ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৬. হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ১৩৭০
হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হজ্জের মীকাতগুলোর একত্রিত বিবরণ
(১৩৭০) আয়িশা রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ইরাকবাসীদের জন্য ‘যাতু ইরক' নামক স্থানকে মীকাত বা ইহরামের স্থান হিসাবে নির্ধারণ করেছেন।
كتاب الحج
عن عائشة رضي الله عنها أن رسول الله صلى الله عليه وسلم وقت لأهل العراق ذات عرق
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
[সুনান আবু দাউদ, হাদীস-১৭৩৯; সুনান নাসায়ি, হাদীস-২৬৫৩]
হাদীসটির সনদের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। হাফিয ইবন হাজার বলেন, এই অর্থে এই হাদীসটিই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এই অর্থে মুসলিম জাবির রা.র সূত্রে একটি হাদীস উদ্ধৃত করেছেন। তবে হাদীসটি জাবির রা.র কথা না রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা সে বিষয়ে তিনি দ্বিধা পোষণ করেছেন । (কারণ দ্বিতীয় হিজরি শতকের কোনো কোনো রাবী হাদীসটিকে জাবিরের কথা, কেউ কেউ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা হিসাবে বর্ণনা করেছেন)। তবে ইবন মাজাহ একটি হাসান সনদে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন, যাতে তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা বলে নিশ্চিত বলা হয়েছে । এছাড়া আহমাদ হাসান সনদে জাবির রা. ও ইবন উমার রা র সূত্রে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা হিসাবে উদ্ধৃত করেছেন) ।
মক্কা শরীফ থেকে ১০০ কি.মি. উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ।
হাদীসটির সনদের সকল বর্ণনাকারী নির্ভরযোগ্য। হাফিয ইবন হাজার বলেন, এই অর্থে এই হাদীসটিই সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী। এই অর্থে মুসলিম জাবির রা.র সূত্রে একটি হাদীস উদ্ধৃত করেছেন। তবে হাদীসটি জাবির রা.র কথা না রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা সে বিষয়ে তিনি দ্বিধা পোষণ করেছেন । (কারণ দ্বিতীয় হিজরি শতকের কোনো কোনো রাবী হাদীসটিকে জাবিরের কথা, কেউ কেউ রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা হিসাবে বর্ণনা করেছেন)। তবে ইবন মাজাহ একটি হাসান সনদে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন, যাতে তা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা বলে নিশ্চিত বলা হয়েছে । এছাড়া আহমাদ হাসান সনদে জাবির রা. ও ইবন উমার রা র সূত্রে হাদীসটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর কথা হিসাবে উদ্ধৃত করেছেন) ।
মক্কা শরীফ থেকে ১০০ কি.মি. উত্তর-পূর্বে অবস্থিত ।