আখলাকুন্নবী (ﷺ)

কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ

হাদীস নং: ১৬৯
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
উম্মতের প্রতি নবী (ﷺ) -এর সহানুভূতি সম্পর্কিত রিওয়ায়াতসমূহ
১৬৯। হযরত জাবির ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) একুশটি যুদ্ধে স্বয়ং অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে উনিশটিতেই আমি শামিল থাকি। অবশিষ্ট দু’টির মধ্যে উপস্থিত ছিলাম না। একবার আমি নবী (ﷺ)-এর সঙ্গে যুদ্ধে যাত্রা করেছিলাম। এমন সময় রাত্রিকালে আমার উটটি হ্যাঁটতে অক্ষম হয়ে পড়ল। নবী (ﷺ) পেছনের লোকজনের সাথে আমাদের পেছনে আসছিলেন। পেছনের লোকজনের সাথে তাঁর আসার উদ্দেশ্য ছিল এই যে, তিনি পেছন থেকে দুর্বলদেরকে চলতে সাহায্য করতেন, প্রয়োজনের মুহূর্তে তাদেরকে নিজের বাহনে আরোহণ করিয়ে নিতেন এবং দুর্বলদের জন্য দুআ করতে থাকতেন। (পথ চলতে চলতে আমিও পেছনে পড়ে গিয়েছিলাম) তিনি যখন আমার কাছে আসলেন আমি তখন নিজের দুর্বলতা ও অক্ষমতার দরুন নিজে নিজেকে তিরস্কার করছিলাম। হায়! আমার মায়ের বিনাশ! কেননা আমার উট অক্ষম হয়ে গিয়েছে। এ সময় নবী (ﷺ) জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কে? আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আপনার প্রতি আমার মাতাপিতা কুরবান হোক, আমি জাবির ইব্‌ন আব্দুল্লাহ্ । তিনি বললেন, তোমার কি হয়েছে ? আমি বললাম আমার উটটি (ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে বসে গেছে আর দাঁড়াচ্ছে না)। তিনি বললেন, তোমার হাতে (হাঁকিয়ে নেওয়ার কোন) লাঠি আছে কি? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ, আছে। তখন তিনি লাঠির সাহায্যে উটটিকে প্রহার করলেন, এটি দাঁড়াল। তারপর পুনরায় উটটিকে বসিয়ে সম্মুখের পা দু’টি সজোরে চিপে দিলেন। তারপর আমাকে বললেন, যাও, আরোহণ কর। আমি উটটির পিঠে আরোহণ করলাম এবং চালাতে থাকলাম। দেখলাম, নবী (ﷺ) -এর মুবারক হাতের স্পর্শের কারণে আমার উটটি তাঁর উট থেকেও আগে আগে চলতে শুরু করেছে । নবী (ﷺ) সে রাতে আমার পঁচিশবার মাগফিরাতের দুআ করেন। তারপর তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার পিতা আব্দুল্লাহ মৃত্যুকালে কতজন সন্তান রেখে গিয়েছেন ? আমি বললাম, সাত কন্যা। তিনি বললেন, তার উপর কি কিছু ঋণও ছিল ? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি বললেন, এবার মদীনায় ফিরে গিয়ে ঋণদাতাদের সাথে একটা ফয়সালা করে নিও। তারা যদি তোমার ফয়সালা মানতে অস্বীকৃতি জানায় তাহলে খেজুর আহরণের মৌসুমে তুমি আমাকে সংবাদ দিবে। তারপর তিনি আমার প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বিবাহ করেছ ? আমি বললাম, জ্বী, হ্যাঁ। তিনি বললেন, কাকে বিবাহ করেছ ? আমি বললাম, অমূকের বিধবা কন্যা। তারা মদীনাতেই বসবাস করে। তিনি বললেন, কোনো কুমারীকে বিয়ে করলে না কেন ? তাহলে সে তোমার জন্য এবং তুমি তার জন্য অধিকতর মনস্তুষ্টি ও ভালবাসার কারণ হতে। