আল মুওয়াত্তা-ইমাম মুহাম্মাদ রহঃ
৬- হজ্ব - উমরার অধ্যায়
হাদীস নং: ৫২৪
- হজ্ব - উমরার অধ্যায়
সশস্ত্র অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ।
৫২৪। আনাস ইবনে মালেক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। মক্কা বিজয়ের বছর রাসূলুল্লাহ ﷺ শিরস্ত্রাণ পরিহিত অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করেন। তিনি যখন শিরস্ত্রাণ খুলে রাখেন তখন তাঁর কাছে এক ব্যক্তি (আবু বারযা আল-আসলামী) এসে বলেন, ইবনে খাতাল কাবার গেলাফ ধরে আছে। তিনি বলেনঃ তোমরা তাকে হত্যা করো।**
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের সময় নবী ﷺ ইহরামবিহীন অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করেন। এজন্যই তাঁর মাথায় শিরস্ত্রান ছিলো। আমরা জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন হুনাইন থেকে ইহরাম বাঁধেন তখন বলেনঃ “হেরেম শরীফে প্রবেশ করার জন্য এই উমরা। কেননা মক্কা বিজয়ের দিন আমরা ইহরামবিহীন অবস্থায় হেরেমে প্রবেশ করেছিলাম।"
এ কারণে আমাদের মতে কোন ব্যক্তি ইরাম না বেঁধে মক্কায় প্রবেশ করলে তাকে অবশ্যই মক্কার বাইরে গিয়ে হজ্জ অথবা উমরার জন্য ইহরাম বেঁধে পুনরায় মক্কায় প্রবেশ করতে হবে। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
ইমাম মুহাম্মাদ (রাহঃ) বলেন, মক্কা বিজয়ের সময় নবী ﷺ ইহরামবিহীন অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করেন। এজন্যই তাঁর মাথায় শিরস্ত্রান ছিলো। আমরা জানতে পেরেছি যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন হুনাইন থেকে ইহরাম বাঁধেন তখন বলেনঃ “হেরেম শরীফে প্রবেশ করার জন্য এই উমরা। কেননা মক্কা বিজয়ের দিন আমরা ইহরামবিহীন অবস্থায় হেরেমে প্রবেশ করেছিলাম।"
এ কারণে আমাদের মতে কোন ব্যক্তি ইরাম না বেঁধে মক্কায় প্রবেশ করলে তাকে অবশ্যই মক্কার বাইরে গিয়ে হজ্জ অথবা উমরার জন্য ইহরাম বেঁধে পুনরায় মক্কায় প্রবেশ করতে হবে। ইমাম আবু হানীফা (রাহঃ) এবং আমাদের সকল ফিকহবিদের এটাই সাধারণ মত।
كتاب الحج
بَابُ: دُخُولِ مَكَّةَ بِسِلاحٍ
أَخْبَرَنَا مَالِكٌ، أَخْبَرَنَا ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " دَخَلَ مَكَّةَ عَامَ الْفَتْحِ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ فَلَمَّا نَزَعَهُ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ لَهُ: ابْنُ خَطَلٍ مُتَعَلِّقٌ بِأَسْتَارِ الْكَعْبَةِ، قَالَ: اقْتُلُوهُ "، قَالَ مُحَمَّدٌ: إِنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ دَخَلَ مَكَّةَ حِينَ فَتَحَهَا غَيْرَ مُحْرِمٍ وَلِذَلِكَ دَخَلَ، وَعَلَى رَأْسِهِ الْمِغْفَرُ، وَقَدْ بَلَغَنَا أَنَّهُ حِينَ أَحْرَمَ مِنْ حُنَيْنٍ، قَالَ: هَذِهِ الْعُمْرَةُ لِدُخُولِنَا مَكَّةَ بِغَيْرِ إِحْرَامٍ يَعْنِي يَوْمَ الْفَتْحِ، فَكَذَلِكَ الأَمْرُ عِنْدَنَا: مَنْ دَخَلَ مَكَّةَ بِغَيْرِ إِحْرَامٍ، فَلا بُدَّ لَهُ مِنْ أَنْ يَخْرُجَ فَيُهِلَّ بِعُمْرَةٍ، أَوْ بِحَجَّةٍ لِدُخُولِهِ مَكَّةَ بِغَيْرِ إِحْرَامٍ، وَهُوَ قَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُ اللَّهُ، وَالْعَامَّةِ مِنْ فُقَهَائِنَا
হাদীসের তাখরীজ (সূত্র):
** ইবনে খাতালের কয়েকটি নাম উল্লেখ আছে। যেমন আবদুল্লাহ, আবদুল উযযা, আবদুল্লাহ ইবনে হিলাল ইবনে খাতাল, গাবিল ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে খাতাল ইত্যাদি। সে ইসলাম গ্রহণের পর মুরতাদ হয়ে যায় এবং হত্যার অপরাধ করে মক্কার কুরাইশ কাফেরদের সাথে যোগ দেয়। মহানবী ﷺ -কে উপহাস ও তিরস্কার করে গান-বাজনা করার জন্য সে দু'টি গায়িকা বাঁদীও রেখেছিলো। এসব কারণে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে হত্যার নির্দেশ দেন (অনুবাদক)।