ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
১১. ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি
হাদীস নং: ১৭৮৮
ইসলাম নির্ধারিত দন্ডবিধি
জিহ্বা ও গুপ্তাঙ্গের সংরক্ষণের ফযীলত
(১৭৮৮) সাহল ইবন সা'দ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যদি কেউ আমার জন্য তার দুই চোয়ালের মাঝে যা রয়েছে (তার জিহ্বা) এবং তার দুই পায়ের মাঝে যা রয়েছে (তার যৌনাঙ্গ) উভয়ের সংরক্ষণের নিশ্চয়তা দিতে পারে তবে আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা প্রদান করব।
كتاب الحدود
عن سهل بن سعد رضي الله عنه مرفوعا: من يضمن لي ما بين لحييه وما بين رجليه أضمن له الجنة
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
[সহীহ বুখারি, হাদীস-৬৪৭৪; সুনান তিরমিযি, হাদীস-২৪০৮]
হাদীসের ব্যাখ্যা:
জিহবা এবং লজ্জাস্থানের অপপ্রয়োগ এবং অবৈধ প্রয়োগ মানুষকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বান্দা তার জিহবা এবং লজ্জাস্থানের দ্বারা অপরাধ করে এবং সমাজ-জীবনে বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে। তাই নবী করীম ﷺ এ দুটো জিনিস সম্পর্কে খুব সতর্ক থাকতে উপদেশ দিয়েছেন। যদি কোন ব্যক্তি তার জিহ্বা এবং লজ্জাস্থানের সঠিক হিফাযত করতে সক্ষম হয়, তাহলে আশা করা যায়, সে জান্নাতে স্থান লাভ করতে পারবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য, এসব হাদীস নবী করীম ﷺ যাঁদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, তাঁরা ছিলেন পাকা ঈমানদার। ইসলামের ফরয-ওয়াজিব বিধান তাঁরা অবশ্যই পালন করতেন। সুতরাং ফরয-ওয়াজিব বিধান বাদ দিয়ে শুধু রসনা ও লজ্জাস্থানের হিফাযত করলেই জান্নাত লাভ করা যাবে মনে করা ভুল হবে।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)