ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার
৩. নামাযের অধ্যায়
হাদীস নং: ৯৫৮
নামাযের অধ্যায়
জুমুআর সালাত শহরে, গ্রামে নয়
(৯৫৮) ইবরাহীম নাখয়ি বলেন, হুযাইফা রা. বলেছেন, গ্রামবাসীদের উপর জুমুআ নেই। জুমুআ শুধুমাত্র শহরবাসীদের উপর, যেমন মাদাইন শহর ।
كتاب الصلاة
عن إبراهيم عن حذيفة رضي الله عنه قال: ليس على أهل القرى جمعة إنما الجمع على أهل الأمصار مثل المدائن
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
(ইবন আবী শাইবা। হুযাইফার এই মতটির সনদ বিচ্ছিন্ন । ইবরাহীম নাখয়ি হুযাইফার নিকট থেকে হাদীস শিক্ষার সুযোগ পান নি। অন্যের মাধ্যমে তিনি হাদীসটি শুনেছেন, যার নাম উল্লেখ করেন নি। নাখয়ি পর্যন্ত সনদ শক্তিশালী) । [মুসান্নাফ, ইবন আবী শাইবা, হাদীস-৫০৬০]
সূরা: [৪৩] যুখরুফ, আয়াত: ৩১।
সূরা: [৪৩] যুখরুফ, আয়াত: ৩১।
হাদীসের ব্যাখ্যা:
গ্রন্থকার রাহ. বলেন, 'জুওয়াসা’কে কোথাও কোথাও গ্রাম বলা হয়েছে । আরবিতে শহরকে ‘জনপদ' অর্থে গ্রাম বলার প্রচলন আছে। যেমন মক্কা ও তায়িফ শহরকে কুরআন কারীমে গ্রাম বলা হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন: وَقَالُوا لَوْلَا نُزِّلَ هَذَا الْقُرْآنُ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الْقَرْيَتَيْنِ عَظِيمٍ এবং তারা (কাফিরগণ) বলে, এই কুরআন কেন অবতীর্ণ হল না দুই গ্রামের কোনো এক প্রতিপত্তিশালী ব্যক্তির উপর’?** আবু উবাইদ বাকরি তার ভৌগলিক অভিধান ‘মু'জামু মাসুতুজিমা’ গ্রন্থে ‘জুওয়াসা’র পরিচয় দিয়ে লিখেছেন, বাহরাইনে আব্দুল কাইস গোত্রের একটি শহর, ইমরাউল কাইস তার কবিতায় এই শহরের কথা উল্লেখ করে বলেন: ورحنا كأنا من جواثى عشية • نعالي النعاج بين عدل ومحقب ‘আমরা বিকালে বের হলাম, আমাদের সাথে এত মালপত্র ও বাক্স পোটলা ছিল যে, আমাদের দেখে মনে হচ্ছিল আমরা জুওয়াসার ব্যবসায়ী'।