ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার

৩. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ১০১৬
নামাযের অধ্যায়
ওযরের কারণে ঈদের দিনে সালাতুল ঈদ আদায়ে ব্যর্থ হলে
(১০১৬) তাবিয়ি আবু উমাইর ইবন আনাস বলেন, তার কয়েকজন চাচা, যারা সাহাবি ছিলেন তারা বলেছেন, (একবার মেঘের কারণে আমরা শাওয়ালের চাঁদ দেখতে পেলাম না। ফলে পরদিন ৩০শে রমাযান হিসবে মানুষেরা সিয়াম পালন করছিল, বিকালে) একটি কাফেলা এসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট সাক্ষ্য প্রদান করল যে, তারা গতকাল চাঁদ দেখেছে । তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সবাইকে নির্দেশ দিলেন সিয়াম ভাঙ্গতে এবং নির্দেশ দিলেন যে, পরদিন সকালে তারা যেন ঈদের মাঠে গমন করে।
كتاب الصلاة
عن أبي عمير بن أنس عن عمومة له من أصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ركبا جاءوا إلى النبي صلى الله عليه وسلم يشهدون أنهم رأوا الهلال بالأمس فأمرهم أن يفطروا وإذا أصبحوا أن يغدوا إلى مصلاهم

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(আবু দাউদ, ইবন মাজাহ। ইবনুস সাকান, ইবন হাযম, ইবনুল মুনযির, নববি এবং খাত্তাবি হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন)। [সুনান আবু দাউদ, হাদীস-১১৫৭; সুনান ইবন মাজাহ, হাদীস-১৬৫৩]

হাদীসের ব্যাখ্যা:

একবার রাসূলুল্লাহ ﷺ এর যামানায় ২৯ শে রমাযান চাঁদ দেখা না যাওয়ায় ৩০শে রমাযান সবাই সিয়াম পালন করেন। কিন্তু একটি বাণিজ্য কাফেলা বাইর থেকে দিনে মদীনায় এসে পৌছল এবং তাঁরা জানালেন আমরা গতকাল সন্ধ্যায় (ঈদের) চাঁদ দেখেছি। নবী কারীম ﷺ তাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ করে বললেন। তোমরা সিয়াম ভংগ কর এবং আগামী দিন ভোরে ঈদের সালাত আদায়ের প্রস্তুতি গ্রহণ কর।

সম্ভবত, এই কাফিলাটি দিনের অনেক বেলা হওয়ার পর মদীনায় পৌছেছিলেন এবং তখন সালাতের সময়ও শেষ হয়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় এটাই মাসআলা যে, ঐদিন সালাতের সময় না থাকায় পরের দিন ঈদের সালাত আদায় করতে হয়।
ব্যাখ্যা সূত্রঃ_ মা'আরিফুল হাদীস (মাওলানা মনযূর নোমানী রহ.)
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান