হবে। অতঃপর তার সকল ফরয আমলগুলোর ক্ষেত্রেও অনুরূপ করা হবে।
(আবূ দাউদ ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির এ সনদ উত্তম। তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অপর এক রাবী থেকে।)
ইউনুস (জনৈক রাবী) বলেন, আমার মনে হয় তিনি হাদীসটি মহানবী (ﷺ) থেকে শুনার কথা বলেছেন।
(তাঁর থেকে দ্বিতীয় এক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে,) তিনি বলেন, আবু হুরায়রা আমাকে বলেছেন, তুমি মিসরবাসীর কাছে গেলে তাদেরকে জানাবে যে, আমি রাসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, বান্দার যে জিনিসটির সর্বপ্রথম হিসাব নেয়া হবে তা হলো তার ফরয নামায। তা যদি সঠিক হয়, (অপর এক বর্ণনায় আছে) যদি তা পরিপূর্ণ হয় (তাহলে তো হলোই।) আর যদি অসম্পূর্ণ হয় তখন তা তার নফল নামায দ্বারা পূর্ণ করা হবে। অতঃপর তার সকল ফরয আমলগুলোর ক্ষেত্রেও অনুরূপ করা হবে।
(আবূ দাউদ ও নাসাঈ কর্তৃক বর্ণিত। হাদীসটির এ সনদ উত্তম। তিরমিযীও হাদীসটি বর্ণনা করেছেন অপর এক রাবী থেকে।)
كتاب الصلاة
(8) باب فضل صلاة التطوع وجبر الفرائضى بالنواقل
(64) عن أنس بن حكيمٍ الضَّبِّيِّ أنَّه خاف زمن زيادٍ أو ابن زيادٍ
فأتى المدينة فلقى أبا هريرة رضى الله عنه، قال فانتسبني فانتسبت له فقال يا فتى ألا أحدَّثك حديثًا لعلَّ الله أن ينفعك به، قلت بلى رحمك الله، قال إن أوَّل ما يحاسب به النَّاس يوم القيامة من الصَّلاة، قال يقول ربُّنا عزَّ وجلَّ لملائكته وهو أعلم انظروا فى صلاة عبدى أتمَّها أم نقصها فإن كانت تامَّةً كتبت له تامَّةً، وإن كان انتقص منها شيئًا قال انظروا هل لعبدي من تطوعٍ، فإن كان له تطوعٌ، قال أتمُّوا لعبدى فريضته من تطوُّعه، ثمَّ تؤخذ الأعمال على ذلكم، قال يونس (أحد الرُّواة) وأحبه قد ذكر النَّبي صلى الله عليه وسلم
(وعنه من طريقٍ ثان) قال قال لى أبو هريرة إذا أتيت أهل مصر فأخبرهم أنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أوَّل شيءٍ مَّما يحاسب به العبد يوم القيامة صلاته المكتوبة، فإن صلحت (وفى روايةٍ فإن أتمَّها) وإلاَّ زيد فيها من تطوُّعه ثمَّ يفعل بسائر الأَّعمال المفروضة كذلك
فأتى المدينة فلقى أبا هريرة رضى الله عنه، قال فانتسبني فانتسبت له فقال يا فتى ألا أحدَّثك حديثًا لعلَّ الله أن ينفعك به، قلت بلى رحمك الله، قال إن أوَّل ما يحاسب به النَّاس يوم القيامة من الصَّلاة، قال يقول ربُّنا عزَّ وجلَّ لملائكته وهو أعلم انظروا فى صلاة عبدى أتمَّها أم نقصها فإن كانت تامَّةً كتبت له تامَّةً، وإن كان انتقص منها شيئًا قال انظروا هل لعبدي من تطوعٍ، فإن كان له تطوعٌ، قال أتمُّوا لعبدى فريضته من تطوُّعه، ثمَّ تؤخذ الأعمال على ذلكم، قال يونس (أحد الرُّواة) وأحبه قد ذكر النَّبي صلى الله عليه وسلم
(وعنه من طريقٍ ثان) قال قال لى أبو هريرة إذا أتيت أهل مصر فأخبرهم أنِّي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول أوَّل شيءٍ مَّما يحاسب به العبد يوم القيامة صلاته المكتوبة، فإن صلحت (وفى روايةٍ فإن أتمَّها) وإلاَّ زيد فيها من تطوُّعه ثمَّ يفعل بسائر الأَّعمال المفروضة كذلك