ফিকহুস সুনান ওয়াল আসার

৩. নামাযের অধ্যায়

হাদীস নং: ৩৮৪
নামাযের অধ্যায়
মিনারে আযান ও মসজিদের মধ্যে ইকামত
(৩৮৪) আবু বারযাহ আসলামি রা. বলেন, সুন্নত হল মিনারে আযান দেওয়া ও মসজিদের মধ্যে ইকামত দেওয়া।
كتاب الصلاة
عن أبي برزة الأسلمي رضي الله عنه قال: من السنة الأذان في المنارة والإقامة في المسجد

হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):

(হাদীসটি আবুশ শাইখ সঙ্কলিত করেছেন। সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য**)। [বাইহাকি, আস সুনানুল কুবরা, হাদীস-১৯৯৬; যাইলায়ি, নাসবুর রায়াহ ১/২৯৬]

[শাইখ মুহাম্মাদ আওয়ামা বলেন, 'হাদীসটির সনদ মুনকার বা আপত্তিকর'। ইসলাম মানসুর বলেন, 'হাদীসটি যয়ীফ জিদ্দান বা অত্যন্ত দুর্বল'। গ্রন্থকার নাসবুর রায়াহর বরাতে সুনানে কুবরা থেকে হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। বাইহাকি সুনানে কুবরাতে বলেন, 'খালিদ ইবন আমর বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, আমাদেরকে সুফিয়ান বলেছেন জুরাইরি থেকে আব্দুল্লাহ ইবন শাকীক থেকে আবু বারযাহ আসলামি থেকে, তিনি বলেন...'। হাদীসটি বর্ণনা করে ইমাম বাইহাকি বলেন, 'এটি আপত্তিকর হাদীস। এর একমাত্র বর্ণনাকারী খালিদ ইবন আমর; তিনি দুর্বল, আপত্তিকর হাদীস বর্ণনাকারী'। নাসবুর রায়াহতে নদের শুরু থেকে খালিদ ইবন আমরের নাম বাদ পড়েছে, যে কারণে বাকি সনদ নিরীক্ষা করে গ্রন্থকার বলেছেন, 'সনদের বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। সনদের মূল দুর্বলতা এই খালিদ ইবন আমর। তার সম্পর্কে ইবন মাঈন বলেন, তিনি চরম মিথ্যাবাদী। সাজি, আবু যুরআ ও বুখারি বলেন, আপত্তিকর হাদীস বর্ণনাকারী । আসকালানি বলেন, মিথ্যা হাদীস রচনাকারী। পক্ষান্তরে হাদীসটি মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবাতে তাবিয়ি আব্দুল্লাহ ইবন শাকীকের বাণী হিসাবে মাকতূ রূপে বর্ণিত হয়েছে, যার সনদ উত্তম ও বিশুদ্ধ । দেখুন: বাইহাকি, আস সুনানুল কুবরা, তাহকীক: ইসলাম মানসুর আব্দুল হামীদ ১/৭৯৪; যাহাবি, মীযানুল ই'তিদাল ১/৬৩৫-৬৩৬; আলবানি, ইরওয়াউল গালীল ১/২৪৮; মুহাম্মাদ আওয়ামা, তাহকীক মুসান্নাফ ইবন আবী শাইবা ২/৩৬৯। -সম্পাদক]
tahqiqতাহকীক:তাহকীক চলমান