ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
২০. সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
হাদীস নং: ২১২৯
সাক্ষ্য-শুনানির বিধান
কোন কোন বিষয়ে নারী ও পুরুষের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য নয় এবং কার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য বা গ্রহণযোগ্য নয়
(২১২৯) আয়িশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, সন্তানের পক্ষে পিতার সাক্ষ্য, পিতার পক্ষে সন্তানের সাক্ষ্য, স্বামীর পক্ষে স্ত্রীর সাক্ষ্য, স্ত্রীর পক্ষে স্বামীর সাক্ষ্য, মালিকের পক্ষে দাসের সাক্ষ্য, দাসের পক্ষে মালিকের সাক্ষ্য, শরীকের পক্ষে অন্য শরীকের সাক্ষ্য এবং বেতনদাতার পক্ষে বেতনভোগী কর্মচারীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
كتاب الشهادة
عن عائشة رضي الله عنها مرفوعا: لا تجوز شهادة الوالد لولده ولا الولد لوالده ولا المرأة لزوجها ولا الزوج لامرأته ولا العبد لسيده ولا السيد لعبده ولا الشريك لشريكه ولا الأجير لمن استأجره
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(খাসসাফ। সনদ আপত্তিকর নয়।** ইবন আবী শাইবা অনুরূপ মতামত তাবিয়ি শুরাইহ ও ইবরাহীম নাখয়ি থেকে উদ্ধৃত করেছেন)। [মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবা, হাদীস-২২৮৫৯, ২২৮৬০; মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক, হাদীস-১৫৪৭৪, ১৫৪৭৬]
** * [আল্লামা কামাল ইবনুল হুমাম ও যাইলায়ি বলেন, এই হাদীসটি গরীব। ইবন আবী শাইবা ও আব্দুর রাযযাক এটি তাবিয়ি শুরাইহ থেকে তার বাণী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু একমাত্র আবু বাকর রাযি আল খাসসাফ এটিকে নিজের সনদে আয়িশা রা. থেকে মারফূ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দেখুন: ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর ৭/৪০৩-৪০৪ ও যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ৪/৮২-৮৩। -সম্পাদক]
** * [আল্লামা কামাল ইবনুল হুমাম ও যাইলায়ি বলেন, এই হাদীসটি গরীব। ইবন আবী শাইবা ও আব্দুর রাযযাক এটি তাবিয়ি শুরাইহ থেকে তার বাণী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু একমাত্র আবু বাকর রাযি আল খাসসাফ এটিকে নিজের সনদে আয়িশা রা. থেকে মারফূ' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। দেখুন: ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর ৭/৪০৩-৪০৪ ও যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ৪/৮২-৮৩। -সম্পাদক]