আখলাকুন্নবী (ﷺ)
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
হাদীস নং: ১০২
কিতাবের পরিচ্ছেদ সমূহ
নবী (ﷺ) -এর বদান্যতা সম্পর্কিত হাদীসসমূহ
১০২। হযরত আসমা বিন্ত আবু বক্র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার (হযরত) আবু বক্র সিদ্দীক (রাযিঃ) কবি লবীদ (রাযিঃ)-এর এই পংক্তি দু’টি আবৃত্তি করলেন : أَخٌ لِيَ أَمَّا كُلَّ شَيْءٍ سَأَلْتُهُ ......... فَيُعْطِي وَأَمَّا كُلَّ ذَنْبٍ فَيَغْفِرُ
“আমার এক ভাই আছে, আমি যদি তাঁর কাছে কিছু চাই, তিনি তা তৎক্ষণাৎ আমাকে দিয়ে দেন এবং সব দোষত্রুটি ক্ষমা কর দেন।” এবং বললেন, । রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এ গুণেই গুণান্বিত ছিলেন।
“আমার এক ভাই আছে, আমি যদি তাঁর কাছে কিছু চাই, তিনি তা তৎক্ষণাৎ আমাকে দিয়ে দেন এবং সব দোষত্রুটি ক্ষমা কর দেন।” এবং বললেন, । রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) এ গুণেই গুণান্বিত ছিলেন।
أبواب الكتاب
وَأَمَّا [ص:273] مَا ذُكِرَ مِنْ جُودِهِ وَسَخَائِهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
102 - حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلٍ الْعَطَّارُ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ سَعْدٍ الْأَنْصَارِيُّ، نَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ بْنِ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ، قَالَتْ: أَنْشُدَ أَبُو بَكْرٍ قَوْلَ لَبِيدٍ: أَخٌ لِيَ أَمَّا كُلَّ شَيْءٍ سَأَلْتُهُ ... فَيُعْطِي وَأَمَّا كُلَّ ذَنْبٍ فَيَغْفِرُ
فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ: هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হযরত লবীদ (রা) জাহিলিয়াত যুগের বিখ্যাত কবিদের অন্যতম। তাঁর নাম লবীদ ইব্ন রাবীআ ইব্ন মালিক। বানূ কিলাব প্রতিনিধি দলের সাথে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দরবারে উপস্থিত হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি কাব্যচর্চা ত্যাগ করেন। (মাআরিফে ইব্ন কুতায়বা, পৃষ্ঠা-৩৩২)। অপর এক হাদীসে হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লবীদের সবচেয়ে সত্য কবিতা হচ্ছে এটিঃ الا كل شئ ماخلا الله باطل * وكل نعيم لا محالة زائل
জেনে রাখো, আল্লাহ্ ছাড়া সব জিনিসই বাতিল ও মিথ্যা আর দুনিয়ার সব নিয়ামতই নিশ্চিত বিলীয়মান। (বুখারী শরীফ, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১০৮)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত লবীদ (রা)-এর কবিতা খুব পছন্দ করতেন। কেননা, তাঁর কবিতায় প্রায়শ আল্লাহ্ তাওহীদ, রিসালাত, কিয়ামত, পুরস্কার, শাস্তি ইত্যাদি উল্লেখিত হতো।
গ্রন্থকার এ হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দানশীলতা ও বদান্যতা অনুচ্ছেদে উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে, হযরত লবীদ (রা) তাঁর এই কবিতায় তাঁর মামদূহ্ বা প্রশংসিতের দানশীলতা ও বদান্যতার আলোচনা করেছেন। তাই হযরত আবূ বক্র (রা) এই কবিতাটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উদ্দেশ্যে আবৃত্তি করেন। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন যে, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দানশীলতা ও বদান্যতা গুণের এই মানদণ্ডে পুরোপুরি উত্তীর্ণ ছিলেন।
জেনে রাখো, আল্লাহ্ ছাড়া সব জিনিসই বাতিল ও মিথ্যা আর দুনিয়ার সব নিয়ামতই নিশ্চিত বিলীয়মান। (বুখারী শরীফ, ২য় খণ্ড, পৃষ্ঠা-১০৮)
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত লবীদ (রা)-এর কবিতা খুব পছন্দ করতেন। কেননা, তাঁর কবিতায় প্রায়শ আল্লাহ্ তাওহীদ, রিসালাত, কিয়ামত, পুরস্কার, শাস্তি ইত্যাদি উল্লেখিত হতো।
গ্রন্থকার এ হাদীসটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দানশীলতা ও বদান্যতা অনুচ্ছেদে উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে, হযরত লবীদ (রা) তাঁর এই কবিতায় তাঁর মামদূহ্ বা প্রশংসিতের দানশীলতা ও বদান্যতার আলোচনা করেছেন। তাই হযরত আবূ বক্র (রা) এই কবিতাটি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উদ্দেশ্যে আবৃত্তি করেন। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন যে, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তাফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দানশীলতা ও বদান্যতা গুণের এই মানদণ্ডে পুরোপুরি উত্তীর্ণ ছিলেন।