ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৮. তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
হাদীস নং: ১৬৬২
তালাক - ডিভোর্স অধ্যায়
একত্রে তিন তালাক দেওয়া মাকরূহ, তবে দিলে তিন তালাকই হবে
(১৬৬২) আলী রা. থেকে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা হিসাবে বর্ণিত, যে কোনো ব্যক্তি যদি তার স্ত্রীকে একত্রে তিন তালাক দেয় অথবা তিন পবিত্রতায় তিন তালাক দেয় তবে সেই স্ত্রী আর তার জন্য বৈধ হবে না, যতক্ষণ না সে অন্য স্বামীকে বিবাহ করবে।
كتاب الطلاق
عن علي رضي الله عنه مرفوعا : أيما رجل طلق امرأته ثلاثا مبهمة أو ثلاثا عند الإقراء لم تحل له حتى تنكح زوجا غيره
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
এই হাদীসের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আয়িশা বিনতু খালীফা খাসআমিয়্যাহ ছিলেন ইমাম হাসান ইবন আলী রা.র স্ত্রী ।... হাসান রা. তাকে একত্রে তিন তালাক প্রদান করেন। এই উপলক্ষ্যে তিনি এই হাদীসটি তার পিতার সূত্রে বলেন । (দারাকুতনি)।** [সুনান দারাকুতনি, হাদীস-৩৯৭২]
উপরের হাদীসগুলো বিভিন্ন যয়ীফ বা হাসান সনদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত । যেগুলো থেকে বোঝা যায় যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলে তিন তালাকই হবে। গ্রন্থকার বলেন, এ বিষয়ে সাহাবিগণ থেকে অনেক সহীহ সনদে তাদের মতামত হিসাবে বর্ণিত হয়েছে যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলে তিন তালাক হবে। এদের মধ্যে রয়েছেন উমার রা., উসমান রা., আলী রা., ইবন মাসউদ রা., ইবন উমার রা., ইবন আব্বাস রা. ও অন্যান্য অনেক সাহাবি। তারা সকলেই মত প্রকাশ করেছেন যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলেও তিন তালাক হবে। বরং কেউ কেউ বলেছেন যে, এ বিষয়ে সাহাবিগণ ঐকমত্য পোষণ করতেন। আল্লাহই ভালো জানেন।
**এই হাদীসটির বর্ণনাকারী উমাইর ইবন আবু কাইস সত্যবাদী ছিলেন, তবে অনেক ভুল করতেন। আর তার ছাত্র সালামা ইবন ফাদল সম্পর্কে ইসহাক ইবন রাহওয়াইহি বলেন যে, তিনি দুর্বল ও অগ্রহণযোগ্য। তবে ইবন মাঈন তাকে চলনসই বলে উল্লেখ করেছেন। ( গ্রন্থকার)
উপরের হাদীসগুলো বিভিন্ন যয়ীফ বা হাসান সনদে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) থেকে বর্ণিত । যেগুলো থেকে বোঝা যায় যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলে তিন তালাকই হবে। গ্রন্থকার বলেন, এ বিষয়ে সাহাবিগণ থেকে অনেক সহীহ সনদে তাদের মতামত হিসাবে বর্ণিত হয়েছে যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলে তিন তালাক হবে। এদের মধ্যে রয়েছেন উমার রা., উসমান রা., আলী রা., ইবন মাসউদ রা., ইবন উমার রা., ইবন আব্বাস রা. ও অন্যান্য অনেক সাহাবি। তারা সকলেই মত প্রকাশ করেছেন যে, তিন তালাক একত্রে প্রদান করলেও তিন তালাক হবে। বরং কেউ কেউ বলেছেন যে, এ বিষয়ে সাহাবিগণ ঐকমত্য পোষণ করতেন। আল্লাহই ভালো জানেন।
**এই হাদীসটির বর্ণনাকারী উমাইর ইবন আবু কাইস সত্যবাদী ছিলেন, তবে অনেক ভুল করতেন। আর তার ছাত্র সালামা ইবন ফাদল সম্পর্কে ইসহাক ইবন রাহওয়াইহি বলেন যে, তিনি দুর্বল ও অগ্রহণযোগ্য। তবে ইবন মাঈন তাকে চলনসই বলে উল্লেখ করেছেন। ( গ্রন্থকার)