আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ৮০০
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ)-এর মিষ্টি ভাষণ ও শুভ লক্ষণ গ্রহণের প্রতি অনুরাগের বর্ণনা
৮০০। হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর দরবারে এক ব্যক্তির আলোচনা উঠলো। লোকটির নাম ছিলো শিহাব। নবী (ﷺ) (তাকে উদ্দেশ্য করে) বললেন, তুমি শিহাব নও বরং তুমি হিশাম।
أبواب الكتاب
ذِكْرُ مَحَبَّتِهِ لِلْفألِ وَالْحَسَنِ مِنَ الْقَوْلِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
800 - أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي عَاصِمٍ، نَا عَمْرُو بْنُ مَرْزُوقٍ، نَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ زُرَارَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا، قَالَتْ: ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ رَجُلٌ يُقَالُ لَهُ: شِهَابٌ فَقَالَ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَنْتَ هِشَامٌ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
অপর একটি বর্ণনার মধ্যেও উপরোক্ত বক্তব্য বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, একবার হযরত যায়নাব বিন্ত সাদ (রা)-এর পিতামহ হযরত হিশাম ইব্ন আমির নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খেদমতে খেজুরের একটি টুক্রি নিয়ে উপস্থিত হন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তোমার নাম কি? তিনি বললেন, আমার নাম শিহাব। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শিহাব শব্দটি তো হলো জাহান্নামের একটি নাম। অতএব (তুমি শিহাব নও বরং) তুমি হলে হিশাম । অর্থাৎ তুমি এ নাম পরিবর্তন করে হিশাম নাম অবলম্বন কর। সাহাবী তাই করেন।
অপর একটি হাদীসে বলা হয়েছে যে, একজন সাহাবীর নাম ছিল গুরাব (অর্থাৎ কাক)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই নাম বদলিয়ে দিয়ে মুসলিম নাম রেখে দিলেন। এ সকল হাদীসের আলোকে বোঝা যায় যে, প্রথম থেকে যদি কারোর নাম এ ধরনের মন্দ কিংবা অর্থহীন শব্দের হয়ে থাকে তা হলে যে নাম বদলিয়ে নিতে কোন আপত্তি থাকা ঠিক নয় বরং মন্দ নামটি ত্যাগ করে একটি ভাল নাম গ্রহণ করাই উচিত। তা হলে নামের ক্ষেত্রে ইসলামের প্রতীক এবং ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি কায়েম থাকবে। লোকজনও তাকে এ ভাল নামের মাধ্যমে স্মরণ করবে, তার নাম থেকে শুভ লক্ষণ গ্রহণ করবে।
অপর একটি হাদীসে বলা হয়েছে যে, একজন সাহাবীর নাম ছিল গুরাব (অর্থাৎ কাক)। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই নাম বদলিয়ে দিয়ে মুসলিম নাম রেখে দিলেন। এ সকল হাদীসের আলোকে বোঝা যায় যে, প্রথম থেকে যদি কারোর নাম এ ধরনের মন্দ কিংবা অর্থহীন শব্দের হয়ে থাকে তা হলে যে নাম বদলিয়ে নিতে কোন আপত্তি থাকা ঠিক নয় বরং মন্দ নামটি ত্যাগ করে একটি ভাল নাম গ্রহণ করাই উচিত। তা হলে নামের ক্ষেত্রে ইসলামের প্রতীক এবং ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতি কায়েম থাকবে। লোকজনও তাকে এ ভাল নামের মাধ্যমে স্মরণ করবে, তার নাম থেকে শুভ লক্ষণ গ্রহণ করবে।