ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৬. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ১৪৭২
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
কিরান হজ্জ
(১৪৭২) উম্মু সালামা রা. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, হে মুহাম্মাদের পারিবারের লোকজন, তোমরা হজ্জের মধ্যে উমরার (হজ্জ ও উমরাহ একত্রে বা কিরান হজ্জের) ইহরাম করো।
كتاب الحج
عن أم سلمة رضي الله عنها سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: أهلوا يا آل محمد بعمرة في حج
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
[মুসনাদ আহমাদ, হাদীস-২৬৫৪৮; তাহাবি, শারহু মাআনিল আসার, হাদীস-৩৭২২]
১। ২/১৫৪।
২। ৬/২৯৭।
৩। উমদাতুল কারি ৫/৫৩৭ ও মাজমাউয যাওয়ায়িদ (৪/৩৫৫)।
১। ২/১৫৪।
২। ৬/২৯৭।
৩। উমদাতুল কারি ৫/৫৩৭ ও মাজমাউয যাওয়ায়িদ (৪/৩৫৫)।
হাদীসের ব্যাখ্যা:
হজ্জের মাসগুলোতে মীকাতে পৌঁছে তিন প্রকারের যে কোনো এক প্রকারে হজ্জ আদায় করা যায়। (১) মীকাত থেকে শুধুমাত্র হজ্জের নিয়্যাত করে মক্কায় গমন করা এবং শুধুমাত্র হজ্জ আদায় করা। একে ইফরাদ বা একক হজ্জ বলা হয়। (২) মীকাত থেকে উমরাহর নিয়্যাত করে মক্কায় গমন করা। উমরাহ পালন করে 'হালাল' হয়ে যাওয়া। এরপর যিলহজ্জ মাসের ৮ তারিখে মক্কা থেকে হজ্জের জন্য নতুন ইহরাম করে হজ্জ আদায় করা। একে তামাত্তু বা উপভোগের হজ্জ বলা হয়। (৩) মীকাত থেকে একই সঙ্গে উমরাহ ও হজ্জের নিয়্যাত করা। মক্কায় এসে উমরাহ পালন করে 'হারাম' অবস্থায় অপেক্ষা করা। সেই ইহরামেই ৮ তারিখ থেকে হজ্জের বিধানাদি পালন করা। একে কিরান বা সম্মিলিত হজ্জ বলা হয়। তামাত্তু ও কিরান উভয় প্রকার হজ্জে হজ্জ ও উমরাহ একত্র করা হয়। তামাত্তুর ক্ষেত্রে উভয়ের মাঝে হাজি হালাল হন। কিরানের ক্ষেত্রে তিনি হালাল হন না। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তৃতীয় প্রকারের হজ্জ বা কিরান হজ্জ আদায় করেছিলেন বলে ইতোপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।