আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
১১- শরীআতে চুরির দন্ড বিধি
হাদীস নং: ৬৮৫
- শরীআতে চুরির দন্ড বিধি
ফল বা এমন কিছু চুরি করা যা গুদামজাত করা যায় না।
৬৮৫। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহ্ইয়া ইবনে হাব্বান (রাহঃ) থেকে বর্ণিত। একটি ক্রীতদাস এক ব্যক্তির বাগান থেকে খেজুরের চারা চুরি করে এনে তার মালিকের বাগানে রোপন করে। চারার মালিক তার চারার অনুসন্ধান করতে বের হলো এবং তা পেয়ে গেলো। এ সম্পর্কে সে মারওয়ান ইবনুল হাকামের কাছে নালিশ করলো। মারওয়ান তাকে আটক করলেন এবং তার হাত কেটে দেয়ার ইচ্ছা করলেন। ক্রীতদাসের মালিক রাফে ইবনে খাদীজ (রাযিঃ)-র কাছে এসে তাকে এ সম্পর্কিত বিধান জিজ্ঞেস করলো। রাফে (রাযিঃ) তাকে অবহিত করলেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছেনঃ “ফল অথবা চারাগাছ চুরি করলে হাত কাটা যাবে না।” ‘কাছার' অর্থ খেজুরগাছ। লোকটি বললো, মারওয়ান আমার গোলামকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছেন এবং তিনি তার হাত কাটতে চান। আমি চাচ্ছি যে, আপনি তার কাছে যান এবং তাকে রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে আপনার শোনা হাদীসটি সম্পর্কে অবহিত করুন। অতএব তিনি গোলামের মালিকের সাথে পদব্রজে রওয়ানা হলেন এবং মারওয়ানের কাছে গিয়ে উপস্থিত হলেন। রাফে (রাযিঃ) মারওয়ানকে বলেন, তুমি কি তার দাসকে গ্রেফতার করেছো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি তার সাথে কিরূপ ব্যবহার করতে চাও? মারওয়ান বলেন, আমি তার হাত কাটতে চাই। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ ﷺ -কে বলতে শুনেছিঃ “ফল ও চারাগাছ চুরি করলে হাত কাটা যাবে না।” এ হাদীস শোনার পর মারওয়ান গোলমটিকে ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিলেন এবং তদনুযায়ী তাকে মুক্তি দেয়া হলো।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীসের উপর আমল করি। গাছের ঝুলন্ত ফল, বীজ, চারাগাছ এবং গাছ চুরি করলে হাত কাটা যাবে না। কাছার (كثر) অর্থ খেজুরগাছ। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, আমরা এ হাদীসের উপর আমল করি। গাছের ঝুলন্ত ফল, বীজ, চারাগাছ এবং গাছ চুরি করলে হাত কাটা যাবে না। কাছার (كثر) অর্থ খেজুরগাছ। ইমাম আবু হানীফারও এই মত।
كتاب الحدود والسرقة
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حِبَّانَ، أَنَّ غُلامًا سَرَقَ وَدِيًّا مِنْ حَائِطِ رَجُلٍ، فَغَرَسَهُ فِي حَائِطِ سَيِّدِهِ، فَخَرَجَ صَاحِبُ الْوَدِيِّ يَلْتَمِسُ وَدِيَّهُ، فَوَجَدَهُ فَاسْتَعْدَى عَلَيْهِ مَرْوَانُ بْنُ الْحَكَمِ، فَسَجَنَهُ وَأَرَادَ قَطْعَ يَدِهِ، فَانْطَلَقَ سَيِّدُ الْعَبْدِ إِلَى رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، فَسَأَلَهُ، فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، يَقُولُ: «لا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ وَلا كَثْرٍ» .
وَالكَثْرُ الْجُمَّارُ، قَالَ الرَّجُلُ: إِنَّ مَرْوَانَ أَخَذَ غُلامِي، وَهُوَ يُرِيدُ قَطْعَ يَدِهِ، فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ تَمْشِيَ إِلَيْهِ، فَتُخْبِرَهُ بِالَّذِي سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَمَشَى مَعَهُ، حَتَّى أَتَى مَرْوَانَ، فَقَالَ لَهُ رَافِعٌ: أَخَذْتَ غُلامَ هَذَا؟ فَقَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَمَا أَنْتَ صَانِعٌ، قَالَ: أُرِيدُ قَطْعَ يَدِهِ، قَالَ: فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ، وَلا كَثْرٍ» .
فَأَمَرَ مَرْوَانُ بِالْعَبْدِ، فَأُرْسِلَ ".
قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، لا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ مُعَلَّقٍ فِي شَجَرٍ، وَلا فِي كَثْرٍ، وَالكَثْرُ الْجُمَّارُ، وَلا فِي وَدِيٍّ، وَلا فِي شَجَرٍ.
وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ
وَالكَثْرُ الْجُمَّارُ، قَالَ الرَّجُلُ: إِنَّ مَرْوَانَ أَخَذَ غُلامِي، وَهُوَ يُرِيدُ قَطْعَ يَدِهِ، فَأَنَا أُحِبُّ أَنْ تَمْشِيَ إِلَيْهِ، فَتُخْبِرَهُ بِالَّذِي سَمِعْتَ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَمَشَى مَعَهُ، حَتَّى أَتَى مَرْوَانَ، فَقَالَ لَهُ رَافِعٌ: أَخَذْتَ غُلامَ هَذَا؟ فَقَالَ: نَعَمْ، قَالَ: فَمَا أَنْتَ صَانِعٌ، قَالَ: أُرِيدُ قَطْعَ يَدِهِ، قَالَ: فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ، وَلا كَثْرٍ» .
فَأَمَرَ مَرْوَانُ بِالْعَبْدِ، فَأُرْسِلَ ".
قَالَ مُحَمَّدٌ: وَبِهَذَا نَأْخُذُ، لا قَطْعَ فِي ثَمَرٍ مُعَلَّقٍ فِي شَجَرٍ، وَلا فِي كَثْرٍ، وَالكَثْرُ الْجُمَّارُ، وَلا فِي وَدِيٍّ، وَلا فِي شَجَرٍ.
وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