মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)

৬. পবিত্রতা অর্জন

হাদীস নং: ৩১
আন্তর্জাতিক নং: ৭৫২৫ -
পবিত্রতা অর্জন
(৯) পরিচ্ছেদঃ পানিতে পেশাব করা এবং তা দিয়ে ওযু বা গোসল করার বিধান
(৩১) আবূ হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের কেউ যেন কখনো অপ্রবাহমান স্থির পানিতে পেশাব না করে, অতঃপর তাতে ওযূ না করে। (দ্বিতীয় বর্ণনায় ওযূর বদলে গোসলের কথা বলা হয়েছে।)
كتاب الطهارة
(9) باب في حكم البول في الماء الدائم وحكم الوضوء أو الاغتسالمنه
(31) عن أبي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبولن أحدكم في الماء الدائم ثم يتوضأ منه (وفي رواية ثم يغتسل (2) منه) بدل يتوضأ

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(تخريجه) الرواية الأولى من الحديث أخرجها عبد الرزاق وابي شيبة وابن حبان والترمذى وقال هذا حديث حسن صحيح (والثانية) أخرجها (قد) الا انها عندهم بلفظ يغتسل فيه بدل منه (والثالثة) أخرجها (خ) بلفظ (لا يبولن أحدكم في الماء الدائم الذي لا يجري ثم يغتسلفيه) وأخرجها مسلم بلفظ حديث الباب

(হাদীসটি বিভিন্ন সনদে ও ভাষায় বুখারী, মুসলিম ও অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ সংকলন করেছেন।).....

হাদীসের ব্যাখ্যা:

কোন মানুষ যদি গোসলখানায় পেশাব করার পর সেস্থানে গোসল কিংবা উযূ করে, তা হবে নির্ঘাত শিষ্টাচার বিবর্জিত কাজ। কারণ এহেন কাজের একটি খারাপ পরিণতিও রয়েছে। তা হলো এতে পেশাবের ছিটা লাগার সম্ভাবনা থেকে যায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বাণী শেষাংশ থেকে বুঝা যায় যে, গোসলখানায় পেশাব করার পর গোসল কিংবা উযূ করা হলে যদি তার ফোটা শরীরে কিংবা পোশাকে লাগার আশংকা থেকে যায় তবে তা নিষেধের আওতাভূক্ত। অন্যথায় গোসলখানা যদি এরূপ তৈরি করা হয় যে, পেশাবের স্থান আলাদা এবং পানি ঢেলে দেওয়ার পর তা বিদূরিত হয়ে স্থান পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়, তবে এক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা বিধান প্রযোজ্য হবে না।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান