আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ৭৭৬
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) যে সব দিনে সফরে যাত্রা করতে ভালবাসতেন এবং সফর চলাকালীন সময়ে তাঁর আমলের বর্ণনা
৭৭৬। হযরত শারীদ হামদানী (রা) (যার মামার বংশ ছিল সাকীফ গোত্র) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, বিদায় হজ্জের সময় আমরা নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে ছিলাম। একবার আমি পায়ে হেঁটে পথ চলছিলাম। হঠাৎ পেছন দিক থেকে উট চলার আওয়াজ শুনতে পেয়ে আমি পেছনের দিকে তাকালাম। তখন চেয়ে দেখলাম, (উটের উপর আরোহণ করে আসছেন) নবী (ﷺ)। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি শারীদ? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি বললেন, আমি তোমাকে সওয়ারীর উপর তুলে নিবো কি? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। অথচ আমি তখন না অক্ষম ছিলাম আর না পথক্লান্ত। তবে আমি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সঙ্গে সওয়ারীতে আরোহণ করে বরকত অর্জনের ইচ্ছা করলাম। তখন নবী (ﷺ) তাঁর সওয়ারী বসালেন এবং আমাকে নিজের সঙ্গে তুলে নিলেন।
أبواب الكتاب
ذِكْرُ مَحَبَّتِهِ لِلْيَوْمِ الَّذِي يُسَافَرُ فِيهِ وَفِعْلِهِ فِي سَفَرِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
776 - حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ رَاشِدٍ، نَا إِبْرَاهِيمُ الْجَوْهَرِيُّ، نَا أَبُو أُسَامَةَ، نَا حَاتِمٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ رَافِعٍ، عَنْ شَرِيدٍ الْهَمْدَانِيِّ، وَأَخْوَالُهُ ثَقِيفٌ، قَالَ: كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ، فَبَيْنَا أَنَا أَمْشِي إِذَا وَقْعُ نَاقَةٍ خَلْفِي، فَالْتَفَتُّ، فَإِذَا النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَقَالَ: الشَّرِيدُ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: أَلَا أَحْمِلُكَ؟ قُلْتُ: بَلَى، وَمَا بِيَ عَنَاءٌ، وَلَا لُغُوبٌ، وَلَكِنِّي أَرَدْتُ الْبَرَكَةَ فِي رُكُوبِي مَعَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَأَنَاخَ، فَحَمَلَنِي
হাদীসের ব্যাখ্যা:
উপরোক্ত হাদীস থেকে বোঝা যায় যে, বুযুর্গদের সুহবত ও সঙ্গলাভ বরকত অর্জনের অন্যতম উপায়। সে সব মানুষ খুবই ভাগ্যবান যা یک زمانہ صحبت با اولیاء بہتر ازصد سالہ طاعت دمے ریا রা বুযুর্গানে দীন ও নেকবখ্ত মানুষের সঙ্গ লাভে ধন্য হয়েছেন। কোন সাধক যথার্থই বলেছেনঃ
“সামান্য কিছু সময় হলেও আউলিয়ার সান্নিধ্যে অবস্থান করা শতবর্ষ যাবত রিয়াহীন ইবাদত বন্দেগীতে লিপ্ত থাকার চেয়েও উত্তম।”
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপরোক্ত আমল থেকে আরো একটি শিক্ষা পাওয়া যাচ্ছে যে, সাওয়ারীর উপর আরোহীদের উচিত যে, তারা যখন কোন পায়ে হেঁটে চলা অক্ষম কিংবা দুর্বল ব্যক্তিকে দেখবেন তখন যথাসম্ভব তার সাহায্য করবেন। এর দ্বারা কেবল মানবতার সেবাই নয়, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি মূল্যবান সুন্নতের উপরও আমল হয়ে যায়। অবশ্য আজকালের যুগ ফিত্না ও ধোঁকার যুগ। কাজেই সেবার পূর্বে নিজে সে ব্যক্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া চাই । এমন অবস্থা যেন না ঘটে যে, সেবা বিপদ ডেকে আনছে।
“সামান্য কিছু সময় হলেও আউলিয়ার সান্নিধ্যে অবস্থান করা শতবর্ষ যাবত রিয়াহীন ইবাদত বন্দেগীতে লিপ্ত থাকার চেয়েও উত্তম।”
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপরোক্ত আমল থেকে আরো একটি শিক্ষা পাওয়া যাচ্ছে যে, সাওয়ারীর উপর আরোহীদের উচিত যে, তারা যখন কোন পায়ে হেঁটে চলা অক্ষম কিংবা দুর্বল ব্যক্তিকে দেখবেন তখন যথাসম্ভব তার সাহায্য করবেন। এর দ্বারা কেবল মানবতার সেবাই নয়, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর একটি মূল্যবান সুন্নতের উপরও আমল হয়ে যায়। অবশ্য আজকালের যুগ ফিত্না ও ধোঁকার যুগ। কাজেই সেবার পূর্বে নিজে সে ব্যক্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া চাই । এমন অবস্থা যেন না ঘটে যে, সেবা বিপদ ডেকে আনছে।