আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ১৩৪
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) -এর নম্রতা ও বিনয়
১৩৪। হযরত আসমা বিন্ত ইয়াযীদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী (ﷺ) মহিলাদের নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি তাদেরকে সালাম দেন।
أبواب الكتاب
مَا ذُكِرَ مِنْ تَوَاضُعِهِ
134 - حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ هَارُونَ بْنِ سُلَيْمَانَ، نَا أَبُو مَعْمَرٍ الْقَطِيعِيُّ، نَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ ابْنِ أَبِي حُسَيْنٍ، عَنْ شَهْرٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، «أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ بِنِسْوَةٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِنَّ»
হাদীসের ব্যাখ্যা:
আলিমগণ লিখেছেন যে, মহিলাদেরকে সালাম দেওয়ার বিষয়টি প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ব্যক্তিগত আমল ছিল। কারণ তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নিষ্পাপ ও আল্লাহ্ কর্তৃক সংরক্ষিত। তিনি ফিনায় পতিত হওয়া থেকে ছিলেন সম্পূর্ণ নিরাপদ। কাজেই প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যতীত অন্য লোকদের জন্য বিধান হলো গায়রে মুহাররাম মহিলাকে সালাম না দেওয়া উত্তম। অবশ্য কোন মহিলা যদি এমন হয় যে, বয়স বার্ধক্যের সীমানায় পৌঁছে গেছে তাকে সালাম দিতে কোন আপত্তি নেই। আল্লামা ইব্ন আবেদীন (র) শামী গ্রন্থে লিখেছেন যে, “গায়রে মুহাররাম ব্যক্তির জন্য কোন বেগানা মহিলাকে সালাম দেওয়া অনুচিত। তবে ঐ বেগানা মহিলা যদি বৃদ্ধা হন তাহলে তাকে সালাম দেয়া যায়। অনুরূপ যদি কোন বৃদ্ধা হাঁচি দিয়ে ‘আল হামদুলিল্লাহ্’ বলে তাহলে বৃদ্ধা হওয়ার কারণে তার হাঁচির জবাব দেয়া যায়। পক্ষান্তরে কোন মহিলা যদি বৃদ্ধা না হয় তা হলে তাকে সালাম কিংবা তার হাঁচির জবাব দেয়া যাবে না। (কেননা এখানে ফিনায় পতিত হওয়ার আশংকা আছে) তবে মনে মনে হাঁচির জবাব দিতে হবে।”
একখানা হাদীসে হযরত জারীর ইব্ন আবদুল্লাহ্ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল মহিলার পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি তাদেরকে সালাম দেন। (মিশকাত, পৃষ্ঠা ৩৯৯)
আল্লামা হালীমী (র) বলেন যে, যেহেতু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন প্রকার ফিনায় পতিত হওয়া থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিলেন, এ কারণে তাঁর জন্য বেগানা মহিলাকে সালাম দেওয়া জায়িয ছিল। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি নিজের ব্যাপারে নিরাপদ থাকার উপর সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকবেন তার জন্যও বেগানা মহিলাকে সালাম দেওয়ার অনুমতি দেওয়া যায়, অন্যথায় তার নীরব থাকাই শ্রেয়। (আউনুল মা’বূদ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫১৯)
গ্রন্থকারের এখানে উপরোক্ত হাদীসগুলো উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো সালামের ব্যাপারে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আমলী-নীতি তুলে ধরা। অর্থাৎ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শিশু কিংবা বৃদ্ধা, পুরুষ কিংবা মহিলা নির্বিশেষে সকলকেই সর্বাগ্রে সালাম দিতেন।
একখানা হাদীসে হযরত জারীর ইব্ন আবদুল্লাহ্ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল মহিলার পার্শ্ব দিয়ে যাচ্ছিলেন। এমন সময় তিনি তাদেরকে সালাম দেন। (মিশকাত, পৃষ্ঠা ৩৯৯)
আল্লামা হালীমী (র) বলেন যে, যেহেতু প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কোন প্রকার ফিনায় পতিত হওয়া থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ছিলেন, এ কারণে তাঁর জন্য বেগানা মহিলাকে সালাম দেওয়া জায়িয ছিল। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি নিজের ব্যাপারে নিরাপদ থাকার উপর সম্পূর্ণ নিশ্চিত থাকবেন তার জন্যও বেগানা মহিলাকে সালাম দেওয়ার অনুমতি দেওয়া যায়, অন্যথায় তার নীরব থাকাই শ্রেয়। (আউনুল মা’বূদ, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৫১৯)
গ্রন্থকারের এখানে উপরোক্ত হাদীসগুলো উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হলো সালামের ব্যাপারে প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আমলী-নীতি তুলে ধরা। অর্থাৎ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শিশু কিংবা বৃদ্ধা, পুরুষ কিংবা মহিলা নির্বিশেষে সকলকেই সর্বাগ্রে সালাম দিতেন।