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্। আমাদের ঘরে অনভিজ্ঞ কুমারীরা আছে। (অর্থাৎ আমার ছোট বোনেরা সকলে কুমারী) কাজেই আমি তাদের সমবয়সের আরেকজন কুমারীকে ঘরে আনা পছন্দ করিনি। আমি সিদ্ধান্ত করেছিলাম কোন একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মহিলাকে ঘরে আনা হলে আমার পারিবারিক কাজকর্মে অধিকতর কল্যাণজনক প্রমাণিত হবে। নবী (ﷺ) তুমি ঠিক কাজ করেছ এবং উত্তম পথ অবলম্বন করেছ। তারপর নবী (ﷺ) করলেন যে, এ উট তুমি কত মূল্যে খরিদ করেছিলে ? আমি বললাম, পাঁচ উকিয়া স্বর্ণের বিনিময়ে । তিনি বললেন, উটটি আমি তোমার কাছ থেকে খরিদ করে নিলাম। এরপর মদীনা শরীফ পৌছে আমি উটটি নবী (ﷺ) -এর খেদমতে পেশ করে দেই। তিনি হযরত বিলালকে ডেকে বললেন, বিলাল তুমি জাবিরকে পাঁচ উকিয়া স্বর্ণ পরিশোধ কর। সে (তার পিতা হযরত) আব্দুল্লাহ্‌ ঋণ শোধে এ অর্থ ব্যয় করবে। তাকে আমার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত আরো তিন উকিয়া স্বর্ণ দিয়ে দিবে এবং তাকে তার উটটিও ফিরিয়ে দিবে।
তারপর নবী (ﷺ) আমাকে বললেন, তুমি তোমার পিতা আব্দুল্লাহ্‌ ঋণদাতাদের সঙ্গে কথাবার্তা ঠিক করেছ কি ? আমি বললাম, জী না। নবী (ﷺ) বললেন, আব্দুল্লাহ্ কি এতটুকু সম্পদ রেখে গেছে যা দিয়ে ঋণ শোধ করা সম্ভব ? আমি বললাম, জী না। তিনি বললেন, ঠিক আছে কোন অসুবিধা হবে না। তোমাদের বাগানে খেজুর আহরণের সময় ঘনিয়ে এলে আমাকে সংবাদ দিও। সে মতে আমি (সময়মত) নবী (ﷺ) -কে স্মরণ করিয়ে দিলে তিনি আগমন করলেন এবং আমাদের জন্য দুআ করলেন। (তাঁর সে দুআর বরকতে) খেজুর থেকে ঋণদাতা সকলের পাওনা পরিপূর্ণভাবে শোধ করে দেওয়া হলো। তারপর আমাদের হাতে সেই পরিমাণ খেজুর অবশিষ্ট রয়ে গেল যতটুকু আমরা অন্যান্য বছর আহরণ করতাম। এমনকি অবশিষ্ট অংশ অন্যান্য বছরের তুলনায় পরিমাণে কিছু বেশীও ছিল । তারপর নবী (ﷺ) আমাকে বললেন, এ খেজুরগুলি ঘরে নিয়ে যাও। তবে দেখ এগুলিকে পরিমাপ করবে না। সে মতে আমার উক্ত খেজুর বহুদিন পর্যন্ত খেতে থাকি।
أبواب الكتاب
مَا رُوِيَ فِي رِفْقِهِ بِأُمَّتِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
169 - حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ إِدْرِيسَ، نَا الْفَضْلُ بْنُ شَاذَانَ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو زُنَيْجٌ أَبُو زُهَيْرٍ، نَا الْحَجَّاجُ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ الصَّوَّافُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: غَزَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِحْدَى وَعِشْرِينَ غَزْوَةً بِنَفْسِهِ، شَهِدْتُ تِسْعَ عَشْرَةَ، غِبْتُ عَنِ اثْنَتَيْنِ، فَبَيْنَا أَنَا مَعَهُ فِي بَعْضِ غَزَوَاتِهِ، إِذْ أَعْيَى نَاضِحِي تَحْتَ اللَّيْلِ فَبَرَكَ، وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي آخِرِنَا، فِي أُخْرَيَاتِ النَّاسِ، فَيُزْجِي الضَّعِيفَ، وَيُرْدِفُ، وَيَدْعُو لَهُمْ، فَانْتَهَى إِلَيَّ وَأَنَا أَقُولُ: يَالَهْفَ أُمَّتَاهُ وَمَا زَالَ لَنَا نَاضِحُ سَوْءٍ فَقَالَ: مَنْ هَذَا؟ قُلْتُ: أَنَا جَابِرٌ، بِأَبِي وَأُمِّي يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: مَا شَأْنُكَ؟ قُلْتُ: أَعْيَى نَاضِحِي، فَقَالَ: أَمَعَكَ عَصًا؟ قُلْتُ: نَعَمْ، فَضَرَبَهُ، ثُمَّ بَعَثَهُ، ثُمَّ أَنَاخَهُ، وَوَطِئَ عَلَى ذِرَاعِهِ، وَقَالَ: ارْكَبْ، فَرَكِبْتُ، فَسَايَرْتُهُ، فَجَعَلَ جَمَلِي يَسْبِقْهُ، فَاسْتَغْفَرَ لِي تِلْكَ اللَّيْلَةَ خَمْسًا وَعِشْرِينَ مَرَّةً، فَقَالَ لِي: مَا تَرَكَ عَبْدُ اللَّهِ مِنَ الْوَلَدِ؟ يَعْنِي أَبَاهُ، قُلْتُ سَبْعَ نِسْوَةٍ، قَالَ: أَتْرَكَ عَلَيْهِ دَيْنًا؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَإِذَا قَدِمْتَ الْمَدِينَةَ فَقَاطِعْهُمْ، فَإِنْ أَبَوْا فَإِذَا حَضَرَ جِدَادُ نَخْلِكُمْ فَآذِنِّي، وَقَالَ لِي: هَلْ تَزَوَّجْتَ؟ قُلْتُ: نَعَمْ، قَالَ: مِمَّنْ؟ قُلْتُ: بِفُلَانَةَ بِنْتِ فُلَانٍ، بِأَيِّمٍ كَانَتْ بِالْمَدِينَةِ، قَالَ: فَهَلَّا فَتَاةً تُلَاعِبُهَا وَتُلَاعِبُكَ؟ قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ كُنَّ عِنْدِي نِسْوَةٌ خُرْقٌ، يَعْنِي أَخَوَاتِهِ، فَكَرِهْتُ أَنْ آتِيَهُنَّ بِامْرَأَةٍ خَرْقَاءَ، فَقُلْتُ: هَذِهِ أَجْمَعُ لِأَمْرِي، قَالَ: فَقَدْ أَصَبْتَ وَرَشَدْتَ، فَقَالَ: بِكُمِ اشْتَرَيْتَ جَمَلَكَ؟ قُلْتُ: بِخَمْسِ أَوَاقٍ مِنْ ذَهَبٍ، قَالَ: قَدْ أَخَذْنَاهُ، فَلَمَّا قَدِمَ الْمَدِينَةَ أَتَيْتُهُ بِالْجَمَلِ فَقَالَ يَا بِلَالُ أَعْطِهِ خَمْسَ أَوْرَاقٍ مِنْ ذَهَبٍ، يَسْتَعِينُ بِهَا فِي دَيْنِ عَبْدِ اللَّهِ، وَزِدْهُ ثَلَاثًا وَارْدُدْ عَلَيْهِ جَمَلَهُ، قَالَ: هَلْ قَاطَعْتَ غُرَمَاءَ عَبْدِ اللَّهِ؟ قُلْتُ: لَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: أَتَرَكَ وَفَاءً؟ قُلْتُ: لَا، قَالَ: لَا عَلَيْكَ، إِذَا حَضَرَ جِدَادُ نَخْلِكُمْ فَآذِنِّي، فَآذَنْتُهُ، فَجَاءَ [ص:455] فَدَعَا لَنَا فَاسْتَوْفَى كُلُّ غَرِيمٍ مَا كَانَ يَطْلُبُ تَمْرًا، وَفَاءً وَبَقِيَ لَنَا مَا كُنَّا نَجِدُ وَأَكْثَرُ، فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ارْفَعُوا وَلَا تَكِيلُوا، فَرَفَعْنَا، فَأَكَلْنَا مِنْهُ زَمَانًا

হাদীসের ব্যাখ্যা:

আলোচ্য হাদীসে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দু’টি মুজিযার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। একটি হলো, তাঁর দু’আর বরকতে ক্লান্ত হয়ে পড়া অক্ষম একটি উট পুনরায় শক্তি লাভ করে এবং দ্রুত গতিতে চলতে আরম্ভ করে। আর অপরটি হলো, তাঁর বরকতে সামান্য পরিমাণের খেজুর এত অধিক পরিমাণের হলো যে, তা থেকে সকল ঋণ পরিশোধ করেও অতিরিক্ত রয়ে গেল। এমন কি অন্যান্য মৌসূমে যে পরিমাণ খেজুর জাবির (রা) বাগান থেকে পেতেন তার চেয়েও বেশি রয়ে গেল। উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণনা করা গ্রন্থকারের উদ্দেশ্য হলো উম্মতের প্রতি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মমত্ববোধ ও আন্তরিকতার দৃষ্টান্ত পেশ করা। বিশেষত তিনি সহায়-সম্বলহীন দরিদ্র মানুষের সাথে কতটুকু সহানুভূতি প্রদর্শন এবং তাদেরকে কত সাহায্য করতেন এ কথার প্রমাণ পেশ করা। এ হাদীসে সুস্পষ্ট বিবরণ বিদ্যমান যে, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ (রা)-কে কেবল মৌখিকভাবেই সহানুভূতি প্রদর্শন করে ক্ষান্ত হননি বরং তাঁর পিতার রেখে যাওয়া ঋণ পরিশোধের জন্য আর্থিকভাবেও সাহায্য করেন। তিনি তাঁর বাগানে উৎপাদিত খেজুরে বরকতের জন্য দু’আ করেন। ফলে আল্লাহ্ পাক তাঁর ঋণসমূহ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন। অধিকন্তু তাঁর পরিবারের আহারের জন্য তাঁর কাছে যথেষ্ট পরিমাণে উদ্বৃত্তও থেকে যায় ।
বর্ণিত হাদীসের ঘটনাটির মধ্যে সমবেদনা ও আর্থিক সাহায্যের এ বিষয়টি মনস্তত্বের দিক থেকে অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও শিক্ষামূলক। এখানে দু’জাহানের রহমত প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত জাবির (রা)-এর মন থেকে অনুগ্রহ প্রাপ্তির বোঝা লাঘব করার উদ্দেশ্যে নামমাত্র মূল্যে তাঁর উটটি খরিদ করেন— যেন হযরত জাবির (রা)-কে এ উটের মূল্য গ্রহণে কোন সংকোচ বোধ না করেন। তাছাড়া মদীনায় পৌঁছে উটের মূল্য প্রদানের সময় অতিরিক্ত আরো তিন উকিয়াসহ বিক্রীত উটটিও তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। বস্তুত হযরত জাবিরের উট খরিদ করা প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উদ্দেশ্য ছিল না। এ কারণে জাবির (রা) যখন উটের দ্বারা মদীনা পৌঁছা পর্যন্ত আরোহণ করার শর্ত আরোপ করেন তখন মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই শর্ত মেনে নেন। অথচ বাহ্যিকভাবে এ ধরনের শর্তারোপ নিষিদ্ধ। কেননা অন্য হাদীসে বলা হয়েছে, نهى عن بيع وشرط (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শর্তের সাথে কোন বেচাকেনা করতে নিষেধ করেছেন) কাজেই যেহেতু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মূল উদ্দেশ্য উট খরিদ করা নয়, বরং উদ্দেশ্য ছিল উটের দাম বলে হযরত জাবিরকে আর্থিক সাহায্য করা। আর একারণেই তিনি উপরোক্ত শর্ত মেনে নিতে কোন দ্বিধা প্রকাশ করেন নি। তারপর মদীনা পৌঁছে তিনি কেবল উটের মূল্যই নয় বরং উটসহ অতিরিক্ত আরো তিন উকিয়া স্বর্ণ তাকে প্রদান করেন। এভাবে এ উম্মতের জন্যও কর্তব্য যে, তারা যখন নিজেদের কোন অভাবী ঋণগ্রস্ত ভাইয়ের আর্থিক সাহায্য করার ইচ্ছা করবেন তখন এমন পন্থা অবলম্বন করবেন যার ফলে অভাবী ব্যক্তি সাহায্য গ্রহণ করতে সংকোচবোধ না করেন এবং যথাসম্ভব অভাবী লোকটি অনুগ্রহ ভাজন হওয়ার বোঝা থেকে যেন হাল্‌কা রাখেন।
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান