আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
১৮- বিবিধ প্রসঙ্গ।
হাদীস নং: ৯৯৩
- বিবিধ প্রসঙ্গ।
রক্তমোক্ষণ কার্যের পারিশ্রমিক।
৯৯৩ । ইয়াহ্ইয়া ইবনে সাঈদ (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রাহঃ)-কে বলতে শুনেছেন, হযরত উছমান (রাযিঃ)-র হত্যার বিপর্যয় ও বিশৃংখলা (৩৫ হি.) দেখা দিলে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের কেউই বাকী থাকলেন না (সবাই গোলযোগে জড়িয়ে পড়লেন)। অতঃপর হাররা-র মর্মান্তিক ঘটনা সংঘটিত হলে হুদাইবিয়ার সন্ধিকালে উপস্থিত সাহাবীদের কেউ (তার আক্রমণ থেকে) বেঁচে থাকতে পারেননি। অতঃপর তৃতীয় কোন গোলযোগ দেখা দিলে কোন জ্ঞানবান ও প্রতিভাবান ব্যক্তিই অবশিষ্ট থাকবে না।**
الابواب الجامعة
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيِّبِ، يَقُولُ: وَقَعَتِ الْفِتْنَةُ يَعْنِي فِتْنَةَ عُثْمَانَ، فَلَمْ يَبْقَ مِنْ أَهْلِ بَدْرٍ أَحَدٌ، ثُمَّ وَقَعَتْ فِتْنَةُ الْحَرَّةِ، فَلَمْ يَبْقَ مِنْ أَصْحَابِ الْحُدَيْبِيَةِ أَحَدٌ، فَإِنْ وَقَعَتِ الثَّالِثَةُ لَمْ يَبْقَ بِالنَّاسِ طَبَاخٌ
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** গোলযোগ ও বিশৃঙ্খলাই অশান্তি, বিপর্যয় ও দুর্ভাগ্যের প্রসূতি। এর ফলে সমাজের শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নতি চরমভাবে ব্যাহত হয়। এর প্রতিক্রিয়া এতোই ব্যাপক যে, তার পরবর্তী যুগ আরো নিকৃষ্টতর হয়ে থাকে এবং ক্রমান্বয়ে একটি সমাজ, একটি জাতি ও একটি আদর্শের পতন ঘটে। কালের ইতিহাস এর সাক্ষী।
হাররা (الحرة) মদীনা শহরের উপকণ্ঠে একটি প্রস্তরময় এলাকার নাম। কারবালার প্রান্তরে হযরত হুসাইন (রা) পরিবার-পরিজনসহ অসহায় অবস্থায় নির্মমভাবে ইয়াযীদ বাহিনীর হাতে নিহত হলে গোটা মুসলিম জাহানে ত্রাস ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিক্রিয়া মদীনায়ও দেখা দেয়। মদীনাবাসীগণ ইয়াযীদের শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ইয়াযীদ এই বিদ্রোহ দমনের জন্য তার বেতনভুক সিরীয় সেনাবাহিনী প্রেরণ করে। হাররা নামক স্থানে ৬৩ হিজরী সনে মদীনাবাসী ও ইয়াযীদ বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। স্বল্পতার কারণে মদীনাবাসীগণ চরমভাবে পরাজয় বরণ করেন। এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর বহু আনসার ও মুহাজির সাহাবী শাহাদত বরণ করেন। বিজয়োল্লাসে মত্ত ইয়াযীদ বাহিনী তিনদিন ধরে মদীনা শহর লুণ্ঠন করে, নারী, পুরুষ ও শিশুদের হত্যা করে। ইসলামের ইতিহাসে এটাই হাররার মর্মান্তিক ঘটনা নামে পরিচিত।
তৃতীয় গোলযোগ দেখা দিলে আর কোন সাহাবীই অবশিষ্ট থাকবেন না বলে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (র) আশংকা প্রকাশ করেছেন (অনুবাদক)।
হাররা (الحرة) মদীনা শহরের উপকণ্ঠে একটি প্রস্তরময় এলাকার নাম। কারবালার প্রান্তরে হযরত হুসাইন (রা) পরিবার-পরিজনসহ অসহায় অবস্থায় নির্মমভাবে ইয়াযীদ বাহিনীর হাতে নিহত হলে গোটা মুসলিম জাহানে ত্রাস ও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিক্রিয়া মদীনায়ও দেখা দেয়। মদীনাবাসীগণ ইয়াযীদের শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ইয়াযীদ এই বিদ্রোহ দমনের জন্য তার বেতনভুক সিরীয় সেনাবাহিনী প্রেরণ করে। হাররা নামক স্থানে ৬৩ হিজরী সনে মদীনাবাসী ও ইয়াযীদ বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ হয়। স্বল্পতার কারণে মদীনাবাসীগণ চরমভাবে পরাজয় বরণ করেন। এই যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর বহু আনসার ও মুহাজির সাহাবী শাহাদত বরণ করেন। বিজয়োল্লাসে মত্ত ইয়াযীদ বাহিনী তিনদিন ধরে মদীনা শহর লুণ্ঠন করে, নারী, পুরুষ ও শিশুদের হত্যা করে। ইসলামের ইতিহাসে এটাই হাররার মর্মান্তিক ঘটনা নামে পরিচিত।
তৃতীয় গোলযোগ দেখা দিলে আর কোন সাহাবীই অবশিষ্ট থাকবেন না বলে সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (র) আশংকা প্রকাশ করেছেন (অনুবাদক)।