মুসনাদে আহমদ- ইমাম আহমদ রহঃ (আল-ফাতহুর রব্বানী)
১. একত্ববাদ ও দীনের মূল ভিত্তিসমূহের আলোচনা
হাদীস নং: ২৯
আন্তর্জাতিক নং: ২২১০২
একত্ববাদ ও দীনের মূল ভিত্তিসমূহের আলোচনা
(৪) পরিচ্ছেদঃ একত্ববাদী মু’মিনগণের প্রাপ্য নিয়ামতরাজি ও পুরষ্কার এবং মুশরিকদের জন্য নির্ধারিত ভয়াবহ তিরষ্কার ও শাস্তি প্রসঙ্গে
(২৯) মুআয বিন জাবাল (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন; আমাকে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ জান্নাতের চাবি হচ্ছে এ সাহ্ম্য প্রদান করা যে, আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ বা উপাস্য নেই। [আহমদ ও আল-বাযযার]
كتاب التوحيد
(4) باب فيما جاء في نعيم الموحدين وثوابهم ووعيد المشركين وعقابهم
(29) وعن معاذ بن جبل رضى الله عنه قال قال لى رسول الله صلى الله عليه وسلم مفاتيح الجنة شهادة ان لا اله الا الله
হাদীসের ব্যাখ্যা:
এ হাদীসে শুধুমাত্র তাওহীদের শাহাদত দানের বিষয়টি উল্লিখিত হয়েছে। এর এক অর্থ হল ঈমানের দাওয়াত কবুল করা এবং ইসলামকে নিজের দীন হিসেবে গ্রহণ করা যেরূপ উর্দু ভাষায় 'কালেমা পড়া' কে ইসলাম কবুল করার অর্থে ব্যবহার করা হয় সেরূপ তাওহীদের শাহাদত প্রদানের অর্থ ইসলাম কবুল করা। যে পরিস্থিতি ও পরিবেশে আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এসব ইরশাদ করেছেন তাতে মুসলমান এবং কাফের মশরিক ব্যক্তিও এ কথা বলেন যে তাওহীদ ও রেসালতের শাহাদত এবং লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর শাহাদাত প্রদানের অর্থ ঈমান গ্রহণ এবং ইসলাম কবুল করা।
বিঃদ্রঃ- কালেমার সাক্ষ্য দানের অর্থ মৌখিক সাক্ষ্য দান করাই নয়, কর্ম জীবনে বাস্তব সাক্ষ্য দান করা। তাওহীদ ও রিসালতের শাহাদতের মাধ্যমে বিশ্বাসী বান্দা নিজেকে ইসলামের কাছে পরিপূর্ণভাবে সোপর্দ করেছেন। তিনি যে স্বপ্ন দেখেন তা ইসলামের জন্যই দেখেন, তিনি যে চিন্তা করেন তা ইসলামের জন্যই করেন। তিনি যে কাজ করেন তা ইসলামের কল্যাণের জন্য করেন এবং যখন আল্লাহর হুকুমের পরিপন্থী কিছু দেখেন তখন তার মন ব্যথিত হয় এবং তা দূর করার জন্য সংগ্রাম শুরু করেন। বস্তুতঃ এ ধরনের বিশ্বাসী বান্দাদের জন্যই বেহেশতের সুসংবাদ দান করা হয়েছে। কালেমা পাঠ করার পরও যে ব্যক্তি বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীর মধ্যে কোন পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারে না তাকে সারা দুনিয়ার মানুষ মুসলমান বললেও আল্লাহর দরবারে তার মর্যাদা কি হবে তা আল্লাহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন।
বিঃদ্রঃ- কালেমার সাক্ষ্য দানের অর্থ মৌখিক সাক্ষ্য দান করাই নয়, কর্ম জীবনে বাস্তব সাক্ষ্য দান করা। তাওহীদ ও রিসালতের শাহাদতের মাধ্যমে বিশ্বাসী বান্দা নিজেকে ইসলামের কাছে পরিপূর্ণভাবে সোপর্দ করেছেন। তিনি যে স্বপ্ন দেখেন তা ইসলামের জন্যই দেখেন, তিনি যে চিন্তা করেন তা ইসলামের জন্যই করেন। তিনি যে কাজ করেন তা ইসলামের কল্যাণের জন্য করেন এবং যখন আল্লাহর হুকুমের পরিপন্থী কিছু দেখেন তখন তার মন ব্যথিত হয় এবং তা দূর করার জন্য সংগ্রাম শুরু করেন। বস্তুতঃ এ ধরনের বিশ্বাসী বান্দাদের জন্যই বেহেশতের সুসংবাদ দান করা হয়েছে। কালেমা পাঠ করার পরও যে ব্যক্তি বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীর মধ্যে কোন পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারে না তাকে সারা দুনিয়ার মানুষ মুসলমান বললেও আল্লাহর দরবারে তার মর্যাদা কি হবে তা আল্লাহ রব্বুল আলামীনই ভাল জানেন।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)